নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ?
NursingDiplomaজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাস (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
র্যাবিস
Explanation:
Another Explanation (5):
র্যাবিস: একটি ভাইরাসজনিত রোগ
র্যাবিস একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ। এটি সাধারণত স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে সংক্রমিত হয় এবং আক্রান্ত প্রাণীর লালার মাধ্যমে ছড়ায়। র্যাবিস ভাইরাস মস্তিষ্কে আক্রমণ করে এবং স্নায়বিক সমস্যা সৃষ্টি করে। সময়মতো চিকিৎসা না করালে এটি মারাত্মক হতে পারে এবং মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে। 💀
র্যাবিস রোগের কারণ
- ভাইরাস: র্যাবিস লাইসাভাইরাস (Lyssavirus) নামক ভাইরাসের কারণে হয়। 🦠
- সংক্রমণ: সাধারণত র্যাবিস আক্রান্ত কুকুরের কামড় অথবা আঁচড়ের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়। 🐕🦺 এছাড়াও বিড়াল, বাদুড়, শিয়াল, বেজি ইত্যাদি প্রাণীর মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। 🐈🦇🦊
- লালা: আক্রান্ত প্রাণীর লালাতে এই ভাইরাস থাকে এবং লালা কোনোভাবে মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে র্যাবিস হতে পারে। 唾液
র্যাবিস রোগের লক্ষণ
- প্রাথমিক লক্ষণ:
- জ্বর 🤒
- মাথাব্যথা 🤕
- দুর্বলতা 😫
- কামড়ের স্থানে ব্যথা বা চুলকানি 🤕
- গুরুতর লক্ষণ:
- মানসিক অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি 😕
- অস্বাভাবিক আচরণ 🤪
- পানি পানে ভীতি (Hydrophobia) 😨
- পেশী সংকোচন ও খিঁচুনি 痉挛
- পক্ষাঘাত paralysis
- শ্বাসকষ্ট 😮💨
- অবশেষে মৃত্যু 💀
র্যাবিস রোগের চিকিৎসা
র্যাবিস রোগের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তবে লক্ষণ দেখা দেওয়ার আগে দ্রুত টিকা (vaccine) নেওয়া গেলে রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। 💉 কামড়ের পরে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| পোস্ট-এক্সপোজার প্রোফাইলাক্সিস (PEP) | ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে কামড়ের পরে ভ্যাকসিন ও ইমিউনোগ্লোবুলিন (immunoglobulin) গ্রহণ করা। |
| ভ্যাকসিন | র্যাবিস প্রতিরোধের জন্য কার্যকরী। |
| ইমিউনোগ্লোবুলিন | ভাইরাসের বিরুদ্ধে দ্রুত সুরক্ষা প্রদান করে। |
র্যাবিস প্রতিরোধ
- পশুদের টিকা: আপনার পোষা প্রাণীদের নিয়মিত র্যাবিস টিকা দিন। 🐶🐱
- অপরিচিত প্রাণী থেকে সাবধান: অপরিচিত বা বন্য প্রাণী থেকে দূরে থাকুন। 🦁🐻❄️
- কামড়ের ক্ষেত্রে: কোনো প্রাণী কামড়ালে দ্রুত ক্ষত স্থান সাবান ও পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 🧼
- সচেতনতা: র্যাবিস সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। 📣
সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন! 😊🙏