মৃত্যুঞ্জয় বিলাসীর হাতে কি খেইয়ে ঘোরতর অপরাধ করেছে ?
A. অন্ন
B. সন্দেশ
C. লুচি
D. পাঠার মাংশ
সঠিক উত্তরঃ
A.
অন্ন
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কে কবি নন?
- কে কবি নন?
- ‘মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে' উক্তিটি কোন গল্পের?
- ভয়ংকর এক সড়ক দুর্ঘটনায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা রায়হানকে পাশের বস্তির মেয়ে জাহানারা উদ্ধার করে নিয়ে আসে। স্মৃতি ফিরে পেলে রায়হান জানতে পারে তার জীবন বাঁচিয়েছে এই মেয়েটি। দীর্ঘদিন সেবা-যত্নের পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে সে। রায়হান মেয়েটির প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে তাকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসে। তার বাবা জাহানারাকে মেনে নেয় না। কিছু টাকা পয়সা দিয়ে তাকে-বিদায় করে দিতে চাইলে রায়হানও জাহানারার সাথে বস্তিতেই চলে যায় এবং সেখানেই সুখে সংসার বাঁধে।উদ্দীপকের জাহানারা চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি আলোচনা করো।
- 'বিলাসী' গল্পে কোন মোগল সম্রাটের নাম উল্লেখ আছে?
- ন্যাড়া ও তার সহপাঠীরা দুই ক্রোশ পথ হেঁটে স্কুলে যাওয়ার কারণ কী?
- 'বিলাসী' গল্পটি কার জবানিতে বিবৃত হয়েছে?
- মহামারি কোভিডের সময় বাবুলের বাবার কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বাবুলের লেখাপড়া প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়। এ সময় সহপাঠী রানুর বাবা বাবুলকে গৃহশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। বাবুল যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে। কিন্তু তাদের পারিবারিক শত্রুর কারসাজিতে নিজের আড়ালে কিছু একটা ঘটতে থাকে। কিছুদিনের মধ্যেই সে টের পায়- তার পাড়া- প্রতিবেশী তাকে এড়িয়ে চলছে। সবাই বাবুল এবং রানুকে জড়িয়ে অপপ্রচারে বিশ্বাসী।উদ্দীপকে বর্ণিত সমাজচিত্রকে 'বিলাসী' গল্পের সমাজচিত্রের দর্পণ বলা যায় কি? যুক্তিসহ মত প্রকাশ করো।
- 'পেস্টালোজ্জি' ছিলেন
- পার্বতী সাপুড়ের মেয়ে, সাপ ধরা, শিকড়-তাবিজ বিক্রি করা তাদের পারিবারিক পেশা। পার্বতীর রূপ-গুণে মুগ্ধ হয়ে জমিদার পুত্র চন্দ্রসিং তাকে বিয়ে করে, তাদের সংসার বেশ সুখের হয়। কিন্তু সমাজ চন্দ্রসিংকে মেনে নেয়নি, পার্বতীকেও সাপুড়ে সমাজ জাতিচ্যুত করে। উভয়ে সমাজ ছেড়ে দূরবর্তী সোনাপুর গ্রামে নতুন জীবন শুরু করে।উদ্দীপকে চন্দ্রসিংয়ের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কার সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো।
- ন্যাড়া কোন বঙ্গের অনেক পল্লীতে অনেকদিন ঘুরে গৌরব করবার মতো অনেক বড় বড় ব্যাপার প্রত্যক্ষ করেছে?
- ‘পথের দাবি’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে ?
- শরৎচন্দ্রের 'মহেশ' গল্পে গফুরের প্রিয় গরুটির নাম মহেশ। দরিদ্র গফুর নিরীহ পশুটিকে ঠিকমতো খাবারের জোগান দিতে পারে না। ফসল নষ্ট করার জন্য তাকে জমিদারের শাস্তিও পেতে হয়েছে। একদিন তৃষ্ণার্ত মহেশ পানির জন্য গফুরের মেয়ে আমিনার মাটির পাত্র ভেঙে ফেলে। রাগান্বিত গফুর লাঙলের ফলা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মহেশ মারা যায়। গোহত্যার প্রায়শ্চিত্ত করতে গফুর রাতের আঁধারে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।গফুরের জীবনবাস্তবতার সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন ঘটনার সাদৃশ্য বিদ্যমান?
- শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা কোনটি?
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন, না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গেছে বটে, কিন্তু পণ্যের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে, সেই জন্যই তাড়া।উদ্দীপকের বরের বাপ তোমার পঠিত গল্পের কোন চরিত্রকে ইঙ্গিত করে? আলোচনা করো।
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।"উদ্দীপকের মূলভাব 'বিলাসী' গল্পের আংশিক প্রতিচ্ছবি।"- মূল্যায়ন করো।
- কোনটি শরৎচন্দ্রের উপন্যাস নয়?
- বিলাসী গল্পে ন্যাড়া কোথায় গিয়ে সিদ্ধ হয়ে এসেছে?
- 'একলা যেতে ভয় করবে না তো?'- কে, কাকে এবং কেন এই উক্তিটি করেছিল? বুঝিয়ে লেখো।
- রহিমাকে প্রথম দেখে জমিলা কী ভেবেছিল?