তাপমাত্রা স্থির থাকলে ক??নো পরিবাহীর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ এর মান ঐ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের কি?
RUUnit-Fপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রচল তড়িৎওহমের সূত্র (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
সমানুপাতিক
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
তাপমাত্রা স্থির থাকলে পরিবাহীর তড়িৎ প্রবাহ এবং বিভব পার্থক্য ⚡
🌡️ তাপমাত্রা স্থির থাকলে, কোনো পরিবাহীর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ (I) ঐ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের (V) সমানুপাতিক। এটি ওহমের সূত্র নামে পরিচিত।
ওহমের সূত্র 📜
ওহমের সূত্রানুসারে:
- V ∝ I (যদি তাপমাত্রা স্থির থাকে)
- V = IR (এখানে R হলো পরিবাহীর রোধ)
সমানুপাতিক সম্পর্ক 📈
সমানুপাতিক সম্পর্ক বলতে বোঝায়:
- যদি বিভব পার্থক্য (V) বাড়ে, তাহলে তড়িৎ প্রবাহ (I)-ও বাড়বে। ⬆️
- যদি বিভব পার্থক্য (V) কমে, তাহলে তড়িৎ প্রবাহ (I)-ও কমবে। ⬇️
রোধ (Resistance) 🚧
রোধ হলো পরিবাহীর সেই ধর্ম, যা তড়িৎ প্রবাহে বাধা দেয়। রোধের একক ওহম (Ω)।
রোধের উপর নির্ভরশীল বিষয়সমূহ 🤔
- উপাদান 🧱: পরিবাহীর উপাদান পরিবর্তন হলে রোধ পরিবর্তিত হয়।
- দৈর্ঘ্য 📏: পরিবাহীর দৈর্ঘ্য বাড়লে রোধ বাড়ে।
- প্রস্থচ্ছেদ 📐: পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদ বাড়লে রোধ কমে।
- তাপমাত্রা 🌡️: তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর রোধ সাধারণত বাড়ে।
সূত্রটির গাণিতিক ব্যাখ্যা ➕➖✖️➗
গাণিতিকভাবে, ওহমের সূত্রকে এভাবে লেখা যায়:
I = V/R
এখানে:
- I = তড়িৎ প্রবাহ (অ্যাম্পিয়ারে মাপা হয়) ⚡
- V = বিভব পার্থক্য (ভোল্টে মাপা হয়) 💡
- R = রোধ (ওহমে মাপা হয়) 🚧
একটি উদাহরণ ছকের সাহায্যে 📊
| বিভব পার্থক্য (V) | রোধ (R) | তড়িৎ প্রবাহ (I = V/R) |
|---|---|---|
| 10V | 5Ω | 2A |
| 20V | 5Ω | 4A |
| 30V | 5Ω | 6A |
উপরের ছক থেকে দেখা যাচ্ছে, রোধ স্থির থাকলে বিভব পার্থক্য বাড়ার সাথে সাথে তড়িৎ প্রবাহও বাড়ছে। 🎉
ব্যবহারিক প্রয়োগ 💡
- বর্তনী ডিজাইন ⚙️: ওহমের সূত্র ব্যবহার করে বিভিন্ন বৈদ্যুতিক বর্তনী ডিজাইন করা হয়।
- বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম 🔌: বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের কার্যকারিতা বুঝতে ওহমের সূত্র কাজে লাগে।
- সমস্যা সমাধান ❓: বৈদ্যুতিক বর্তনীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এটি ব্যবহৃত হয়।
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি তোমাদের কাজে লাগবে! 👍
```