লেখিকা শামীমা আখতারের স্বামী ফারুক চৌধুরী ও তাঁর একমাত্র সন্তান বিজয় মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। এরপর শামীমা আখতার স্বাধীনতা যুদ্ধে বাবা-মা হারানো এতিম প্রশান্তকে পুত্রবাৎসল্যে লালনপালন করে বড়ো করে তোলেন। মৃত্যুর আগে শামীমা আখতার তাঁর ১৮টি প্রকাশিত গ্রন্থের স্বত্ব প্রশান্তকে দান করেন। প্রশান্ত তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তানবিজয়ের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।
উদ্দীপকের শামীমা আখতার ও প্রশান্তের স্নেহের সম্পর্কের সাথে 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি ও গোপালের সম্পর্কের তুলনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বিভূতিভূষণ রচিত গ্রন্থ নয় কোনটি?
- গ্রামীণ লোকায়ত জীবনধারা শাস্ত্রীয় কঠোরতা থেকে যে অনেকটা মুক্ত তা কোন গল্পে প্রতীয়মান?
- 'আহ্বান' গল্পে লেখক বুড়িকে প্রথম কোথায় দেখেছিলেন?
- “পরদিন কলকাতা চলে গেলাম।" “আহ্বান’' গল্পভুক্ত এই বাক্যে কার সম্পর্কে বলা হচ্ছে?
- 'বিচলিত স্নেহ' কী অর্থ প্রকাশ করে?
- “গ্রামের ছেলে গ্রামে বাস করবে” – 'আহ্বান' গল্পেরএ বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে গ্রামের প্রতি/উপর—
- কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়?
- সেই বাংলাদেশে ছিল সহস্রের একটি কাহিনিকোরানে-পূরাণে, শিল্পে, পালা-পার্বণে ঢাকে-ঢোলে,আউল-বাউল নাচে; পুণ্যাহের সানাই রঞ্জিতরোদ্দুরে আকাশতলে দেখ কারা হাটে যায়, মাঝিপাল তোলে, তাঁতি বোনে, খড় ছাওয়া ঘরের আগুনেমাঠে ঘাটে-শ্রমসঙ্গী নানা জাতি ধর্মের বসতিচিরদিন বাংলাদেশ-উদ্দীপকের মূলভাব কোন বিচারে 'আহ্বান' গল্পের মূলভাবকে ধারণ করে-তোমার দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করো।
- ‘জড়িমা' শব্দের অর্থ কী?
- "আমার বড্ড কষ্ট, ভাত জোটে না সবদিন" উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার বড্ড কষ্ট, ভাত জোটে না সবদিন'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'আহ্বান' গল্পের গল্পকথকের সহপাঠীর নাম-
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর 'পথের পাঁচালী' উপন্যাস অবলম্বনে চলচিত্র নির্মাণ করেন কে?
- দুই বন্ধু উত্তম চক্রবর্তী ও রতন মুখার্জি অচিন গাঁয়ে এক মরাবৃদ্ধকে দেখতে পেল। উত্তম মৃত মানুষটিকে সৎকারেরউদ্দেশ্যে কাঁধে তুলে নিতেই রতন জাত-পাতের প্রশ্ন তুলেবাদ সাধল। উত্তম বলল, “মরার আবার জাত কী?” উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে প্রকাশিত ভাব-
- মোবারক নিঃসন্তান দরিদ্র কৃষক। সে শীতের কোনো এক সন্ধ্যায় কাজ শেষে ব্যস্তভাবে বাড়ি ফিরছিলো। হঠাৎ বড় আম বাগানের ভিতর থেকে এক শিশুর কান্নার শব্দ তার কানে এলো। সে একটু এগিয়ে দেখলো, এক রুগ্ন শিশু শুকনো পাতার ভিতর নড়ছে। শিশুটিকে মোবারক বাড়ি নিয়ে এলো এবং স্ত্রী ফরিদাকে ডেকে বললো, "এই নাও, আমাদের শূন্য ঘরের আনন্দ।" দুজনে মিলে শিশুটির নাম রাখল রহমত। শিশুটিকে মোবারক ও ফরিদা সন্তান স্নেহে লালন-পালন করতে লাগলো।"উদ্দীপকের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ও 'আহ্বান' গল্পের মূল বক্তব্য একই সূত্রে গাঁথা।"- মূল্যায়ন করো।
- 'আহ্বান' গল্পের নামকরণের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি অধিকগুরুত্ব পেয়েছে?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় পেশায় ছিলেন-
- ‘পুতুলনাচের ইতিকথা' কার লেখা?
- ’দৃষ্টিপ্রদীপ' উপন্যাসের লেখক কে?
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।"উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে অপত্য স্নেহের নিকট সাম্প্রদায়িক চেতনা পরাজিত হয়েছে।"- আলোচনা কর।