মহাকবি বাল্মীকির "রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির ভাষিক রূপ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। রাবণ চরিত্র তাঁর অনন্য সৃষ্টি। রাবণ দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ এক বীর। সহোদর বিভীষণ বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী। বহিঃশক্তি রাম-লক্ষ্মণ তার দোসর। তার দেখানো পথেই লক্ষ্মণ রাবণপুত্র নিরস্ত্র মেঘনাদকে হত্যা করে বিভীষণের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধে রাবণকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় এবং বিজয় সূচিত হয় বহিঃশক্তির।
'বিশ্বাসঘাতকতাই রাবণ ও সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।'-'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটির 'বুড়িঘাট' যুদ্ধের শত্রুপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের কাছাকাছি চলে আসে। সহযোদ্ধাদের অপ্রস্তুতির বিষয়টি টের পেয়ে মুন্সি আবদুর রউফ মেশিনগানের গুলি চালিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে সহযোদ্ধারা প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাক্কালে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ। পরাস্ত হয় শত্রুপক্ষ।উদ্দীপকের বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে যুদ্ধক্ষেত্রে মোহনলালের ভূমিকার তুলনা করো।
- 'সিরাজের পতন কে না চায়?'- উক্তিটি কার?
- সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে কে কত টাকা পাবে বলে দলিল সই হয়?
- 'শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়'- ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কয়টি দৃশ্য রয়েছে?
- খাল কেটে কুমির আনা' ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের কোন চরিত্র বাগ্গারায় উল্লিখিত কুমির চরিত্রের প্রতিভূ?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য অনুসারে রাম-রাবণের যুদ্ধে বিভীষণ স্বপক্ষ-ত্যাগী বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী, অকৃতজ্ঞ ও স্বজনবিমুখ হিসেবে চিহ্নিত। অপরদিকে বীরবাহু, কুম্ভকর্ণ ও মেঘনাদ দেশপ্রেমিক। নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁরা জীবন উৎসর্গকারী। যদিও বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মেঘনাদ যুদ্ধ করার সুযোগ পায়নি। আজও বাঙালি সমাজে প্রবাদ হয়ে আছে-'ঘরের শত্রু বিভীষণ'।উদ্দীপকের বিভীষণের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা করো।
- রহিম গাজীর খুব কাছের লোক ছিল শিহাব উদ্দীন। সে তাকে বিশ্বাস করে তার জমিজমা দেখাশোনার ভার দেয়। কিন্তু একদিন রহিম গাজী দেখে তার সম্পত্তি শিহাব উদ্দীনের নামে হয়ে আছে। সে ভাবল এত দিন সে ভুল মানুষকে বিশ্বাস করেছে। বিশ্বাস করা ভালো, কিন্তু অন্ধবিশ্বাস কখনো কখনো মানুষকে সর্বনাশ করে ফেলে।উদ্দীপকের শিহাব উদ্দীন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? যুক্তিসহ বুঝিয়ে লেখো।
- আবুলে বাবা অনাথ শিব্বিরকে লালন-পালন করে সমাজেপ্রতিষ্ঠিত করেন। সময়ের আবর্তনে বিত্ত-সম্পত্তি নিয়েআবুলের সঙ্গে তার চাচা জাফরের বিরোধ বাধলেজাফর শিব্বিরকে নিজের দলে ভেড়ান। অর্থের লোভেজাফরের নির্দেশে শিব্বির আবুলকে হত্যা করে। উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সমভাবেপ্রকাশিত হয়েছে—
- 'ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করছি কোম্পানির টাকার জন্য।তা বলে বাঙালি কাপুরুষ নয়।'- ওয়ালি খানের এইউক্তিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- ১৯৭১ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ আর লাখো শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পথ চলায় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী ছাড়াও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এদেশীয় রাজাকার শ্রেণি। গণহত্যা, লুট, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ নানা ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডে শামিল হয় তারা। কিন্তু এদেশের স্বাধীনতার জয়যাত্রায় কোনোভাবেই তারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এদেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এদেশে স্বাধীন হয়েছে।উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজাকার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে? ব্যাখ্যা করো।
- উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?
- ‘বিষাদ-সিন্ধু’ কার রচনা?
- কুঠিয়াল ইংরেজগণ গরিব প্রজাদের কেন এবং কীভাবে অত্যাচার করত?
- ‘দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড় ।’- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে এই উক্তি কার?
- ধর্মপথগামী, হে রাক্ষসরাজানুজ, বিখ্যাত জগতেতুমি; কোন ধর্মমতে, কহ দাসে, শুনি,জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি, এ সকল দিলাজলাজালি? শাস্ত্রে বলে, গুণবান যদি পরজন,গুণহীন-স্বজন, তথাপি নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ পরঃপরঃ সদা।উদ্দীপকের জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জতি- এ সকল দিলা জলাঞ্জলি লাইনটিতে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মর্মার্থই প্রতিধ্বনিত হয়েছে- মূল্যায়ন কর।
- হাজী আব্দুল গণি মিয়া তার পিতার উত্তরসূরি হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন পরোপকারী এবং উদার চিত্তের মানুষ। দীন-দুঃখী মানুষকে সাহায্য করাই যেন তাঁর মূল কাজ। তাঁর সহধর্মিণীও ছিলেন একই স্বভাবের। এক রাতে একদল আগন্তুক এসে তাদের কাছে আশ্রয় চান। হাজী আব্দুল গণি মিয়া সরল মনে আগন্তুকদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। মধ্যরাতে সেই আগন্তুকরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে সব ধন-সম্পদ লুট করে নেয়, বাধা দিতে গিয়ে হাজী আব্দুল গণি মিয়া আগন্তুকদের আঘাতে নির্মমভাবে নিহত হন।উদ্দীপকের আগন্তুকদের বিশ্বাসঘাতকতার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাদৃশ্য আছে? আলোচনা কর।
- 'ক্লাইভের গাধা' কে?
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ও দেশের কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ পাকহানাদার বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে দেশের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তাদের একজন সোবহান মুন্সী। মানবতাবিরোধী অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার সাক্ষী দবির বলেন, এই সোবহান মুন্সীই পাকহানাদার বাহিনীকে তাদের গ্রামে আনে এবং সে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে।"উদ্দীপকের সোবহান মুন্সী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মীরজাফর চরিত্র যেন একই সূত্রে গাঁথা।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- 'ভিক্টরি অর ডেথ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?