'লালসালু' উপন্যাসটি কোন গ্ৰামের পটভূমিতে লেখা ?
A. পাহাড়তলী
B. মহব্বতনগর
C. মায়ানগর
D. ওসমানপুর
সঠিক উত্তরঃ
B.
মহব্বতনগর
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ঢেড়া বুড়া কার কথায় বিভ্রান্ত হয়?
- ত্রিপুরা রাজ মন্দিরের পুরোহিত রঘুপতি মিথ্যা ধর্মবোধ ও অন্ধসংস্কারের ধারক। মন্দিরে বলিদান প্রথার বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদের বাণী ধ্বনিত হয় অপর্ণার মধ্যে। তার ছাগ-শিশু বলির বিচার দাবি 'বিসর্জন' নাটকের বিরোধের বীজ। এ বীজ প্রথম বপিত হয় রাজার হৃদয়ে। আর এ বপিত বীজের কারণে রাজার বিরুদ্ধে বিরোধ, জয়সিংহের আত্মবিসর্জন, রঘুপতির প্রতিমা বিসর্জন এবং পরিণতিতে মাতৃরূপে অপর্ণার নিকট রঘুপতির দর্প চূর্ণ হয়।'প্রচলিত প্রথা ও কুসংস্কার কখনো ব্যক্তি ও সমাজের জন্য সহায়ক নয় বরং অন্তরায়' উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- "ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে?"- ব্যাখ্যা করো।
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে অর অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই অকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও তাকে এ প্রস্তাব দেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।উদ্দীপকের মাহাবুবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর চরিত্রের তুলনা করো।
- বেলতলী গ্রামে বেলায়েতের বাস। গ্রামের মানুষ কুসংস্কার আচ্ছন্ন। গ্রামবাসী বিশ্বাস করে 'কাক ডাকলে দুঃখ আসে' পিছন থেকে ডাকলে বিপদ আসে। 'শিয়াল দেখলে অমঙ্গল হয়' ইত্যাদি। বেলায়েত দেখেছে গ্রামের সহজ-সরল মানুষের এই সংস্কার কাজে লাগিয়ে এক পির ব্যবসা করে যাচ্ছে। পিরের কবল থেকে গ্রামের মানুষকে উদ্ধারের জন্য, বিজ্ঞানমনস্ক করার তাগিদে একটি আধুনিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর হয়ে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।উদ্দীপকের চরিত্রের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রাসঙ্গিক চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- 'আপনারা জাহেল, বে-এলেম, আনপাড়হ্।'- উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- খুলনা জেলার চুকনগরে রুথিত পির বাবার নাম আঃ লতিফ। চুকনগর হাইস্কুল রোডের একটি ঘরে তার আস্তানা। প্রতিদিন শত শত ভক্ত ও রোগী পানি, তেল, কলার মোচা পড়াসহ নানা তদবির নিতে আসে পির বাবার সান্নিধ্যে। তার আস্তানায় গিয়ে দেখা যায় টেবিলের উপর পানি, তেল ও দুধের বোতল, কলার মোচা, মাটি মাদুনিসহ নানা তদবিরের সামগ্রী। আর বাইরে অসংখ্যা মহিলাদের লাইন। সবার হাতে পানি ও তেলের বোতল। একেক জনকে একেকভাবে চিকিৎসা করছেন তিনি। তার আস্তানায় ৪টি সাইনবোর্ড আছে। যার একটিতে লেখা শিক্ষাগত যোগ্যতা, একটিতে রোগের চিকিৎসা ফি। সাপে কাটা ফি ৫০০ টাকা, কুকুরে কামড়ানো ফি ২৫০ টাকা, বিড়ালে কামড়ানো ফি ১৫০ টাকা, অর্শরোগী ২০০ টাকা, জিনে ধরা ফি ৩০০ টাকা, প্রয়োজনে বারণ ফি ১০০ টাকা, বাড়ি বন্ধ করা ফি ৩০০ টাকা। বহু রোগী তাদের রোগ নিরাময়ের জন্য হুজুরের দরবারে আসে। আশপাশের অনেকেই যুজুরের পানি পড়াতে সুস্থ হয়ে গেছে এই গুজব শুনে এসেছে তারা।উদ্দীপকের আঃ লতিফ এবং লালসালু' উপন্যাসের মজিদ ভিন্ন প্রেক্ষাপট তৈরি করলেও তাদের উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন'- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- নয়ন গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য একতাবদ্ধ করে। কিন্তু মৌলবি সাহেব এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা ধূলিসাৎ করে দেয়। উদ্দীপকের গণশিক্ষার বিষয়টি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- মজিদ জমিলাকে মাজারে বেঁধে রেখেছিল- মনে খোদার ভীতি জাগানোর জন্যশাস্তি দেওয়ার জন্যতার বিদ্রোহী চেতনাকে বিনাশ করার জন্যনিচের কোনটি সঠিক?
- উম্মত মিয়া অনেক বছর আগেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপান্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও 'কারা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করেছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের ছোটো পুত্রবধূ 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে কীভাবে তুলনীয় বুঝিয়ে লেখো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ যে নামে প্রকাশিত হয় তা হলো-
- সমমনা যুবকদের নিয়ে নিজ গ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা পরিবেশ, ধর্মান্ধতার কুফল ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন করার কাজ করে চলেছে শিক্ষিত যুবক বাজিত। বাজিতের কাজ- কর্মে খুশি নয় গ্রাম্য মাতব্বর চেরাগআলি। গ্রামের মানুষ সচেতন হলে তার প্রভাব ক্ষুণ্ণ হবে- এই তার ভয়। ওরা গান-বাজনা করে, মেয়ে লোকের সাথে আড্ডা দেয় ইত্যাদি অভিযোগ তুলে গোঁড়া সমর্থকদের সাথে নিয়ে সে বাজিতের ক্লাবে আগুন ধরিয়ে দেয়।"উদ্দীপকের বাজিত 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের সাথে কীভাবে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- সুড়ঙ্গ নাটকটি কার লেখা ?
- ডোমপাড়া থেকে কীসের শব্দ ভেসে আসে?
- বহিপীর: ……বিবি সাহেব-তাহেরা: (বাধা দিয়ে উচ্চস্বরে) আমাকে বিবি ডাকবেন না। বিয়েতে আমি মত দিই নাই। আপনার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়নি।বহিপীর: (একটু রেগে) আপনি মত না দিলেও আপনার বাপজান দিয়েছেন। তাহা ছাড়া সাক্ষী সাবুদ সমেত কাবিননামাও হইয়া গিয়াছে। এখন সেকথা বলিলে চলবেকেন। (সুর বদলিয়ে) দেখুন মন দিয়া আমার কথা শুনুন।তাহেরা: (আবার বাধা দিয়ে) আমি আপনার কোনো কথা শুনতে চাই না। আমার বাপজান আর সৎমা আপনাকে খুশি করার জন্য আপনার সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন। আমি যেন কোরবানির বকরি। আপনি পুলিশে খবর দিতে পারেন, আপনি আমার বাপজানকে ডেকে পাঠাতে পারেন, আমার ওপর জুলুম করতে পারেন। কিন্তু আমি আপনার সঙ্গে যাব না।উদ্দীপকটিতে 'লালসালু' উপন্যাসের একটি খন্ডাংশের ইঙ্গিত রয়েছে- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারী শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্যবিবাহ নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছেলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এছাড়া সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।"উদ্দীপকের মনির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারলেও 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস সফল হয়নি।" আলোচনা করো।
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।উদ্দীপকের আরিফ মিয়ার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যেরস্থান কোথায়?
- খোকনের দুই বউয়ের মধ্যে ছোট বেনু। সংসার কী তাসে বোঝে না। সুযোগ পেলে সমবয়সি বান্ধবীদের সাথেগল্প করে। হেসে-খেলে দিন কাটে তার। উদ্দীপকের বেনু 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের অনুরূপ?
- করিমন বাতের ব্যথায় জর্জরিত । ছোটো ছেলে কাদেরকেপাশের গ্রামের পিরের কাছে পাঠায় পানিপড়া আনতে ।লোক-বিশ্বাস কার্মেল পিরের পানি পড়ায় সর্বরোগেরঅবসান ঘটে.উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি ফুটেউঠেছে?কুসংস্কার অন্ধবিশ্বাস পিরভক্তি নিচের কোনটি সঠিক?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- এমবিবিএস পাশ করে রাগিব গ্রামে ফিরে আসে-সেখানে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতেই গ্রাম্য কবিরাজ ফাহাদ খেপে ওঠে এবং ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে থাকে। গ্রামের মাতব্বর নওয়াজকে অর্থ দিয়ে হাত করে নেয় সে; রাগিবের প্রথম প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়। কিন্তু থেমে যায়নি রাগিব। শহরে গিয়ে ওপর মহলে তদবির করে সে সরকারি অনুমোদন ও অনুদান সংগ্রহ করে এবং গ্রামে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেই ছাড়ে।'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস ও উদ্দীপকের রাগিবের মধ্যে বৈসাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো
- রসুলপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের দুরন্ত মেয়ে নাসরিন। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটোছুটি করা, অবাধ সাঁতার কাটা তার আনন্দের কাজ। নাসরিনের বিয়ে হয় পাশের গ্রামের, মাতব্বরের সাথে। গ্রামের সকলেই তাঁকে মানলেও নাসরিন তাঁকে মানে না।"নাসরিন 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।"- ব্যাখ্যা করো।
- খালেক ব্যাপারী কে?
- দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর তাজু গ্রামে ফিরে বড় রাস্তারতেঁতুল গাছটির নিচে আস্তানা গড়ে তোলে। তার মাথায় জটলাল লাল চোখ। সে নিজেকে অলৌ???িক পুরুষ বলে পরিচয়দেয়। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মূর্খ লোকেরা তার কাছে চিকিৎসা নেয়।অল্পদিনের মধ্যে সম্পদে আর প্রভাবে তাজু ফুলে-ফেঁপেওঠে। তার কাজে সহায়ক হয় প্রভাবশালী গ্রাম্য তরুণ জুলফিকার।তার ভয়ে তাজুর ভণ্ডামির প্রতিবাদ কেউ করে না। 'লালসালু'র মজিদ চরিত্রের যে দিকটি তাজু চরিত্রেস্পষ্ট নয়, তাহলো-
- মজিদ কাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল?
- 'নাফরমানি করিও না। খোদার উপর তোয়াক্কল রাখ" – উক্তিটি কার?
- প্রবাসী বিত্তবান তরুণ সজল গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও পণ্যপরিবহনের সুবিধার্থে নদীতে ব্রিজ নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষেরসাথে যোগাযোগ শুরু করলে নদীর ঘাটের ইজারাদার সজলকেনানাভাবে হেনস্থা করে।উদ্দীপকের সজল 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রকেস্মরণ করায়?
- 'কলমা জানো মিঞা?' মজিদ কাকে এ প্রশ্ন করেছে?
- 'হুড়কা' শব্দের অর্থ কী?
- মজিদের আধ্যাত্মিক শক্তির ব্যাপারে অবিশ্বাস পোষণকারী চরিত্রের নাম-
- মকবুল তিন বিয়ে করেছে। তিন বউই বেঁচে আছে ওর। সবার ছোটো টুনি। গায়ের রং কালো। ছিপছিপে দেহ। আয়ত চোখ। বয়স তার তেরো-চৌদ্দের মাঝামাঝি। সংসার কাকে বলে সে বুঝে না। সমবয়সি কারও সঙ্গে দেখা হলে সবকিছু ভুলে গিয়ে মনের সুখে গল্প জুড়ে দেয়। আর হাসে। হাসাতে হাসাতে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয় টুনি।উদ্দীপকের টুনির সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রটির সাদৃশ্য কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- মেহের আলী রসুলপুর গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলে তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে, মেহের আলী সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত সোলায়মান আলীকে। তার ওপর মেহের আলীর অগাধ বিশ্বাস। তাই সোলায়মান আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন মেহের আলী তা বাস্তবায়ন করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন সোলায়মান আলী মেহের আলীকে বললেন, 'মেহের, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় মেহের আলী।উদ্দীপকের মেহের আলী 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতীক বহন করে? যুক্তিসহকারে আলোচনা করো।
- 'লক্ষ্মীপুর গ্রামে নাকি এক সন্ন্যাসীর আগমন ঘটেছে। এইসন্ন্যাসী নাকি চোখের পলকে অন্য গ্রামে যেতে পারে,বাতাসের গতি থামাতে পারে।'উদ্দীপকের সন্ন্যাসী 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রকে মনে করে দেয়?
- লালসালু উপন্যাসে কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
- মোহনপুরের যখন নিপাহ ভাইরাস দেখা দিল, তখন গ্রামবাসী। আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজছিল। এমন সময় তোতা কবিরাজ গ্রামটিকে রক্ষা করার জন্য সচেষ্ট হন। তিনি চিনি পড়া, পানি পড়া দিয়ে চিকিৎসা দেন এবং অনেক টাকাপয়সা হাতিয়ে নেন। কিছুদিন পর নিপাহ ভাইরাস বিদায় নেয়। অবশ্য ইতিমধ্যে অনেক মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়। তবুও গ্রামের মানুষ তোতা কবিরাজের অলৌকিক ক্ষমতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে অর্থ-সম্পদ উপহার দেয় এবং ভয়ও করে।উদ্দীপকের তোতা কবিরাজের সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- রহিম উদ্দীন মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অনেক টাকা উপার্জন করেন। এলাকায় তাঁর দানে রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু তাঁর মনে সুখ নেই। তিনি নিঃসন্তান। অনেকেই তাঁকে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি।উদ্দীপকে প্রতিফলিত ইতিবাচক জীব-চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে হাসপাতালের অবস্থান কোন শহরে?
- কী মিয়া? তোনার দিলে কি ময়লা আছে? এখানে ময়লা বলতে কী বুঝানো হয়েছে?