আঠারো বছর বয়স কবিতায় 'আঠারো' শব্দটি ব্যাবহৃত হয়েছে?
A. নয়বার
B. সাতবার
C. পাঁচবার
D. দশবার
সঠিক উত্তরঃ
A.
নয়বার
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ‘এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে'–এ পঙক্তি দ্বারাকী বোঝানো হয়েছে?
- আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- করোনা মহামারিতে মানুষ যখন খুব ভীত ও আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাপন করছিল বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিশা তখন ভয়ভীতি ত্যাগ করে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা আক্রান্ত মানুষের বাড়িতে ওষুধ ও খাবার নিয়ে গেছে দিন রাত। তিশাকে অনেকেই এসব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিলেও তিশার কাছে মনে হয়েছে তারুণ্যই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। আর এ জন্যই সে সমস্ত সমালোচনা অগ্রাহ্য করে মানবতার সেবায় অংশগ্রহণ করেছে সানন্দে।"উদ্দীপকের তিশার কাজ ও মনোভাব 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব কে বহন করে মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- “আঠারো বছর বয়স' কবিতা অনুসারে আঠারোবছর বয়স কী জানে না?
- আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির প্রত্যাশা কী?
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'- সপ্রসঙ্গ পঙ্ক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্য গ্রন্থ কোনটি?
- 'সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে'-এখানে তরুণদের কোন বিশেষ দিকটির প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? বুঝিয়ে বলো।
- বহুতল ভবন দয়াল টাওয়ারে আগুন লাগার পর কালো ধোঁয়ায় চারদিকে ছেয়ে যায়। উৎসুক মানুষের ভিড়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সগুলো ঠিকমতো চলাচল করতে পারছিল না। ঠিক তখনই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। হাতে হাত ধরে যান চলাচল ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছিল তারা।উদ্দীপকে বর্ণিত শিক্ষার্থীদের চরিত্রে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত কোন বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' বিপদের মুখে কী?
- রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাবে। পরিবারের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে।উদ্দীপকের রফিকের মধ্যে আঠারো বছর বয়সের কোন দিকটি স্পষ্ট? ব্যাখ্যা করো।
- 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- উড়ছে, উড়ছে অবিরামআমাদের হৃদয়ের রৌদ্র ঝলসিত প্রতিধ্বনিময় মাঠেআমাদের চৈতন্যের মোর্চায়।…………….…………….…………….……………আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার চেতনাগত সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- 'আপদ আছে, জানি আঘাত আছেতাই জেনে তো বক্ষে পরান নাচে।' উদ্দীপকটির ভাবার্থ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতারসাথে কোন অর্থে অভিন্ন?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- "হনন করার ইচ্ছা, "এক কথায় কি বলে?
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন রবিন স্বৈরাচারী শাসকের নিপীড়ন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে জীবন যেতে পারে জেনেও সুন্দর আগামীর ভবিষ্যতে এগিয়ে যায়.।রবিন ও কবির প্রত্যাশা যেন-কল্যাণমূলকঅনুকূলপ্রাতিস্বিক নিচের কোনটি সঠিক?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যু হয়েছিল কত বছর বয়সে?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় এ বয়সে প্রাণ তীব্র আরপ্রখর।' বলতে বোঝানো হয়েছে—
- রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাবে। পরিবারের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে।'তরুণ মানেই দেশমাতৃকার দুঃসময়ের শক্তি।'- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও কবিতার আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে'- কীসের আঘাত আঠারো বছর বয়সিদের জীবনে ঘন ঘন আসে?
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।উদ্দীপকের 'আমরা করি ভুল' পংক্তির সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বিষয়ের সঙ্গতি রয়েছে? বর্ণনা কর।
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।''তারুণ্য শক্তিই পারে আগামী জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে।'- উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ, ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচারক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করেপুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা।আয় দুরন্ত, আয়রে আমার কাঁচা।'আঠারো বছর বয়স" কবিতায় এবং উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে- এ বিষয়ে তোমার যৌক্তিক মতামত দাও।
- আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় 'সঁপে আত্মাকে শপথেরকোলাহলে।'— বলতে কী বোঝায়?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো বছর আসুক নেমে' কবি এ চরণ কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- করোনা মহামারিতে মানুষ যখন খুব ভীত ও আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাপন করছিল বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিশা তখন ভয়ভীতি ত্যাগ করে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা আক্রান্ত মানুষের বাড়িতে ওষুধ ও খাবার নিয়ে গেছে দিন রাত। তিশাকে অনেকেই এসব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিলেও তিশার কাছে মনে হয়েছে তারুণ্যই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। আর এ জন্যই সে সমস্ত সমালোচনা অগ্রাহ্য করে মানবতার সেবায় অংশগ্রহণ করেছে সানন্দে।উদ্দীপকের তিশার সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- এক সময়ে শহরের পাড়ায় পাড়ায় ছিল মাঠ। খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে কেটে যেত পলাশ ও কাজলের শৈশব কৈশোরের দূরন্ত দিনগুলো। লেখাপড়ার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের সুযোগ ছিল বরে তারা অসৎ সঙ্গে পড়ে বিপথে, যাননি। আজ বৃদ্ধ বয়সেও তাদের বন্ধুত্ব অটুট। একসঙ্গে প্রাতভ্রমণের সময়ে বিশ্রাম নেওয়া এবং খবরের কাগজ পড়া তাদের নিত্যদিনের অভ্যাস। একদিন 'খবরের একটি শিরোনামে দুজনারই চোখ আটকে যায়- 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ নগরবাসী।'উদ্দীপকের 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডব'- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি নির্দেশ করে? বর্ণনা করো।
- ‘আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তরুণেরা শপথেরকোলাহলে কী সঁপে দেয়?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য আমৃত্যু কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- আঠারো বছর বয়সে কি উঁকি দেয়?
- কত বছর বয়সে কবি সুকান্তের মৃত্যু হয়েছিল?
- আঠারো বছর বয়সে কবি কী শুনতে পেয়েছেন?