ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয় কত সালে?
A. ১৮০০ সালে
B. ১৮০১ সালে
C. ১৮১৭ সালে
D. ১৮৩১ সালে
সঠিক উত্তরঃ
B.
১৮০১ সালে
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- গাছের একটি শসা চুরির অপরাধে দরিদ্র বালক ফজলকে নির্দয়ভাবে প্রহার করেন ধনী গৃহস্থ কোবাদ আলী। বালকটি আর্তনাদ করে বলে আর সে কখনো কিছু চুরি করবে না। ঘটনাটি দেখে মনু মাস্টারের প্রাণ কেঁদে ওঠে। দরিদ্র বালক ক্ষুধার জ্বালায় চুরি করেছে। নগণ্য একটি অপরাধে এমন অমানবিক শান্তি। অথচ অন্যায়ভাবে কত মানুষের জমি দখল করে ধনী হয়েছেন কোবাদ আলী। মন খারাপ হলেও চোরের পক্ষ নিয়ে কথা বলার অবকাশ পান না মনু মাস্টার।উদ্দীপকের ফজল চরিত্রের সাথে 'বিড়াল' রচনার বিড়াল চরিত্রের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- 'মুগ্ধ মরণ বাঁকে বাঁকে'- বুঝিয়ে লেখো।
- 'সেই অস্ত্র' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- "কী সহজে হয়ে গেল বলা, কাঁপলো না গলা এতটুকু ," -কোন কথা বলা হল?
- "তরুতলে বসে পান্থ শ্রান্তি করে দূরফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুর।বিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়,তবু তবু অকাতর, কিছু নাহি কয়।দুর্লভ মানব জন্ম পেয়েছো যখনতরুর আদর্শ কর জীবনে গ্রহণপরার্থে আপন সুখ দিয়ে বিসর্জনতুমিও হওগো ধন্য তরুর মতন।"উদ্দীপকের সঙ্গে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধটি কীভাবে সামঞ্জসপূর্ণ?
- পরিশীলিত বাগবৈদগ্ধময় রম্য রচনায় সিদ্ধ হস্ত কে?
- রুপসী বাংলার কবি-
- কবির অগোচরে কী রয়ে গেছে? বুঝিয়ে লেখো।
- ‘রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের কোন অর্থে নামকরণ হয়েছে?
- "যেভাবে বেড়ে উঠি"- এটা কার লেখা?
- বঙ্গভাষা' কবিতায় কবির বক্তব্য -
- ‘জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি’ সহ্য করতে পারতেন না-
- “বিড়াল' রচনায় “তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্যজাতির”-
- 'সংশপ্তক' গ্রন্থের লেখক কে?
- 'যৌবনের গান' -এ যাঁর উল্লেখ নেই
- চোরকে ফাঁসি দেওয়ার পূর্বে বিচারককে কয়দিন উপবাস থাকতে বলেছে বিড়াল?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।
- “দুর্দিনের দিনলিপি” স্মৃতিগ্রন্থটি কার লেখা?
- কখনো উপন্যাস লেখেননি-
- ‘বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কয়টি নদীর কথা বলা হয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথের 'হৈমন্তী' গল্পে প্রাধান্য পেয়েছে -
- 'মানবিক বাগান' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- "সমাজের ধনবৃদ্ধি অর্থ ধনীর ধনবৃদ্ধি।"- উক্তিটি সপ্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করো।
- 'বিড়াল' রচনায় বিড়ালের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবেনিচের কোনটি প্রযোজ্য?
- প্রাচীনকালে কোনো এক রাজ্যে নাকি মানুষ গাছপালা কেটে উজাড় করে দিত। রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা মানুষের এ ধরনের অবিবেচনা-প্রসূত নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে উদবিগ্ন হয়ে পড়েন। সবুজ নিধনের এই ভয়ংকর বাজে অভ্যাস বন্ধে তখন দেশে এক কঠোর আইন প্রণীত হয়। এ আইনে ব্যক্তিগত গাছসহ যেকোনো ধরনের গাছপালা কাটার ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। বর্তমান সময়ে পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সবুজ বৃক্ষরাজি সংরক্ষণের আন্দোলন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু, মানুষের গাছপালা নিধনের প্রবণতা এখনো রয়েই গেছে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'সেই অস্ত্র' কবিতার কোন প্রসঙ্গটির সাদৃশ্য রয়েছে এবং কীভাবে?
- কোন্ ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সমসাময়িক ছিলেন?
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।উদ্দীপকের 'কীত্তনখোলা' নাটকের চরিত্রগুলো 'ঐকতান' কবিতার কোন চরিত্রগুলো কী প্রসঙ্গে তুলনীয়?
- হোসেন মিয়ার বাড়ি কোন অঞ্চলে ?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের স্রষ্টার উপভোগ্য কী?
- 'মেঘ' শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে কোনটি সমর্থনযোগ্য।
- সমস্ত নদীর অশ্রু অবশেষে কোথায় মেশে ?
- পদ্মা নদীর মাঝি'র কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনটি ?
- 'মসজিদ এই, মন্দির এই, গির্জা এই হৃদয়' -কোন কবিতার চরণ?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতাটি কোন ছন্দেরচিত?
- তোমার যেখানে সাধ চলে যাও — আমি এই বাংলার পরেরয়ে যাব; দেখিব কাঁঠাল পাতা; ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;দেখিব খয়েরি ডানা শালিকের সন্ধ্যায় হিম হয়ে আসে ধবলরোমের নিচে তাহার হলুদ ঠ্যাং ঘাসে অন্ধকারে নেচেচলে......... উদ্দীপকের ১ম চরণের সাথে নিচের কোন পঙক্তিটিরভাবার্থের অধিকতর সাদৃশ্য রয়েছে?
- কোন সম্পর্কটি ঠিক?
- "নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিত্য-চন্ডালপ্রভু, ক্রীতদাস!সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;সমগ্রে প্রকাশ!নমি কৃষি-তন্তজীবী, স্থপতি, তক্ষক,কর্ম চর্মকার! কতরাজ্য কত রাজ গড়িছ নীরবেহে পূজ্য, হে প্রিয়!একত্বে বরেণ্য তুমি, শরণ্য এককে-আত্মার আত্মীয়।"উদ্দীপকের শেষ পংক্তি দুটি 'ঐকতান' কবিতার মূলসুরকে ধ্বনিত করে তোলে- বিশ্লেষণ করো।
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
- বাঘ-ময়ুর-সিংহ ও সাপের কথা উল্লেখ আছে কোন কবিতায়?