কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস?
A. রিক্তের বেদন
B. সর্বহারা
C. আলেয়া
D. কুহেলিকা
সঠিক উত্তরঃ
D.
কুহেলিকা
Explanation: কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুহেলিকা’ উপন্যাসটি ১৯৩১ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে। উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর বিপ্লবী স্বদেশি দলের সাথে যুক্ত। নারী চরিত্রগুলোর মধ্যে তাহমিনা, চম্পা, ফিরদৌস বেগম উল্লেখযোগ্য। নারী সম্পর্কে এই উপন্যাসের একটি বিখ্যাত উক্তি- “ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে।” ‘বাঁধন-হারা’ ও ‘মৃত্যুক্ষুধা’ তার রচিত অন্য দুটি উপন্যাস। ‘বাঁধন-হারা’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস। ‘রিক্তের বেদন’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্পগ্রন্হ, ‘আলেয়া’ নাটক এবং ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্হ।
Related Questions (Any University/Year)
- 'ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।' -কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোন লেখক মহাকাব্য রচনা করেননি?
- শিক্ষার লক্ষ্য হচ্ছে জ্ঞানচর্চা ও মনুষ্যত্বের বিকাশ সাধন। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষার লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার আগ্রহ কম। আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য তারা নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলে না। তাই আত্ম প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের খুঁটির জোরের আশ্রয় নিতে হয়। ফলে জ্ঞানার্জনের আনন্দ থেকে তারা দূরে সরে পড়ে। এভাবে তারা নিজেদের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে। পরিণতিতে তাদের মধ্যে জন্ম নেয় হতাশা ও পরনির্ভরশীলতা।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মিলসমূহ চিহ্নিত কর।
- কাজী নজরুল ইসলাম সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন কত সালে ?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান।সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপন-মাঝে শক্তি ধরো, নিজের করো জয়-দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জেনো।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের বিষয়গত বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- আশফাক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজসচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজে বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছেন, যারা ছাত্র অবস্থায় তাঁর সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এর পরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা তাঁর সমালোচনা করে। এসব শুনে আশফাক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'উদ্দীপকের আশফাক সাহেব 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- “রাজবন্দীর জবানবন্দী" নজরুল ইসলামের কী ধরনের রচনা?
- বুদ্ধদেব বলেন, ‘সত্য কখনো নিষ্ঠুর, তবে সর্বক্ষেত্রেজয়ী।' উদ্দীপকে তুলে ধরা হয়েছে 'আমার পথ' প্রবন্ধেপ্রকাশিত— ধারণা ।
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে’ - উদ্ধৃতিটি যে রচনার অন্তর্গত-
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস নয় -
- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে নিজের বিশ্বাস আর সত্যকে প্রকাশ করতে না জানলে কী তৈরি হয়?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
- প্রাবন্ধিক নিজেকে 'অভিশাপ-রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- 'একেই বলে সবচেয়ে বড় দাসত্ব।'- ব্যাখ্যা করো।
- আত্মাকে চিনলে কী আসে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে আমার পথ আমাকে কী দেখাবে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে নজরুলের মতে পরাবলম্বনআমাদের কী করে তুলেছে?নিষ্ক্রিয়বিনাসীদাসনিচের কোনটি সঠিক?
- কোন গুচ্ছটি সঠিক?
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
- লেখক নিজ সত্যকে সালাম জানিয়েছেন কেন?
- আত্মপরিচয়ের শিখা কীসে নিভে যায়?
- 'মানসিক উন্নতি করিতে হইলে হিন্দুকে হিন্দুত্ব বা খ্রিস্টানকে খ্রিস্টানি ছাড়িতে হইবে, এমন কোন কথা নাই। আপন আপন সম্প্রদায়ের পার্থক্য রক্ষা করিয়া ও মনটাকে স্বাধীনতা দেওয়া যায়।’ উক্তিটি কার?
- কত বছর বয়সে কাজী নজরুল ইসলাম বাক্ শক্তি হারিয়ে ফেলেন?
- 'আত্মাকে চিনতেই আত্মনির্ভরতা আসে'- বুঝিয়ে লেখ।
- ‘গৃহদাহ’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম কী?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাকে লেখক সালাম জানিয়েছেন?
- 'কুর্নিশ' শব্দের অর্থ কী?
- নিচের কোনটি কাজী নজরুলের প্রবন্ধ?
- যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে সে কখনো অন্য ধর্মকেকী করতে পারে না?
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ সাহিত্যের বৈশিষ্ট্যহলো-সংস্কার চেতনাজাতপ্রতিবাদীমনস্কআত্মঅহমিকায় উজ্জ্বলনিচের কোনটি সঠিক?
- আগুনের ঝান্ডা দুলিয়ে লেখক কেন পথে বের হলেন?
- আমি জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অন্তরে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছি। কত রাত্রি অনুশোচনায় ঘুম হয় নাই। এখন ভুল বুঝতে পেরেছি। এখন সোজা এই বুঝেছি যে, আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব, বলে বেড়াব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোট হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মনির্যাতন ভোগ করব না।উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধটির আংশিক দিক প্রতিফলিত হয়েছে- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- শ্রমিক নেতা রহমান সাহেব একজন প্রতিবাদী ব্যক্তি। শ্রমিকদের স্বার্থ আদায়ে তিনি বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। সত্য কথা বলতে তিনি কখনো পিছপা হন না। তার এই স্পষ্টবাদিতার কারণে মালিকপক্ষের কাছে তিনি চক্ষুশূল। জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যপথ থেকে বিচ্যুত হননি। তাই শ্রমিক সমাজের মাঝে তিনি বেশ আস্থাভাজন মানুষ হিসেবে পরিচিত।উদ্দীপকে সত্যের যে চিত্র ফুটে উঠেছে তা 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা করো।।
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কী ফুটে উঠেছে?
- নজরুলের সাম্যবাদী কবিতার ’গাহি সাম্যের গান’ চরনটির পরবর্তী চরণ হচ্ছে-
- ‘আগুনের সম্মার্জনা’ বলতে কাজী নজরুল ইসলাম কী বুঝিয়েছেন?
- 'যার নিজের ধর্ম বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে জানে না'- কোন রচনায় সন্নিবেশিত হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম কতসালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সৈনিক হিসেবে যোগ দেন?
- 'কুর্নিশ' শব্দের অর্থ কী?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'গান্ধীজি আছেন' কথাটির। মর্মার্থ কী?