মজিদকে প্রথম বার দেখে জমিলা কী ভেবেছিল?
A. বর
B. ঘটক
C. শ্বশুর
D. মৌলভি
সঠিক উত্তরঃ
C.
শ্বশুর
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- সালামতপুর গ্রামের বেশির ভাগ মানুষই নিরক্ষর, কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও ধর্মান্ধ। গ্রামে বাস করে এক শিক্ষিত যুবক নাম তার কামাল।। সে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ ডিগ্রি লাভ করে গ্রামে ফিরে এসেছে গ্রামের উন্নয়ন করার জন্য। গ্রামের মানুষকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে গ্রামে সে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সে উদ্দেশ্যে গ্রামের লোকজনকে ডেকে সভা আহ্বান করলে গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি বাদল মাতব্বর কামালের স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে মক্তব গড়ার পক্ষে মতামত দেন। কামাল এর প্রতিবাদ করলে কামালকে বাদল মাতব্বর তার সাঙ্গোপাঙ্গদের সহযোগিতায় সুকৌশলে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য করেন।উদ্দীপকের কামালের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা নিজের ভাষায় বর্ণনা করো।
- আরিফার বাবা মারা যাওয়ার পরে মায়ের স্নেহে চরম দারিদ্র্য সে লালিত-পালিত হয়। মা নিতান্তই বাধ্য হয়ে মধ্য বয়সি একজন লোকের সাথে আরিফার বিয়ে দেয়। স্বামীর বাড়িতে আরিফা গিয়ে দেখে তার স্বামী মহশিনের আরেকজন স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে। আরিফাকে কেন্দ্র করে সংসারে নতুন অশান্তি তৈরি হয়। বড়ো বউ কথায় কথায় আরিফার গায়ে হাত তোলে এবং সংসারের যাবতীয় কাজ তাকে দ্বারা করিয়ে নেয়। উপরন্তু বড়ো বউ আরিফার বিষয়ে স্বামীর কান ভারী করে। ফলে তার উপরে নেমে আসে অমানসিক নির্যাতন। আবার আরিফার স্বামী মহশিন চোরা কারবারির সাথে যুক্ত আছে, যে বিষয়টি আরিফা পুলিশকে জানিয়ে দেয়।উদ্দীপকে বর্ণিত বড়ো বউ এর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত রহিমা চরিত্রের তুলনা করো।
- 'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ।'- বুঝিয়ে লেখো।
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের টুনি বুড়ো মকবুলের তৃতীয় পক্ষ। গায়ের রং কলো। দোহারা গড়ন। আয়তচোখের এই মেয়েটির বয়স তেরো-চৌদ্দর মাঝামাঝি। কিশোরীর চঞ্চলতা এখনো তার মধ্যে বিরাজমান। তাই ঘর সংসার কাকে বলে সে বুঝে ওঠেনি। সমবয়সি কারোর সঙ্গে দেখা হলে সে গল্পে মেতে ওঠে। কখনো হাসতে হাসতে মেঝেতে গড়াগড়ি খায়। কখনো অন্ধকার রাতে পরের পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলে। কখনো শীতের হাড়কাঁপুনি রাতে টুনি অন্যের খেজুর গাছে শিরনি বাঁধার জন্য হাঁড়ি নিয়ে গাছে ওঠে। উদ্দীপকের টুনি ও 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রের মাধ্যমে সমাজের কোন সমস্যার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?
- 'বেচাইন' শব্দের অর্থ কী?
- কাজীপুর গ্রাম থেকে শহর অনেকটা দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি উদার হাতে এ অঞ্চলের মানুষকে শস্যে ও সম্পদে সুখী রেখেছে। এ অঞ্চলের মানুষের দিন কাটে ফসলের ক্ষেতে, গৃহস্থালি কাজে, হাসি-উৎসবে ও প্রচলিত বিশ্বাসে। এ গ্রামের মাতব্বর ফরমান আলীর বাড়িতে এক পড়ন্ত বিকেলে মতলব মিয়া নামে অচেনা এক দরবেশের আগমন। দুর্গম পথ পার হয়ে আসা মতলব মিয়ার চোখে-মুখে-আশঙ্কা, উদ্বেগ ও স্বপ্নের বিচিত্র আভাস। সবার সামনে সে নিজেকে পীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে নানা রকম অলৌকিক কর্মকান্ডের গল্প বলতে শুরু করে।উদ্দীপকের মতলব মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ আত্মপরিচয়দানে ও আত্মপ্রকাশে কতটা অভিন্ন? মূল্যায়ন করো।
- 'কেবল ধীরে ধীরে কাঠের মতো শক্ত হয়ে ওঠে তার মুখটা'- কার মুখ শক্ত হয়ে, ওঠে কেন?
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে । কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া 'ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।'উদ্দীপকে প্রতিফলিত সমাজচিত্রে 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন ঘটেনি।'-আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে কে হাঁপানি রোগে আক্রান্ত?
- মজিদ চরিত্রটি কিসের প্রতিভু
- 'দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা'- কথাটি কখন এবং কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে?
- পীর সাহেব নারীদের প্রতি আসক্ত হওয়ার কারণে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পর্দার আড়ালে নানা কথা বলেন। মুরিদের সুন্দরী বউকে তালাক দিতে বাধ্য করে তার মনোবাসনা পূরণ করেন।উদ্দীপকের পীর সাহেবের সঙ্গে মজিদের সাদৃশ্যের কারণ-
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র জন্মমৃত্যু সাল কোনটি?
- ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরের পিরের কাছে পানিপড়াআনতে পাঠিয়েছিল কে?
- শীতের ফসল ওঠার মওসুমে গ্রামীণ কৃষিজীবী মানুষের হাতে নগদ অর্থ থাকে। এ সময় গ্রামীণ জনপদে পীরদের আনাগোনা শুরু হয়। মুরিদুরা অবশ্য তাদের বিমুখ করে না। পীরদের খাওয়াদাওয়া ও নগদ সম্মানীর পিছনে দুহাত ভরে খরচ করে মুরিদেরা। পীররাও এসময় সারা দেশে সফর করে আয় রোজগারে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করে।উদ্দীপকে বর্ণিত পীরদের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত কোন পীরের সাদৃশ্য আছে বর্ণনা করো।
- জনাব নুরুল ইসলাম একজন শিল্পপতি। দীর্ঘকাল পর তিনি নিজ গ্রামে এসে দেখেন, এখানকার মানুষ এখনও দুঃখদুর্দশা আর অভাব-অনটনে জর্জরিত। তাই তিনি মনিস্থর করেন যে, গ্রামে একটি ফ্যাক্টরি স্থাপন করবেন। এতে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু গ্রামের চেয়ারম্যান তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, বেকার লোকেরা কর্মজীবী হয়ে গেলে তাদেরকে আর মিটিং-মিছিলে ব্যবহার করা যাবে না।'উদ্দেশ্যগত মিলই উদ্দীপকের চেয়ারম্যান ও উপন্যাসের মজিদ চরিত্র দুটোকে পরস্পরের প্রতিনিধি করে তুলেছে' মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ করো।
- পলাশপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে ফয়সাল। শহর থেকে এম এ পাস করে নিজ গ্রামে ফিরে এসেছে। তার বড় ইচ্ছা এলাকার উন্নয়ন করা, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলা। সে প্রত্যাশায় ফয়সাল তার গ্রামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে সহযোগিতার পরিবর্তে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ক্ষুণ্ণ হবে ভেবে মাতব্বর রজত মিয়া ও তার লোকেরা ফয়সালকে অপমানিত করে গ্রামছা???া করে। মূর্খ গ্রামবাসী আর স্বার্থবাদী মানুষের কাছে সত্যের অপমৃত্যু ঘটে।'মূর্খ গ্রামবাসী আর স্বার্থবাদী মানুষের কাছে সত্যের অপমৃত্যু ঘটে”- উক্তিটি 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বিচার করো।
- দোগাছা গ্রামের সুশিক্ষিত ও স্বশিক্ষিত রিপন ঢাকা থেকে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেছে। সে নিরক্ষর মানুষকে সাক্ষর করতে গ্রামে একটি নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। এ কল্যাণমূলক কাজে সমাজপতি জব্বার বাধা দেয়। গ্রামের মৌলবি, সমাজপতি ও মূর্খ গ্রামবাসীর কাছ রিপণের মহৎ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।উদ্দীপকের রিপন 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- লালসালু উপন্যাসের শেষ বাক্যটি হলো-
- 'আপনারা জাহেল, বে-এলেম, আনপাড়হ্'-এই উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- এ পৃথিবীর মৎস্য-মাংসে আমাদের কিছু অধিকার আছে। খাইতে দাও- নহিলে চুরি করিব। আমাদের কৃষ্ণ চর্ম, শুষ্ক মুখ, ক্ষীণ সকরুণ মেও মেও শুনিয়া তোমাদিগের কি দুঃখ হয় না? চোরের দন্ড আছে, নির্দয়তার কি দণ্ড নাই? দরিদ্রের আহার সংগ্রহের দণ্ড আছে, ধনীর কার্পণ্যের দণ্ড নাই কেন? তুমি কমলাকান্ত, দূরদর্শী, কেন না আফিংখোর, তুমিও কি দেখিতে পাও না যে, ধনীর দোষেই দরিদ্র চোর হয়? পাঁচশত দরিদ্রকে বঞ্চিত করিয়া একজনে পাঁচ শত লোকের আহার্য সংগ্রহ করিবে কেন? যদি করিল, তবে সে আহার খাইয়া যাহা বাচিয়া পড়ে, তাহা দরিদ্রকে দিবে না কেন? যদি না দেয়, তবে দরিদ্র অবশ্য তাহার নিকট হইতে চুরি করিবে; কেননা, অনাহারে মরিয়া যাইবার জন্য এ পৃথিবীতে কেই আসে নাই।"সমাজের ভণ্ডামি ও কুসংস্কার দূর করতে 'লালসালু' পাঠ যৌক্তিকতার দাবি রাখে।"- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- "পাথর এবার হঠাৎ নড়ে"- লালসালু উপন্যাসের এই বাক্যে পাথর বলতে বোঝানো হয়েছে-
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জন্মস্থান কোথায়?
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান-যদি না থাকে?' -উক্তিটিতে বক্তারমনোভাব ব্যাখ্যা করো।
- অতি সন্তর্পণে ধানের ফাঁকে ফাঁকে তারা নৌকা চালায়,কেন?
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়'- কে?
- নয়ন গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য একতাবদ্ধ করে। কিন্তু মৌলবি সাহেব এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা ধূলিসাৎ করে দেয়।মৌলবির কর্মকান্ড 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের যে দিকটা ইঙ্গিত করে-ধর্মীয় গোঁড়ামিআধিপত্য রক্ষার চেষ্টাপশ্চাৎপদতানিচের কোনটি সঠিক?
- "শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি"- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- আওয়ালপুর ও মহব্বতনগরের মাঝ পথে একটা মস্ত কী গাছ আছে?
- বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক কে?
- 'এক পির সাহেব আইছেন না হেই গেরামে, তানি নাকি মরা মাইনষেরে জিন্দা কইরা দেন।'- উক্তিটি কার?
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।উদ্দীপকের আরিফ মিয়ার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
- লালসালু' উপন্যাসের জমিলা হয়ে উঠেছে-নারীধর্মের প্রতিনিধিহৃদয়ধর্মের প্রতিনিধিমানবধর্মের প্রতিনিধিনিচের কোনটি সঠিক?
- মোড়লদিয়ার মাদক ব্যবসায়ী তাকত আলী গঞ্জের কুখ্যাত মাফিয়া। মাদকাসক্ত করে গঞ্জের যুব সমাজকে সে বশীভূত করে রেখেছে। ইদানীং আরব আলী নামে আরেক ব্যবসায়ী গঞ্জে মাদক ব্যাবসা' শুরু করলে ব্যাবসায় মন্দার ভয়ে তাকত আলী ক্ষুব্ধ ও চিন্তিত হয়ে ওঠে। তাই নিজের রাজত্বকে নিষ্কণ্টক করতে এক রাতের আঁধারে তার সাঙ্গোপাঙ্গকে দিয়ে সশস্ত্র হামলা চালায় আরব আলীর ওপর। উৎখাত করে আরব আলীকে।'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে উদ্দীপকের আরব আলীর মিল রয়েছে?
- হঠাৎ করে সুন্দরপুর গ্রামে এক দরবেশ এসে উপস্থিত হয়। আজানুলম্বিত পোশাক আর হাতে একটি লাঠি নিয়ে গ্রামে সে প্রবেশ করে। গ্রামের নিরক্ষর, সাধারণ মানুষ তাকে দেখে যেন অনেক অপ্রাপ্তি আর বেদনা থেকে আশাবাদী চেতনা ফিরে পায়। নবাগতের ভিতর থেকে যেন মুক্তির আলো ছড়িয়ে পড়তে লাগল। মানুষের ভালোর জন্য তিনি সব করতে পারেন। সময়ের ব্যবধানে দরবেশ সকলের হৃদয়ের মণি হয়ে উঠলেন।"উদ্দীপকে দরবেশের আগমন ও 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদের আগমন ঠিক একই রকম।"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- "এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়”- 'লালসালু'উপন্যাসের এ বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে মজিদের—
- 'কলমা জান মিঞা?' প্রশ্নটি মজিদ কাকে উদ্দেশ্যকরে করেছিল?
- ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে।'- উক্তিটি কার?