আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘর কোথায় অবস্থিত?
A. গ্রিস
B. মিশর
C. সাইপ্রাস
D. তুরস্ক
সঠিক উত্তরঃ
B.
মিশর
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নয়নপুর গ্রামের ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকরা পূর্বে একবেলামাঠে কাজ করত, একবেলা রিকশা চালাত। এখন তারাএক বেলা অটোকিশা চালায়, আরেক বেলা চায়েরদোকানে আড্ডা দেয়। তাদের বাহ্যিক আচরণ দেখেউন্নত মনে হলেও গ্রামের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থাপূর্বের মতোই শোচনীয় রয়ে গেছে। গ্রাম্য মাতব্বরজব্বার মিয়া বিষয়টি সবাইকে বুঝালেন। উদ্দীপকের জব্বার মিয়া 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- চোরকে ফাঁসি দেওয়ার পূর্বে বিচারককে কয়দিন উপবাস থাকতে বলেছে বিড়াল?
- ’লোক-লোকান্তর’ কবিতার প্রথম চরণ কোনটি?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ঐকতান’ বলতে বুঝিয়েছেন-
- কোন রচনাটি সামাজিক -রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত নয়-
- ‘বিচারক’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- “অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার রাখিতে যাইবার মত এমন বিড়ম্বনা আর। নাই।” এটি কোন রচনার অংশ?
- নদী, মাঠ, কৃষক, লতা, পাখি, গনি মিয়া ও আসমানিকেনিয়ে কল্পনা ও স্বপ্নের মাধুরী দিয়ে চিত্ররূপময় কবিতাউপহার দিয়েছেন জসীমউদ্দীন। গনি মিয়া, আসমানি ওপ্রকৃতিকে নিয়েই জসীমউদ্দীন চিরকাল বেঁচে থাকতেচান। যা কবির কল্পলোকে সম্ভব হলেও বাস্তবে সম্ভব নয়।উদ্দীপকের প্রথম অংশের সঙ্গে 'লোক-লোকান্তর’কবিতার মিল—
- কৃষকপত্নী কীসের বিনিময়ে কন্যা বিক্রয় করত?
- 'উলঙ্গ বালব - এর আলোয় তার সযত্নে মেছোয়াক করা দাঁত ঝকঝক করে।' এ কথা কার দাঁত সম্পর্কে বলা হয়েছে?
- হলুদ শাড়ি লেগে থাকে কার শরীরে?
- 'কবর' কবিতায় দাদুর শশুর বাড়ি কোন গায়ে?
- কেরোসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে,ভাই বলে ডাক যদি দেব গলা টিপে।হেনকালে গগনেতে উঠিলেন চাঁদা,কেরোসিন বলি উঠে, এসো মোর দাদা। -পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- পৃথিবীর প্রথম জাদুঘর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
- বিড়ালের সুবিচারিক কথা শুনে কমলাকান্তের কেমন বাণী মনে পড়ল?
- 'হায়রে কিষাণ-তোদেরই শীর্ণ দেহ দেখে মোর অশ্রু মানে নাবুলবুলিতে ধান লুটে নেয়, তবু কেন ঘুম ভাঙে না।পৌষ পার্বণে গোলার ঘরে, শূন্য দেখে অশ্রু ঝরেশ্যামল গাঁয়ের মুখরতা, থেমে যে যায় অনাহারেএরা পিশাচ অনাহারী, ঘরে ঘরে ক্ষুধার তাড়না।উদ্দীপকের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের সাদৃশ্য নিরুপণ করো।
- 'ঐকতান' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন শ্রেণিরকবিকে আহ্বান করেছেন-
- ‘খোকা’ ও ‘রঞ্জু’ মাহমুদুল হক এর কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- আমার দেশের মতন এমন দেশ কি কোথাও আছেবউ কথা কও পাখি ডাকে নিত্য হিজল গাছে।দোয়ের কোয়েল কুটুম পাখি, বন-বাদাড়ে যায়রে ডাকিআছে শাপলা শালুক ঝিলে বিলে, পুকুর ভরা মাছে।হাজার তারার মানিক জ্বলে হেথায় মাটির ঘরেসবার মুখের মিষ্টি কথায় সবার হৃদয় ভরে রে।উদ্দীপক ও 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার আলোচ্য বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দাও।
- আপেল রঙের মেয়ে-
- ‘চাষাভূষার কাব্য’ কার সাহিত্যকর্ম?
- 'বঙ্গভাষা' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'জাগাে অগণন ক্ষুধিত মুখের নীরব ভ্রুকুটি হেরি।'- কোন কবিতার পঙক্তি
- সে সাঁতারাতে জানে না -
- 'চমকে উঠে উভয়েই তাকালাম ওর দিকে।' বাক্যটির রচয়িতা
- 'সমাজের উচ্চমঞ্চে বসেছি সংকীর্ণ বাতায়নে' কোন কবিতার চরণ?
- 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে সভ্যতার যে নেতিবাচক দিকগুলোফুটে উঠেছে—
- মাৎস্যন্যায় (Malsyanayam) বলা হয়-
- "স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;পড়ি কি ভূতলে শশী খান গড়াগড়িধূলায়?” – বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- "তরুতলে বসে পান্থ শ্রান্তি করে দূরফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুরবিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়,তরু তবু অকাতর, কিছু নাহি কয়।দুর্লভ মানব জন্ম পেয়েছো যখনতরুর আদর্শ কর জীবনে গ্রহণপরার্থে আপন সুখ দিয়ে বিসর্জনতুমিও হওগো ধন্য তরুর মতন।"'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বিকাশ ও দানের কথা বর্ণিত হলেও উদ্দীপকে শুধুই ত্যাগের মহিমা কীর্তন করা হয়েছে।- বিশ্লেষণ কর।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘বিড়াল' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত?
- পেশায় কৃষক হলেও জলিল শেখ সৌখিন মানুষ। রিকশাছাড়া বাজারে যায় না। চা খাওয়ারও দারুণ নেশা। বাড়িতেরান্না হলেও বাজারের হোটেলে প্রায়ই সে খাওয়া-দাওয়াকরে। উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের মতো, কারণ—
- আব্দুল গাফ্ফার গ্রামের আদর্শ কৃষক। দু-চার গাঁয়ের মানুষ তাকে এক নামে চেনে। সে সমন্বিত পদ্ধতিতে চাষ করে অল্প স্থানে অধিক উৎপাদনের নজির স্থাপন করে কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক সাফল্য অর্জন করে। সরকারি-বেসরকারি পুরস্কারও পায়। সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিদেশ ভ্রমণে গিয়ে দেখেন সেখানে শীতকালীন ফসল ফলানো হচ্ছে গ্রীষ্মকালে। তিনি উপলব্ধি করেন যে কৃষির অনেক কিছু জানলেও তিনি সবকিছু জানেন না।উদ্দীপকের আব্দুল গাফফার ও 'ঐকতান' কবিতার কবির উপলব্ধি একই- ব্যাখ্যা করো।
- আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের এমএ ক্লাসের ছাত্র। সমাজের কল্যাণ করতে সে পছন্দ করে। একবার তার এলাকায় ব্যাপক বন্যা দেখা দেয়। গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। খাদ্য আর চিকিৎসার অভাবে সাধারণ মানুষ নানা রকম দুর্ভোগে পড়ে। সাধারণ মানুষের কষ্টে আজিজের প্রাণ কেঁদে উঠে। মানুষের এমন পরিণতি সে মেনে নিতে পারেনি। তাই সে বন্ধুদের নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।উদ্দীপকের আজিজের পরোপকারের মাঝে 'বিড়াল' রচনায় প্রতিফলিত দিকটি ব্যাখ্যা কর।
- “যে ঘৃণা বিদ্বেষ অহংকার এবং জাত্যাভিমান কে করে বার বার পরাজিত” -তোমার পঠিত কোন কবিতার অংশ ?
- "সাম্যবাদী" কবিতায় কাজী নজরুল ইসলাম কয় টি ধর্ম সম্প্রদায়ের নাম বলেছেন ?
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।"উদ্দীপকের বক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাবের সংক্ষিপ্ত সার।"- এ মন্তব্যের যথার্থ মূল্যায়ন করো।
- 'জীবন-বন্দনা' কবিতায় কোনটি ফলদায়ক কাজ নয়?
- কোনটি হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?