নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,
তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।
গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান
কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।
স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিত
বংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।
শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরে
সাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।
"উদ্দীপকের বক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাবের সংক্ষিপ্ত সার।"- এ মন্তব্যের যথার্থ মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'আমাদের জীবনটা ছিল যান্ত্রিক ' । কোন গল্প থেকে নেওয়া ?
- কে মহাবেদনার ডাক শুনতেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে ভুলের মধ্য দিয়ে কীভাবে সত্যকে পাওয়া যায়?
- মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত উপন্যাস কোনটি?
- ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে তপোবন-প্রেমিক বলেছেন?
- সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের জন্মস্থান কোথায়?
- বিড়ালের সুবিচারিক কথা শুনে কমলাকান্তের কেমন বাণী মনে পড়ল?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার কোননদীগুলোর উল্লেখ রয়েছে?
- ‘ঠক চাচা’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
- কোন কোন নদী জলাঙ্গীরে অবিরল জল দেয়?
- বৃক্ষের সার্থকতার গান কীভাবে শোনা যায়?
- "সেখানে কালো আর ফিকে সবুজ রং খেলা কর ছ মুহূর্তে মূহুর্তে। "ৰ-- বাক্যটি কোন রচনা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- 'যে চাঁদ সাগরে জোয়ার জাগায়, সে হয়ত তাহার শক্তি সম্বন্ধে আজও না ওয়াকিফ।' -এ বাক্যটি কোন রচনার?
- ‘অয়োময়’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- ’কলিমদ্দি দফাদার’ গল্পটির পটভূমি-
- “যে ঘৃণা বিদ্বেষ অহংকার এবং জাত্যাভিমান কে করে বার বার পরাজিত” -তোমার পঠিত কোন কবিতার অংশ ?
- জসীমউদদীনের 'কবর' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত ?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।
- মতলবপুর গ্রামে সুসজ্জিত স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, খেলার মাঠ, সোনাফলা ফসলি জমি-সবই আছে কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসা বা স্কুল-কলেজের শিক্ষা গ্রহণের জন্য যে আর্থিক সামর্থ্যের প্রয়োজন তা গ্রামের অধিকাংশ মানুষেরই নেই। ফসলি জমির ফসল ওঠে কয়েকটি ভূ-স্বামী পরিবারের গোলায়। তাই অর্ধাহারে, অশিক্ষায় আর চিকিৎসাহীনতায় মানবেতর জীবনযাপন করে মতলবপুর গ্রামের আশি ভাগ মানুষ। বাইরে থেকে দেখলে যে গ্রামকে আদর্শ মনে হয় নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভেসে ওঠে সে গ্রামের বঞ্চিত গ্রামবাসীর অসহায় মুখচ্ছবি।উদ্দীপকের 'ফসল' এর সাথে 'বিড়াল' প্রবন্ধের ধনবৃদ্ধির তুলনা কর।
- 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কোন যুদ্ধের উল্লেখ আছে ?
- নিচের কোনটি আহসান হাবীবের রচনা নয়?
- ‘জেন্দাবেস্তা’ কী?
- “ঘােরতর কৃষ্ণবর্ণ”-কার সম্পর্কে কমলাকান্তের মন্তব্য?
- কবি সাম্যের গান গাইবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন কেন?
- নিচের কোন জন সনেট রচনা করেন নি?
- ‘অবজ্ঞার তাপে শুষ্ক নিরানন্দ সেই মরুভূমি' —চরণটি যে তাৎপর্য বহন করে—সাহিত্যে প্রান্তিক মানুষের অনুপস্থিতি সাহিত্যে উচ্চশ্রেণির মানুষের অনুপস্থিতি মূক যারা দুঃখে সুখেনিচের কোনটি সঠিক?
- তোমার যেখানে সাধ চলে যাও — আমি এই বাংলার পরেরয়ে যাব; দেখিব কাঁঠাল পাতা; ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;দেখিব খয়েরি ডানা শালিকের সন্ধ্যায় হিম হয়ে আসে ধবলরোমের নিচে তাহার হলুদ ঠ্যাং ঘাসে অন্ধকারে নেচেচলে......... উদ্দীপকের ১ম চরণের সাথে নিচের কোন পঙক্তিটিরভাবার্থের অধিকতর সাদৃশ্য রয়েছে?
- সুন্দরপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে হালদা নদী। নদী বিধৌত গ্রামটি যেন সবুজ প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর সজীবতা। জাম, জারুল, কড়ই, ডুমুর, শিমুলসহ নানা জাতের গাছ- গাছালি, পাখির কলতান, ফল-ফুলের মাধুর্য, দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ যেন দৃশ্যমান ছবি।নদীর জলে নানা প্রজাতির মাছ ও দুকূলে হরেক রকমের লতা-গুল্মের সমাহার।"উদ্দীপক ও 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় সৌন্দর্য বর্ণনার অন্তরালে প্রকাশ পেয়েছে অকৃত্রিম দেশপ্রেম।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঐকতান বলতে বুঝিয়েছেন-
- "হিন্দুকুশ" হলো-
- ‘চাষার দুক্ষু’ গল্পে চাষীর উদরে অন্ন নেই কেন?
- "কিন্তু কেন এ পন্ডশ্রম, মগজে হানিছ শূল?" দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই। এখানে প্রবচনটি রয়েছে যে রচনায়
- “বিড়াল' রচনায় “তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্যজাতির”-
- ’রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রঙ ছড়াইতে ছাড়াইতে তাহার অস্ত।- কোন রচনার অন্তর্গত?
- পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে' কে পেয়েছিলেন ?
- ’স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়’- কার লেখা?
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।"উদ্দীপকে বিধৃত 'কীত্তনখোলা' নাটকে নাট্যকারের যে কীর্তি তা-ই অন্বিষ্ট ছিল 'ঐকতান' কবিতার কবির।"- আলোচনা করো।
- ‘বিচারক’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- ‘হাজার বছর ধরে’ রচনাটি কার?