‘শৈবাল দীঘিরে কহে উচ্চ করি শির; লিখে রেখ, একবিন্দু দিলেম শিশির।’ এ অংশটুকুর মূল প্রতিপাদ্য-
A. প্রতিদান
B. প্রত্যুপকার
C. অকৃতজ্ঞতা
D. অসহিষ্ণুতা
সঠিক উত্তরঃ
C.
অকৃতজ্ঞতা
Explanation: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কণিকা’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্গত ‘ক্ষুদ্রের দম্ভ’ নামক ২ পঙ্ক্তির অণুকবিতা। এটিতে ক্ষুদ্রের দাম্ভিকতা বা অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে।
Related Questions (Any University/Year)
- সারাংশ লিখনে একাধিক অনুচ্ছেদ দেওয়া-
- 'কীর্তি যত গড়ে তুলি/ ধূলি তারে করে টানাটানি' এর মর্মার্থ:
- সারাংশ কোন পুরুষে লিখতে হয় ?
- যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশু গৃহে তার দেখিবে না আর নিশিতে প্রদীপ ভাতি— এই অংশের সম্প্রসারণে কোন ভাষাটি সঠিক?
- সারাংশে প্রত্যক্ষ উক্তির ক্ষেত্রে কী করতে হবে?
- ' প্রকৃতির যে ধর্ম, মানুষের সে ধর্ম।' উক্তিটি দ্বারা কী বুঝানো হয়ছে?
- বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে”- এ উক্তিটির প্রকৃত তাৎপর্য হচ্ছে -
- ‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।’ - চরণ দুটি কার লেখা?
- যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারেযে জাতি জীবনহারা অঢ়ল আসাড় সর্বজন সর্বক্ষণ চলে যেই পথে যে জাতি চলে না কভু তারি পথ পরে
- “কেরােসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে/ ভাই বলে ডাকো যদি দেব গলা টিপে/ হেনকালে গগনেতে উঠিলেন চাঁদা/ কেরােসিন শিখা বলে, “এসাে। মাের দাদা।” স্তবকটির মর্মার্থ
- সারাংশের মূল উদ্দেশ্য কী?
- ‘বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে’ এ উক্তিটির প্রকৃত তাৎপর্য হচ্ছে-
- 'নদীর এপাড় কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস /ওপাড়েতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস এই পংক্তিদ্বয়ের মূল প্রতিপাদ্য:
- সারমর্ম লেখার ক্ষেত্রে কোনটি বর্জন করতে হবে?
- সারাংশে নিচের কোনটির প্রয়োজন নেই?
- “শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শির, লিখে রেখাে এক ফোঁটা দিলেম শিশির।”- এর মূল প্রতিপ???দ্য কী?
- কবিতাটির পড়ে প্রশ্নটির উত্তর দাও -]'কোথায় স্বর্গ,কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর।'এখানে সাম্যবাদী কবিতার যে দিকটি উচ্চারিত হয়েছে তা হলো -
- তাই আমি মেনে নিলাম সে নিন্দার কথা আমার সূরের অপূর্ণতা। আমার কবিতা, জানি আমি,গেলেও বিচিত্র পথে হয় নাই সে সর্বত্রগামী
- দুঃখ যত প্রবলভাবে মানুষের মনে আঘাত করে, সুখ ততটা করে না। সুখকে কোনো কোনো লোকে যত নিস্পৃহভাবে গ্রহণ করতে পারে, চেষ্টা করলেও দুঃখকে তত সহজে মনের গোপনে লুকিয়ে রাখতে পারে না??? এজন্য জীবনে দুঃখের মূল্য বড় বেশি। আগে দুঃখ পেতে হবে, তবেই সমস্ত অনুভূতি সজাগ ও তীক্ষ্ণ হবে। ভুল করে যে দুঃখ পায়, তার ভুল করা সার্থক। আর ভুল করলেও যে নির্বিকার,- আত্ম-বিচার যার নাই- তার কাছে সত্য-মিথ্যা, পাপ-পুণ্য, অর্থশূন্য শব্দ ছাড়া আর কিছুই নয় ।
- রাত্রির গায়ে জ্বলে জোনাকি/তটিনীর বুকে মৃদু ছন্দ'-এ গানের কথা তটিনী’ বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?