যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশু গৃহে তার দেখিবে না আর নিশিতে প্রদীপ ভাতি— এই অংশের সম্প্রসারণে কোন ভাষাটি সঠিক?
A. দিনের বেলায় আলোর উৎস সূর্য
B. দিনের বেলায় প্রদীপ জ্বালানো আবশ্যক
C. দিনের বেলায় প্রদীপ জ্বালানো অপব্যয়ের নামান্তর
D. অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক
সঠিক উত্তরঃ
D.
অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক
Explanation: যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশু গৃহে তার দেখিবে না আর নিশিতে প্রদীপ ভাতি—
এই অংশের সম্প্রসারণ:
'অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক।'
‘‘যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশু গৃহে তার দেখিবে না আর নিশীথে প্রদীপ ভাতি।’’
- পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
- তার অপব্যয়ের ফল নামক কবিতার অংশ এটি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
এই অংশের সম্প্রসারণ:
'অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক।'
‘‘যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশু গৃহে তার দেখিবে না আর নিশীথে প্রদীপ ভাতি।’’
- পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
- তার অপব্যয়ের ফল নামক কবিতার অংশ এটি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
Related Questions (Any University/Year)
- রাত্রির গায়ে জ্বলে জোনাকি/তটিনীর বুকে মৃদু ছন্দ'-এ গানের কথা তটিনী’ বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?
- “শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শির, লিখে রেখাে এক ফোঁটা দিলেম শিশির।”- এর মূল প্রতিপ???দ্য কী?
- ‘বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে’ এ উক্তিটির প্রকৃত তাৎপর্য হচ্ছে-
- সারাংশ লিখনে একাধিক অনুচ্ছেদ থাকা -
- সারাংশ কোন পুরুষে লিখতে হয় ?
- সারাংশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক কোনটি ?
- সারাংশে নিচের কোনটির প্রয়োজন নেই?
- তাই আমি মেনে নিলাম সে নিন্দার কথা আমার সূরের অপূর্ণতা। আমার কবিতা, জানি আমি,গেলেও বিচিত্র পথে হয় নাই সে সর্বত্রগামী
- সারাংশের মূল উদ্দেশ্য কী?
- সারাংশে কোনটি প্রয়োজন নেই ?
- সারাংশে প্রত্যক্ষ উক্তির ক্ষেত্রে কী করতে হবে?
- বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে”- এ উক্তিটির প্রকৃত তাৎপর্য হচ্ছে -
- যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারেযে জাতি জীবনহারা অঢ়ল আসাড় সর্বজন সর্বক্ষণ চলে যেই পথে যে জাতি চলে না কভু তারি পথ পরে
- কবিতাটির পড়ে প্রশ্নটির উত্তর দাও -]'কোথায় স্বর্গ,কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর।'এখানে সাম্যবাদী কবিতার যে দিকটি উচ্চারিত হয়েছে তা হলো -
- “কেরােসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে/ ভাই বলে ডাকো যদি দেব গলা টিপে/ হেনকালে গগনেতে উঠিলেন চাঁদা/ কেরােসিন শিখা বলে, “এসাে। মাের দাদা।” স্তবকটির মর্মার্থ
- ‘শৈবাল দীঘিরে কহে উচ্চ করি শির; লিখে রেখ, একবিন্দু দিলেম শিশির।’ এ অংশটুকুর মূল প্রতিপাদ্য-
- 'যাকে বাড়িতে হইবে তাকে কড়া হইলে চলিবে না প্রাণ সেইজন্য কোমল। -প্রাণ জিনিসটা অপূর্ণতার ব্যঞ্জনী।' এই মন্তব্যের আলোকে প্রাণের প্রকৃতি হল:
- 'নদীর এপাড় কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস /ওপাড়েতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস এই পংক্তিদ্বয়ের মূল প্রতিপাদ্য:
- 'কীর্তি যত গড়ে তুলি/ ধূলি তারে করে টানাটানি' এর মর্মার্থ:
- সারমর্ম লেখ (অনধিক চার বাক্যে) দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ।পাহাড়-কাটা সে পথের দুপাশে পড়িয়া যাদের হাড়,তােমারে বহিতে যারা পবিত্র অঙ্গে লাগাল ধুলি,তাদেরি ব্যথিত বক্ষে পা ফেলে আসে নব উত্থান।