সারাংশের মূল উদ্দেশ্য কী?
A. অন্তর্নিহিত তাৎপর্য তুলে ধরা
B. ভাবের অংশ প্রকাশ করা
C. বাইরের ভাব বিশ্লেষণ করা
D. অন্যভাব ফুটিয়ে তোলা
সঠিক উত্তরঃ
A.
অন্তর্নিহিত তাৎপর্য তুলে ধরা
Explanation: সারাংশের মূল উদ্দেশ্য- 'অন্তর্নিহিত তাৎপর্য তুলে ধরা'।
সারাংশ বা সারমর্ম:
- কোনো গদ্য বা পদ্য রচনার অন্তর্নিহিত মূল ভাবকে সহজ- সরল ভাষায় সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সারাংশ বা সারমর্ম বলে।
- কোনো কবিতা পদ্য রচনার মূল ভাব বা বক্তব্যকে অল্প কথায় প্রকাশ করার নাম সারমর্ম বা সারাংশ।
- সারমর্ম এবং সারাংশ যথাসম্ভব সহজ ভাষায় এবং সরল বাক্যে লিখতে হবে।
- বক্তব্যের বর্ণনায় মূল কথার বাইরে কোনো কথা লিখা যাবে না, বক্তব্যে কোনো প্রকার ছন্দ, অলঙ্কার, উপমা, রূপক, উদ্ধৃতির ব্যবহার করা যাবে না।
অর্থাৎ, সারাংশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক - প্রাঞ্জলতা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।
সারাংশ বা সারমর্ম:
- কোনো গদ্য বা পদ্য রচনার অন্তর্নিহিত মূল ভাবকে সহজ- সরল ভাষায় সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সারাংশ বা সারমর্ম বলে।
- কোনো কবিতা পদ্য রচনার মূল ভাব বা বক্তব্যকে অল্প কথায় প্রকাশ করার নাম সারমর্ম বা সারাংশ।
- সারমর্ম এবং সারাংশ যথাসম্ভব সহজ ভাষায় এবং সরল বাক্যে লিখতে হবে।
- বক্তব্যের বর্ণনায় মূল কথার বাইরে কোনো কথা লিখা যাবে না, বক্তব্যে কোনো প্রকার ছন্দ, অলঙ্কার, উপমা, রূপক, উদ্ধৃতির ব্যবহার করা যাবে না।
অর্থাৎ, সারাংশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক - প্রাঞ্জলতা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।
Related Questions (Any University/Year)
- সারমর্ম লেখ (অনধিক চার বাক্যে) দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ।পাহাড়-কাটা সে পথের দুপাশে পড়িয়া যাদের হাড়,তােমারে বহিতে যারা পবিত্র অঙ্গে লাগাল ধুলি,তাদেরি ব্যথিত বক্ষে পা ফেলে আসে নব উত্থান।
- দুঃখ যত প্রবলভাবে মানুষের মনে আঘাত করে, সুখ ততটা করে না। সুখকে কোনো কোনো লোকে যত নিস্পৃহভাবে গ্রহণ করতে পারে, চেষ্টা করলেও দুঃখকে তত সহজে মনের গোপনে লুকিয়ে রাখতে পারে না??? এজন্য জীবনে দুঃখের মূল্য বড় বেশি। আগে দুঃখ পেতে হবে, তবেই সমস্ত অনুভূতি সজাগ ও তীক্ষ্ণ হবে। ভুল করে যে দুঃখ পায়, তার ভুল করা সার্থক। আর ভুল করলেও যে নির্বিকার,- আত্ম-বিচার যার নাই- তার কাছে সত্য-মিথ্যা, পাপ-পুণ্য, অর্থশূন্য শব্দ ছাড়া আর কিছুই নয় ।
- সারাংশ লিখনে একাধিক অনুচ্ছেদ দেওয়া-
- যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশু গৃহে তার দেখিবে না আর নিশিতে প্রদীপ ভাতি— এই অংশের সম্প্রসারণে কোন ভাষাটি সঠিক?
- শৈবাল দীঘিরে বলে উচ্চ করে শিরঃ লিখে রেখ, একবিন্দু দিলেম শিশির।' এ অংশটুকুর মূল প্রতিপাদ্য-
- সারাংশে প্রত্যক্ষ উক্তির ক্ষেত্রে কী করতে হবে?
- “কেরােসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে/ ভাই বলে ডাকো যদি দেব গলা টিপে/ হেনকালে গগনেতে উঠিলেন চাঁদা/ কেরােসিন শিখা বলে, “এসাে। মাের দাদা।” স্তবকটির মর্মার্থ
- “শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শির, লিখে রেখাে এক ফোঁটা দিলেম শিশির।”- এর মূল প্রতিপ???দ্য কী?
- 'নদীর এপাড় কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস /ওপাড়েতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস এই পংক্তিদ্বয়ের মূল প্রতিপাদ্য:
- 'যাকে বাড়িতে হইবে তাকে কড়া হইলে চলিবে না প্রাণ সেইজন্য কোমল। -প্রাণ জিনিসটা অপূর্ণতার ব্যঞ্জনী।' এই মন্তব্যের আলোকে প্রাণের প্রকৃতি হল:
- বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে”- এ উক্তিটির প্রকৃত তাৎপর্য হচ্ছে -
- যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারেযে জাতি জীবনহারা অঢ়ল আসাড় সর্বজন সর্বক্ষণ চলে যেই পথে যে জাতি চলে না কভু তারি পথ পরে
- সারাংশে নিচের কোনটির প্রয়োজন নেই?
- ‘শৈবাল দীঘিরে কহে উচ্চ করি শির; লিখে রেখ, একবিন্দু দিলেম শিশির।’ এ অংশটুকুর মূল প্রতিপাদ্য-
- 'কীর্তি যত গড়ে তুলি/ ধূলি তারে করে টানাটানি' এর মর্মার্থ:
- সারাংশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক কোনটি ?
- তাই আমি মেনে নিলাম সে নিন্দার কথা আমার সূরের অপূর্ণতা। আমার কবিতা, জানি আমি,গেলেও বিচিত্র পথে হয় নাই সে সর্বত্রগামী
- ' প্রকৃতির যে ধর্ম, মানুষের সে ধর্ম।' উক্তিটি দ্বারা কী বুঝানো হয়ছে?
- কবিতাটির পড়ে প্রশ্নটির উত্তর দাও -]'কোথায় স্বর্গ,কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর।'এখানে সাম্যবাদী কবিতার যে দিকটি উচ্চারিত হয়েছে তা হলো -
- সারমর্ম লেখার ক্ষেত্রে কোনটি বর্জন করতে হবে?