'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে'- ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- "তারপর কতক্ষণ সে বজ্রাহতের মতো বসে থাকে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।উদ্দীপকের আরিফ মিয়ার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
- মকবুল তিন বিয়ে করেছে। তিন বউই বেঁচে আছে ওর। সবার ছোটো টুনি। গায়ের রং কালো। ছিপছিপে দেহ। আয়ত চোখ। বয়স তার তেরো-চৌদ্দের মাঝামাঝি। সংসার কাকে বলে সে বুঝে না। সমবয়সি কারও সঙ্গে দেখা হলে সবকিছু ভুলে গিয়ে মনের সুখে গল্প জুড়ে দেয়। আর হাসে। হাসাতে হাসাতে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয় টুনি।উদ্দীপকের টুনির সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রটির সাদৃশ্য কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- 'তার চলে যাওয়াটা কারও মনে প্রশ্ন জাগায় না।'
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।' ব্যাখ্যা করো।
- মজিদ কীভাবে তার প্রভাবকে প্রতিষ্ঠিত করে?
- প্রথম যখন হোসেন মিয়া কেতুপুরে এসেছিল পরনে একটাছেঁড়া লুঙ্গি, মাথায় এক ঝাঁক রুক্ষ চুল — ঘষা দিলে গায়েখড়ি উঠত। এখন সে অনেক সম্পদ ও প্রতিপত্তির মালিক। উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসেরমজিদ উভয়েই—
- মহাসড়কের পাশে পুরাতন একটি কবরকে মাজার বানিয়ে জমজমাট ব্যবসায় চালিয়ে যাচ্ছে মোখলেছ। কবরটিকে মাজারে রূপান্তরিত করার ঘটনাটি ছিল বেশ নাটকীয়। একদিন একটি যাত্রীবাহী বাস কবরটির পাশে সামান্য ধাক্কা লেগে থেমে যায়। ঠিক তখনি কবরের পাশে দাঁড়ানো মোখলেছ ড্রাইভারকে ধমকে বলে, "ল্যাংটা বাবার সাথে বেয়াদবি। সামনে তোর জন্য মহাবিপদ অপেক্ষা করছে। বাঁচতে চাইলে বাবার দরবারে যার যা আছে ফেলে যা।" মুহূর্তের মধ্যে বাসের জানালা দিয়ে কবরের পাশে বৃষ্টির মতো পড়তে লাগলো দশ টাকা, বিশ টাকা এবং একশ টাকার নোট।উদ্দীপকে বর্ণিত মাজার প্রতিষ্ঠার ঘটনাটি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার অনুরূপ? বিশ্লেষণ কর।
- সুখে থাকিয়া এবং পেট ভরিয়া খাইয়া কিছুদিনের মধ্যে ভিখুর দেহে পূর্বের স্বাস্থ্য ফিরিয়া আসিল। তাহার ছাতি ফুলিয়া উঠিল, প্রত্যেকটি অঙ্গ সঞ্চালনে হাতের ও পিঠের মাংসপেশি নাচিয়া উঠিতে লাগিল। অবরুদ্ধ শক্তির উত্তেজনায় ক্রমে ক্রমে তাহার মেজাজও উদ্ধত অসহিষ্ণু হইয়া পড়িল। অভ্যস্ত বুলি আওড়াইয়া কাতরভাবে সে এখন ভিক্ষা চায়। কিন্তু ভিক্ষা না পাইলে তাহার ক্রোধের সীমা থাকে না। লোকজন না থাকিলে তাহার প্রতি উদাসীন পথিককে অশ্লীল গাল দিয়া বসে। এক পয়সার জিনিস কিনিয়া ফাউ না পাইলে দোকানিকে মারিতে ওঠে। নদীর ঘাটে মেয়েরা স্নান করিতে নামিলে ভিক্ষা চাহিবার ছলে জলের ধারে গিয়া দাঁড়ায়।'ভিখুর মতো রমণীদেহের প্রতি মজিদেরও লোলুপ দৃষ্টি ছিল।'- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- মজিদকে দেখে প্রথম জমিলার কী মনে হয়েছিল?
- ‘লালসালু’ উপন্যাসের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে হাঁপানি রোগী কে?
- বাংলাদেশের একটি ছোট্ট জনপদ বসন্তপুর। সভ্য জীবনের কোনো ছোঁয়া এখানে নেই। অসুখে-বিসুখে আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, পানিপড়াই তাদের একমাত্র ভরসা। এ গ্রামের মেয়ে হনুফা নিরক্ষর হলেও তার কথাবার্তা ও চিন্তাচেতনায় বুদ্ধিমত্তার ছাপ স্পষ্ট। আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া কেরামতিতে সে আদৌ বিশ্বাস করে না। গ্রামবাসীদের সে আবুল মিয়ার ভণ্ডামি সম্পর্কে সচেতন করে এবং যেকোনো অসুস্থতায় আবুল মিয়ার কাছে না গিয়ে শত কষ্ট হলেও ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।'উদ্দীপকের হনুফা আর 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা একে অপরের পরিপূরক।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- রাহী গ্রামের এক দুরন্ত মেয়ে। তার আনন্দের কাজ বন্ধুদের সাথে ছোটাছুটি করা, সাঁতার কাটা। অভাবের তাড়নায় তার বাবা একদিন পাশের গ্রামের এক বুড়ো লোকের সাথে তার বিয়ে দিয়ে দিলেন। লোকটি গ্রামের মাতব্বর। সকলে তাকে 'মুন্সি' বলে ডাকে। মুন্সির কথা গ্রামের সবাই মেনে চলে। কিন্তু চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা রাহী তার কথা মানে না।রাহী 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?- আলোচনা করো।
- ‘সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে।'- কে খাচায় ধরা পড়েছে?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি,'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র জন্মমৃত্যু সাল কোনটি?
- কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর মতে কবিতা হলো— সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান মায়ের কোলে শুয়ে গল্প শোনাকর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানানিচের কোনটি সঠিক?
- কত বছর বয়সে আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বায়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।"উদ্দীপকের মামুন চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের অপূর্ণ একটি সম্ভাবনার ??াস্তব প্রতিফলন।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারী শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্য বিয়ে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছেলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এখানে সেলাই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।উদ্দীপকের মুরাদপুর গ্রামের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার তুলনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- পীর সাহেব নারীদের প্রতি আসক্ত হওয়ার কারণে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পর্দার আড়ালে নানা কথা বলেন। মুরিদের সুন্দরী বউকে তালাক দিতে বাধ্য করে তার মনোবাসনা পূরণ করেন।উক্ত চরিত্রদ্বয়ে প্রকাশ পেয়েছে-ছলনা আসক্তিধার্মিকতানিচের কোনটি সঠিক?
- হাসুনির মাকে বুড়ো বেধড়ক প্রহার করে কেন?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদায় যে চোখ।' কার চোখ?
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ্' বলিত। সেই 'ফানাফিল্লাহ্'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন তাই জব্বার সময় একখণ্ড কালো মখমলের কাপড় দিয়া পীর সাহেবের চোখে মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।"উদ্দীপকে বর্ণিত পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত মজিদেরই প্রতিচ্ছবি।”- বিশ্লেষণ কর।
- আক্কাসের বাবার নাম কী?
- আগে এক গ্রাম্য মাতব্বরের শাসন ও শোষণে অতিষ্ঠ ছিল স্বরপুর গ্রামের মানুষ। এখন সেখানে এসে জুটেছে এক ভন্ড চিকিৎসক। অলৌকিক তার চিকিৎসা পদ্ধতি। সে নিজেকে 'জিনের বাদশা' পরিচয় দেয়। বন্ধ্যত্ব, পঙ্গুত্ব, ক্যান্সার প্রভৃতি রোগ নিয়ে লোকেরা তার কাছে আসে। মানুষের অসহায়ত্ব ও সরলতার সুযোগ নিয়ে সে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়। মাতব্বরের কাছে নালিশ করেও কোনো প্রতিকার মেলে না। কারণ, চোরে চোরে মাসতুত ভাই।"উপায় ভিন্ন হলেও জিনের বাদশা ও উপন্যাসের মজিদের উদ্দেশ্য অভিন্ন"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- জাহিদ শহর থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেআসে এবং গ্রামের মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দেখেব্যাথিত হয়। সে গ্রামে শিক্ষার আলো জ্বালাতে একটিনৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।অনুচ্ছেদে উল্লিখিত গ্রামবাসীর জ্ঞানের সীমাবদ্ধতারমধ্যে 'লালসালু' উপন্যাসের যে দিকটি প্রকাশ পায় -দরিদ্রতাকুসংস্কারাচ্ছন্নতাঅজ্ঞতানিচের কোনটি সঠিক?
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবা কে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম' পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন। ..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখ-মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? আলোচনা করো।
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্'র জন্ম কত সালে?
- মতিগঞ্জের সড়কটা দিয়ে দলে-দলে লোক কোনদিকে চলছে?
- ঢেড়া বুড়া কার কথায় বিভ্রান্ত হয়?
- ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- লালসালু' উপন্যাসের জমিলা হয়ে উঠেছে-নারীধর্মের প্রতিনিধিহৃদয়ধর্মের প্রতিনিধিমানবধর্মের প্রতিনিধিনিচের কোনটি সঠিক?
- "ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?" উক্তিটি কার?
- জব্বার তালুকদার ভদ্রদিয়া গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলেই তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে জব্বার তালুকদার সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত আফসার আলীকে। তার ওপর জব্বার তালুকদারের অগাধ বিশ্বাস। তাই আফসার আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন জব্বার তালুকদার তা বাস্তবায়নে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন আফসার আলী জব্বার তালুকদারকে বললেন, 'জব্বার, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় জব্বার তালুকদার।উদ্দীপকের জব্বার তালুকদার 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতীক বহন করে? আলোচনা করো।