রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?'- ব্যাখ্যা করো।
- শিমুলিয়া গ্রামের মানুষগলো অত্যন্ত পরিশ্রমী, তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠ ভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের। মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এরা লোকমান ফকিরের সাহায্য কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকে ঘরে হয়তো অভাব আছে কিন্তু দুঃখকষ্ট আছে কি না তা বোঝা দায়, তবে যেটুকু দুঃখ আসে তার কারণ লোকমানের মতো প্রতারক' শ্রেণির মানুষ। গ্রামের মানুষ সরল ধর্মপ্রাণ কিন্তু শিক্ষা ও ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা তাদের ঠকায়।উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের বর্ণিত কোন গ্রামের মানুষদের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায় বর্ণনা করো।
- রহিমা আমেনা বিবির জন্য শখ করে কী রান্না করেছিল?
- পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে যারা নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে সদা তৎপর। নিজের ক্ষমতা, লোভ, প্রভাব ও স্বপ্নকে টিকিয়ে রাখতে যেকোনো কাজ তার দ্বারা সম্ভব। যারা প্রবৃত্তির এই ফাঁদে পা দেয় তারাই জানে এই দুনিয়ায় সচ্ছলভাবে টিকে থাকতে হলে তাকে নিজের সবটুকু দিয়েই চেষ্টা করতে হবে। ন্যায়-অন্যায়, পাপবোধ সেখানে ক্ষি ক্ষণিকের জন্য জন্য বিবেকবোধকে বিবেক জাগ্রত করলেও ৯৮ তা দুনিয়ার স্বার্থে অচিরেই ম্লান হয়ে যায়।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'লালসালু' উপন্যাসে শাসন ও শোষণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিবরণের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- 'আজ সেখানে নির্ভেজাল নিষ্ঠুর হিংস্রতা'- এর অর্থ বুঝিয়ে দাও।
- রহিমার পর্বতের মতো অটল বিশ্বাসে ফাটল ধরে কেন? আলোচনা করো।
- “ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে"-উক্তিটিতে কী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- আবহমান বাংলার গ্রামীণ জীবন অশিক্ষা, কুসংস্কার ও অজ্ঞতার অন্ধকারে ঢাকা। স্বল্প জমি, সামান্য অর্থ কিংবা দৈনিক শ্রমে জীবন নির্বাহকারী কৃষিজীবী ভূমিহীনদের অনেকেই গ্রাম ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে শহরের উদ্দেশে। ভাগ্যান্বেষী এই মানুষগুলো নিজেদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য জড়িয়ে পড়ে নানা অপকর্মে।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'কোটরাগত নিমীলিত সে চোখে একটুও কম্পন নেই।'- উক্তিটিতে ফুটে উঠেছে-
- সুখে থাকিয়া এবং পেট ভরিয়া খাইয়া কিছুদিনের মধ্যে ভিখুর দেহে পূর্বের স্বাস্থ্য ফিরিয়া আসিল। তাহার ছাতি ফুলিয়া উঠিল, প্রত্যেকটি অঙ্গ সঞ্চালনে হাতের ও পিঠের মাংসপেশি নাচিয়া উঠিতে লাগিল। অবরুদ্ধ শক্তির উত্তেজনায় ক্রমে ক্রমে তাহার মেজাজও উদ্ধত অসহিষ্ণু হইয়া পড়িল। অভ্যস্ত বুলি আওড়াইয়া কাতরভাবে সে এখন ভিক্ষা চায়। কিন্তু ভিক্ষা না পাইলে তাহার ক্রোধের সীমা থাকে না। লোকজন না থাকিলে তাহার প্রতি উদাসীন পথিককে অশ্লীল গাল দিয়া বসে। এক পয়সার জিনিস কিনিয়া ফাউ না পাইলে দোকানিকে মারিতে ওঠে। নদীর ঘাটে মেয়েরা স্নান করিতে নামিলে ভিক্ষা চাহিবার ছলে জলের ধারে গিয়া দাঁড়ায়।'ভিখু ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের টিকে থাকার সংগ্রাম এক কিন্তু পদ্ধতি ভিন্ন'- বিশ্লেষণ কর।
- পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে যারা নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে সদা তৎপর। নিজের ক্ষমতা, লোভ, প্রভাব ও স্বপ্নকে টিকিয়ে রাখতে যেকোনো কাজ তার দ্বারা সম্ভব। যারা প্রবৃত্তির এই ফাঁদে পা দেয় তারাই জানে এই দুনিয়ায় সচ্ছলভাবে টিকে থাকতে হলে তাকে নিজের সবটুকু দিয়েই চেষ্টা করতে হবে। ন্যায়-অন্যায়, পাপবোধ সেখানে ক্ষি ক্ষণিকের জন্য জন্য বিবেকবোধকে বিবেক জাগ্রত করলেও ৯৮ তা দুনিয়ার স্বার্থে অচিরেই ম্লান হয়ে যায়।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? যুক্তি দেখাও।
- জনাব নুরুল ইসলাম একজন শিল্পপতি। দীর্ঘকাল পর তিনি নিজ গ্রামে এসে দেখেন, এখানকার মানুষ এখনও দুঃখদুর্দশা আর অভাব-অনটনে জর্জরিত। তাই তিনি মনিস্থর করেন যে, গ্রামে একটি ফ্যাক্টরি স্থাপন করবেন। এতে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু গ্রামের চেয়ারম্যান তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, বেকার লোকেরা কর্মজীবী হয়ে গেলে তাদেরকে আর মিটিং-মিছিলে ব্যবহার করা যাবে না।উদ্দীপকের শিল্পপতির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?। ব্যাখ্যা করো।
- সুপ্রভা প্রভুত্ব করার চেয়ে নির্ভর করিতেই ভালোবাসে বেশি, আদর পাওয়াটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্য। মন্দার গৃহিণীপনার ভিত্তিও ওইখানেই-সুপ্রভাকে সে নয়নের মণি করিয়া রাখিয়াছে। কে বলিবে সুপ্রভা তাহার সতিন? স্নেহ-যত্নে সুপ্রভার দিনগুলিকে সে ভরাট করিয়া রাখে। সতিনের সংসারেও তাই এখানে কলহ-বিবাদ মান-অভিমান মন-কষাকষি নাই।"উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে।"-বুঝিয়ে লেখো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
- নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
- মজিদ কোন ঋতুতে মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশ করল?
- 'লালসালু' উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ কে?
- তপু ভাগ্যান্বেষণে ঘুরতে ঘুরতে এসে হাজির হয় রাজধানী ঢাকায়। মিটফোর্ডে এক ফুটপাতে হোটেলে খেতে গিয়ে দেখতে পায় পাশের নর্দমায় অনেকগুলো ঔষধ পড়ে আছে। হোটেল বয়ের কাছে জানতে পারে এগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ কোম্পানি ফেলে গেছে। তার মাথায় বিদ্যুৎ খেলে যায়। সে ঐ ঔষধগুলো কুড়িয়ে নতুন প্যাকেটে মুড়ে কম দামে বিক্রি করতে থাকে। সাধারণ মানুষ কম দামে পেয়ে সরল বিশ্বাসে তার দোকান থেকে ঔষধ কিনে প্রতারিত হতে থাকে। আর তপু অল্পদিনে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বনে যায়।উদ্দীপকের তপুর মাঝে ফুটে উঠেছে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের চরিত্র- ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে মাজারটি দেখতে কেমন?
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালন করেন।শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবের বিরোধবাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।সাদৃশ্যের কারণ হলো, উভয়ই- কৃতঘ্নক্ষমতালোভীঅর্থলোভীনিচের কোনটি সঠিক?
- খালেক ব্যাপারির প্রথম পক্ষের স্ত্রীর নাম কী?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'- ব্যাখ্যা করো।
- 'তরঙ্গভঙ্গ' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি-
- 'লালসালু' উপন্যাসের শেষ বাক্য কোনটি?
- মকবুল তিন বিয়ে করেছে। তিন বউই বেঁচে আছে ওর। সবার ছোটো টুনি। গায়ের রং কালো। ছিপছিপে দেহ। আয়ত চোখ। বয়স তার তেরো-চৌদ্দের মাঝামাঝি। সংসার কাকে বলে সে বুঝে না। সমবয়সি কারও সঙ্গে দেখা হলে সবকিছু ভুলে গিয়ে মনের সুখে গল্প জুড়ে দেয়। আর হাসে। হাসাতে হাসাতে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয় টুনি।"উদ্দীপকের টুনি' চরিত্রে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সামগ্রিক দিক উন্মোচিত হয়নি।"- মূল্যায়ন, করো।
- মজিদ কেন আক্কাসের স্কুল প্রতিষ্ঠায় বাঁধা দেয়?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- তাহেরের বাপ নিরুদ্দেশ হয়ে যায় কেন?
- 'লালসালু' উপন্যাসে দুর্লঙ্গনীয় রহস্যে আবৃত কী?
- 'বতোর দিন ঘুরে আসে, আবার পেরিয়ে যায়।' কোন রচনার অন্তর্গত?
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা- চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়েসের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।উদ্দীপকের টুনির সাথে- 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা কর।
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালন করেন।শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবের বিরোধবাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।উদ্দীপকের হাবিবের মধ্যে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রের সাদৃশ্য মেলে?
- 'লক্ষ্মীপুর গ্রামে নাকি এক সন্ন্যাসীর আগমন ঘটেছে। এইসন্ন্যাসী নাকি চোখের পলকে অন্য গ্রামে যেতে পারে,বাতাসের গতি থামাতে পারে।'উদ্দীপকের সন্ন্যাসী 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রকে মনে করে দেয়?
- আক্কাসের বাবার নাম কী?
- সুমি একজন স্বাধীনতাপ্রিয় নারী। অন্যের অধীনতা তার একেবারেই পছন্দ না। তার চালচলন ও সমাজপতিদের মনে আঘাত হানে। কিন্তু বিষয়টি মোটেও তোয়াক্কো করে না সুমি।উদ্দীপকের সুমি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতীক?
- "লালসালু' উপন্যাসে ধর্মবিশ্বাস নয়- ধর্মের নামে প্রচলিত গোঁড়ামি ও অন্ধত্বের বিরুদ্ধে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সোচ্চার হয়েছেন।"- বক্তব্যটির বিশ্লেষণ করো।
- ত্রিপুরা রাজ মন্দিরের পুরোহিত রঘুপতি মিথ্যা ধর্মবোধ ও অন্ধসংস্কারের ধারক। মন্দিরে বলিদান প্রথার বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদের বাণী ধ্বনিত হয় অপর্ণার মধ্যে। তার ছাগ-শিশু বলির বিচার দাবি 'বিসর্জন' নাটকের বিরোধের বীজ। এ বীজ প্রথম বপিত হয় রাজার হৃদয়ে। আর এ বপিত বীজের কারণে রাজার বিরুদ্ধে বিরোধ, জয়সিংহের আত্মবিসর্জন, রঘুপতির প্রতিমা বিসর্জন এবং পরিণতিতে মাতৃরূপে অপর্ণার নিকট রঘুপতির দর্প চূর্ণ হয়।'প্রচলিত প্রথা ও কুসংস্কার কখনো ব্যক্তি ও সমাজের জন্য সহায়ক নয় বরং অন্তরায়' উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- মজিদ আক্কাসের স্কুল স্থাপনের প্রচেষ্টাকে বানচাল করে দেয় কারণ-
- মজিদ কীভাবে মহব্বতনগর গ্রামে শিকড় গেড়েছিল?