‘সেই অস্ত্র’ কবিতায় বর্ণিত নগরটির নাম কী?
A. ঢাকা
B. কলকাতা
C. ট্রয়
D. লন্ডন
সঠিক উত্তরঃ
C.
ট্রয়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- "রক্তে আমার অনাদি অস্থি"কবি প্রাণ স্বপ্নকে কোথায় রেখেছেন?
- ভুলের মধ্যে সত্যকে পাওয়ার উপায় হলো- ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়াবিনয়ী হওয়াআত্মসচেতন হওয়ানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয় আত্মিকও’ কার উক্তি?
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' গল্পের মূল বিষয়বস্তু-
- ১৯৩২ সালে “যৌবনের গান” প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলাম পাঠ করেন-
- 'তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্য জাতির রোগ'- ব্যাখ্যা করো।
- বুদ্ধদেব বসু কাকে 'নির্জনতম কবি' বলে আখ্যায়িতকরেছেন?
- 'বখতিয়ারের ঘোড়া' কাব্যগ্রন্থের লেখক কে?
- 'সাহিত্য পাঠ' বইয়ের কবিতা অংশে প্রথম কবিতাটি কার?
- 'মুগ্ধ মরণ বাঁকে বাঁকে'- বুঝিয়ে লেখো।
- "সে তো প্রাঁপ্ত নয়, আত্মবিসর্জন। " কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- "মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিক"- ব্যাখ্যা করো।
- এর মধ্যে কোন প্রকার গান কেবল বর্ষাকালে পরিবেশিত হয়?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় ধানেরগন্ধের মতো অস্ফুট কে?
- 'ঐকতান' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- মুজিব কাব্যের রচয়িতা কে?
- কোনটি আত্মভাব প্রধান কবিতা?
- স্যাটিন কী?
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' ছোট গল্পে গোপনে তুলসী গাছের পরিচর্যা করতেন কে?
- কোন কোন নদী জলাঙ্গীরে অবিরল জল দেয়?
- "কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় খই।"এই প্রবচনটি রয়েছে যে রচনায়-
- সকল মহামানবই চেয়েছেন হিংসা-দ্বেষ ও হানাহানিমুক্ত একটি বাসযোগ্য নির্মল পৃথিবী। হিংসা আর স্বার্থপরতার বিষবাষ্পে ছেয়ে গেছে বর্তমান বিশ্ব। ভালোবাসাহীন, স্বার্থান্ধ ও মানবিকতাশূন্য এমন পৃথিবীর কথা মহামানবেরা চিন্তাও করেননি। সর্বত্র বিরাজমান সকল অশুভ শক্তির শিকড়কে উপড়ে ফেলে ভালোবাসা ও মানবিকতার ছায়া ছড়িয়ে দিতে পারলেই বাসযোগ্য একটি নির্মল পৃথিবীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।উদ্দীপকের মহামানবদের চাওয়ার সাথে 'সেই অস্ত্র' কবিতার কবির চাওয়ার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- 'সাম্যবাদী' কবিতায় 'দেউল' শব্দটির অর্থ কী?
- সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থ কোনটি?
- কেরোসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে,ভাই বলে ডাক যদি দেব গলা টিপে।হেনকালে গগনেতে উঠিলেন চাঁদা,কেরোসিন বলি উঠে, এসো মোর দাদা। -পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- 'কবর' নাটকটি কোন পটভূমিতে রচিত?
- হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া সিক্ত নীলাম্বরী' কোন কবিতার চরণ ?
- "হিন্দুকুশ" হলো-
- ‘কিত্তনখোলা’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- শহিদ সাবের কে ছিলেন?
- 'সমাজের ধনবৃদ্ধির অর্থ ধনীর ধনবৃদ্ধি।'- ব্যাখ্যা কর।
- 'অনুকরণপ্রিয়তা' নামক আর একটা ভূত তাহাদের স্কন্ধে চাপিয়া আছে"- প্রসঙ্গটিতে লেখিকা কোন বিষয়গুলোর প্রতি আলোকপাত করেছেন?
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্যের সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ করো।
- 'বিড়াল' প্রবন্ধে 'যখন বিচারে পরাস্ত হইবে, তখনগম্ভীরভাবে উপদেশ প্রদান করিবে।'— এ বক্তব্যেপ্রকাশ পেয়েছে-
- "নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিত্য-চন্ডালপ্রভু, ক্রীতদাস!সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;সমগ্রে প্রকাশ!নমি কৃষি-তন্তজীবী, স্থপতি, তক্ষক,কর্ম চর্মকার! কতরাজ্য কত রাজ গড়িছ নীরবেহে পূজ্য, হে প্রিয়!একত্বে বরেণ্য তুমি, শরণ্য এককে-আত্মার আত্মীয়।"উদ্দীপকের শেষ পংক্তি দুটি 'ঐকতান' কবিতার মূলসুরকে ধ্বনিত করে তোলে- বিশ্লেষণ করো।
- রোকেয়ার মতে, নারী শিক্ষার লক্ষ্য কোনটি?
- সন্ধ্যার বাতাসে ঘরে ফেরার মধ্য দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ??দী, মাঠ, কৃষক, লতা, পাখি, গনি মিয়া ও আসমানিকেনিয়ে কল্পনা ও স্বপ্নের মাধুরী দিয়ে চিত্ররূপময় কবিতাউপহার দিয়েছেন জসীমউদ্দীন। গনি মিয়া, আসমানি ওপ্রকৃতিকে নিয়েই জসীমউদ্দীন চিরকাল বেঁচে থাকতেচান। যা কবির কল্পলোকে সম্ভব হলেও বাস্তবে সম্ভব নয়।উদ্দীপকের শেষ অংশ ও 'লোক-লোকান্তর' কবিতায়প্রকাশিত মূল চেতনা—
- ‘বৈতালিক’ উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?