"জীবন ও বৃক্ষ” প্রবন্ধে কোন চক্ষুকে বড় করে তুলতে বলা হয়েছে?
A. চর্ম চক্ষু
B. অস্তর চক্ষু
C. অনুভূতির চক্ষু
D. সবগুলোই
সঠিক উত্তরঃ
C.
অনুভূতির চক্ষু
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'প্রকৃতির ঐকতানস্রোত' বলতে বোঝানো হয়েছে—
- "শঙ্খনীল কারাগার" এর লেখক কে?
- ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ -এর প্রধান বিষয় কী?
- শামসুর রাহমানের জন্মাসাল হচ্ছে?
- ইশান একজন এম.এ পাস যুবক। প্রচলিত ধ্যান-ধারণার সাথে কখনই সে একমত হতে পারে না। তাই তার বন্ধুরা যখন আচার সর্বস্ব ধর্মের আনুষ্ঠানিকতা পালন করে তখন সে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখে। সে নিজের অন্তরধর্ম থেকে অনুভব করেছে সৃষ্টিকর্তা সর্বত্র বিরাজমান। আকাশে খুঁজে তাঁকে পাওয়া যায় না। মানুষের মাঝে তাঁকে খুঁ???তে হবে।"উদ্দীপকের 'ইশানের' তুলনায় 'সাম্যবাদী' কবিতার কবির চেতনা আরও বেশি গভীরে নিহিত।" আলোচনা কর।
- 'নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়' কবিতায় নূরলদীনকাদের জেগে ওঠার আশায় ডাক দিবেন?
- নীচের কোন জন কবি নন ?
- 'ঐকতান' শব্দের অর্থ কী?
- কমলাকান্ত কোন পরিচয়ে আদালতে এসেছেন ?
- 'জোছনা -মায়া'র কথা উল্লেখ করা হয়েছে কোন কবিতায়?
- পৃথিবীর প্রথম জাদুঘর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
- কমলাকান্ত কোন মামলার স্বাক্ষী?
- আমার দেশের মতন এমন দেশ কি কোথাও আছেবউ কথা কও পাখি ডাকে নিত্য হিজল গাছে।দোয়ের কোয়েল কুটুম পাখি, বন-বাদাড়ে যায়রে ডাকিআছে শাপলা শালুক ঝিলে বিলে, পুকুর ভরা মাছে।হাজার তারার মানিক জ্বলে হেথায় মাটির ঘরেসবার মুখের মিষ্টি কথায় সবার হৃদয় ভরে রে।উদ্দীপকটির সাথে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতা কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ বর্ণনা করো।
- কোনটি “সাম্যবাদী” কবিতার চরণ?
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' গল্পে বেসুরো হারমনিয়াম এনেছিল-
- সৈয়দ মুজতবা আলীর 'দেশ- বিদেশ' কোন ধরনের রচনা?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কয়টি নদীর কথা বলা হয়েছে?
- রক্তাক্ত প্রান্তর কোন যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত?
- ’একটি ফটোগ্রাফ’ কোন ছন্দে লেখা?
- মাৎস্যন্যায় (Malsyanayam) বলা হয়-
- বঙ্গভাষা' কবিতায় ষটকের মিলবিন্যাস -
- প্রমথ চৌধুরীর রচনা কোনটি?
- স্কুল শিক্ষক দীপকবাবু জ্ঞান চর্চা করে নিজেকে সমৃদ্ধকরে তুলেছেন। অপরদিকে সে জ্ঞান শিক্ষার্থীর মাঝেবিলিয়ে দিয়ে আলোকিত করছেন তাদের জীবন।স্কুল শিক্ষক দীপকবাবুর জ্ঞান চর্চা 'জীবন ও বৃক্ষ'প্রবন্ধের কোন বিষয়ের ইঙ্গিত বহন করে?
- পৃথিবীর প্রথম জাদুঘর স্থাপিত হয়েছিল কোথায়?
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।"উদ্দীপকে বিধৃত 'কীত্তনখোলা' নাটকে নাট্যকারের যে কীর্তি তা-ই অন্বিষ্ট ছিল 'ঐকতান' কবিতার কবির।"- আলোচনা করো।
- “কেন এ পণ্ডশ্র???, মগজে হানিছ শূল।” – কবি কেনএমন উক্তি করেছেন?
- ‘কৃত্রিম পণ্যে ব্যর্থ হয় গানের পসরা' বলতে বোঝায় -
- "অনন্তকাল ধরে যদি এমনি চলতে পারতাম আমরা ।" উক্তটি কোন গল্পের ?
- "সে তো প্রাঁপ্ত নয়, আত্মবিসর্জন। " কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।"উদ্দীপকের চেতনা ও 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের চেতনা সামগ্রিক দৃষ্টিতে এক নয়"- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- 'কেন সখি কোণে কাদিঁছ বসিয়া'? --- জরণটি তোন রজনায় পাওয়া যায়?
- আহার প্রস্তুত না হওয়ায় কমলাকান্ত হুঁকা হাতে কী ভাবছিলেন?
- সম্প্রতি চিতলমারী গ্রামের অনেক উন্নতি হয়েছে- পাকা রাস্তা, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, ডিশ অ্যান্টেনা মাঝে মাঝে দুই-চারটি পাকা বাড়িও চোখে পড়ে। কিন্তু কৃষিনির্ভর মানুষের ভাগ্যের তেমন পরিবর্তন হয়নি। আগে যারা খেয়ে পরে বছরে দুবিঘা জমি কিনত, এখন বছর শেষে শূন্য। ওই গ্রামের করিম মাস্টার বললেন, 'উন্নতি হবে কেমন করে, এখন তো সবাই সাহেব। আহার, বিশ্রাম, আড্ডা, ভ্রমণ আর হিংসা-দলাদলি নিয়ে মানুষ এখন ব্যস্ত।'উদ্দীপকের চিতলমারী গ্রাম 'চাষার দুক্ষু' রচনায় বর্ণিত কোন শহরের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? তুলনার যৌক্তিকতা তুলে ধরো।
- কোন রচনাটি সামাজিক -রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত নয়-
- 'বাংলাদেশ’ কবিতাটি লিখেছেন
- 'লোক-লোকান্তর' কবিতায় আহত কবির গান পূর্ণতালাভ করে কীভাবে?
- নয়নপুর গ্রামের ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকরা পূর্বে একবেলামাঠে কাজ করত, একবেলা রিকশা চালাত। এখন তারাএক বেলা অটোকিশা চালায়, আরেক বেলা চায়েরদোকানে আড্ডা দেয়। তাদের বাহ্যিক আচরণ দেখেউন্নত মনে হলেও গ্রামের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থাপূর্বের মতোই শোচনীয় রয়ে গেছে। গ্রাম্য মাতব্বরজব্বার মিয়া বিষয়টি সবাইকে বুঝালেন। উদ্দীপকের জব্বার মিয়া 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- 'সবচেয়ে সুন্দর করুণ'-এখানে 'করুণ' বলতে কবি কি বুঝিয়েছেন ?
- বর্তমান বিশ্বের অগ্রগতি নির্ভর করে কৃষকের তথা কৃষিরঅগ্রযাত্রার ওপর |উদ্দীপকের সঙ্গে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধ কীভাবেসাদৃশ্যপূর্ণ?
- লোকায়ত বিশ্বাস এই- শুকদেবপুর গ্রামে দূর অতীতে এক মহাপুরুষের জন্ম হয়েছিল। সকল ধর্মের অনুসারীরাই তাঁর কাছ থেকে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক মঙ্গল লাভের দিক নির্দেশনা পেতো। মানুষই সকল জ্ঞান আর প্রজ্ঞার আধার; প্রয়োজন কেবল সেই মানবাত্মার জাগরণ- ??ই ছিল মানবপ্রেমিক মহাপুরুষের সাধনার মূলকথা। তাঁর শিক্ষা ধারণ করে শুকদেবপুর গ্রাম সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির চরম শিখরে পৌঁছেছে। এখানে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা ধর্মভীরু হলেও তাদের মধ্যে নেই ধর্মীয় উন্মাদনা; ধর্ম তাদের কাছে শোষণহীন ন্যায় বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অবলম্বন।"উদ্দীপকের শুকদেবপুর গ্রামটি যেন 'সাম্যবাদী' সমাজেরই মূর্ত রূপ।"- মূল্যায়ন কর।