গ্রন্থাগার জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডার। এটা জাতীয় ইতিহাস,
ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক বলে মানুষের মনকে
জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
উদ্দীপকটি জাদুঘরে কেন যাব রচনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ,
কারণ—
A.
দৃষ্টিনন্দন ও মনোগ্রাহী
B.
সন্ন্যাসী ও বিদ্যার্থীর সাধনাস্থল
C.
সভ্যতা ও সংস্কৃতির সংরক্ষক
D.
শিল্পকলা ও নৃবিদ্যা চর্চাকেন্দ্র
সঠিক উত্তরঃ
C.
সভ্যতা ও সংস্কৃতির সংরক্ষক
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- “মানুষ পণ করে পণ ভাঙিয়া ফেলিয়া হাঁফ ছাড়িবার জন্য” কার উক্তি?
- “হিন্দু না ওরা মুসলিম ঐ জিজ্ঞাসে কোন জন!কাণ্ডারী বল ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মার।”উদ্দীপকের ভাবের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতারসাদৃশ্যপূর্ণ চরণ হলো—যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম ক্রিশ্চানযেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধানএইখানে বসে ঈসা মুসা পেল সত্যের পরিচয়নিচের কোনটি সঠিক?
- 'সংশপ্তক' গ্রন্থের লেখক কে?
- 'জীবন -বন্দনা ' কবিতায় কবি প্রথমে কার বন্দনা করেছেন?
- অর্থই অনর্থের মূল ' কোন উপন্যাসের উক্তি?
- "গাহি সাম্যের গান-মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়াননাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্ম জাতি,সব দেশে, সব কালে, ঘরে ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।""সাম্যবাদী' কবিতার মূলভাবের সাথে উদ্দীপকে প্রকাশিত ভাব হৃদয়ে লালন করে আমরা সুখী- সমৃদ্ধ সম্প্রীতির সমাজ গড়তে পারব।"- তোমার মতামত তুলে ধরো।
- কোন কোন নদী জলাঙ্গীরে অবিরল জল দেয়?
- 'মার্টিনো পড়িয়া রহিল।' বাক্যটি কোন গল্পের?
- কবি জসীমউদ্দীন কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- ’অর্ধাঙ্গী’ রচনায় উল্লেখিত ভগিনীদের রোগের নাম-
- ‘পরোপকারই পরম ধর্ম’- কোন রচনার অন্তর্গত?
- পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত কবি জসীমউদ্দীন 'নক্সী কাথারমাঠ', 'রাখালী', 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' কাব্যে নিখুঁতভাবেউপস্থাপন করেছেন গ্রামের অবহেলিত মানুষের দৈনন্দিনজীবনচিত্র। উদ্দীপকের জসীমউদ্দীন 'ঐকতান' কবিতার আলোকেকোন ধরনের কবি?
- "তরুতলে বসে পান্থ শ্রান্তি করে দূরফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুর।বিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়,তবু তবু অকাতর, কিছু নাহি কয়।দুর্লভ মানব জন্ম পেয়েছো যখনতরুর আদর্শ কর জীবনে গ্রহণপরার্থে আপন সুখ দিয়ে বিসর্জনতুমিও হওগো ধন্য তরুর মতন।""জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বিকাশ ও দানের কথা বর্ণিত হলেও উদ্দীপকে শুধুই ত্যাগের মহিমা কীর্তন করা হয়েছে।"- বিশ্লেষণ কর।
- 'একুশের গল্পে' করােটি টি কার?
- কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক..... দাঁত ভাল থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু।উদ্দীপকের মূলবক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- ’সূর্য-দীঘল বাড়ী’র প্রধান বিষয় কী?
- "স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;পড়ি কি ভূতলে শশী খান গড়াগড়িধূলায়?” – বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- 'সাম্যবাদী' কবিতায় কবি কোথায় ঈশ্বরকে খুঁজতে বলেছেন?
- মুনীর চৌধুরী রচিত ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’ একটি-
- ‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?