'মন্দভাগ্যের কথা মানা যায় কিন্তু সহ্য করা যায় না ।' বাক্যটি কোন রচনার ?
A. একটি তুলসী গাছের কাহিনী
B. বিলাসী
C. সৌদামিনী মালো
D. একুশের গল্প
সঠিক উত্তরঃ
A.
একটি তুলসী গাছের কাহিনী
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি’ কাব্যগ্রন্হটির রচয়িতা কে?
- মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কেউ কিছু বলতে পারে না’ একটি-
- লোকায়ত বিশ্বাস এই- শুকদেবপুর গ্রামে দূর অতীতে এক মহাপুরুষের জন্ম হয়েছিল। সকল ধর্মের অনুসারীরাই তাঁর কাছ থেকে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক মঙ্গল লাভের দিক নির্দেশনা পেতো। মানুষই সকল জ্ঞান আর প্রজ্ঞার আধার; প্রয়োজন কেবল সেই মানবাত্মার জাগরণ- এই ছিল মানবপ্রেমিক মহাপুরুষের সাধনার মূলকথা। তাঁর শিক্ষা ধারণ করে শুকদেবপুর গ্রাম সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির চরম শিখরে পৌঁছেছে। এখানে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা ধর্মভীরু হলেও তাদের মধ্যে নেই ধর্মীয় উন্মাদনা; ধর্ম তাদের কাছে শোষণহীন ন্যায় বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অবলম্বন।উদ্দীপকের 'মানবাত্মার জাগরণ' 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন বক্তব্যের প্রতিফলন? যুক্তিসহ লেখ।
- ’স্বাধীনতা তুমি’ কবিতায় স্বাধীনতাকে কবি শামসুর রাহমান কার হাসির সঙ্গে তুলনা করেছেন?
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' গল্পে বাগানের সখ ছিল কার?
- সকল মহামানবই চেয়েছেন হিংসা-দ্বেষ ও হানাহানিমুক্ত একটি বাসযোগ্য নির্মল পৃথিবী। হিংসা ???র স্বার্থপরতার বিষবাষ্পে ছেয়ে গেছে বর্তমান বিশ্ব। ভালোবাসাহীন, স্বার্থান্ধ ও মানবিকতাশূন্য এমন পৃথিবীর কথা মহামানবেরা চিন্তাও করেননি। সর্বত্র বিরাজমান সকল অশুভ শক্তির শিকড়কে উপড়ে ফেলে ভালোবাসা ও মানবিকতার ছায়া ছড়িয়ে দিতে পারলেই বাসযোগ্য একটি নির্মল পৃথিবীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।"উদ্দীপকের মূলভাব 'সেই অস্ত্র' কবিতার মূলভাবকে অনেকাংশেই ধারণ করতে পেরেছে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- ‘পাঞ্জেরি’ কবিতার পর্ববিন্যাস মূলত এ রকম
- “সাম্যবাদী' কবিতায় সাম্যের ভিত্তি কী?
- নিজেকে জানা হচ্ছে শিক্ষার মৌলিক উদ্দেশ্য যার অর্থপ্রকৃত অর্থে মানুষ হয়ে ওঠা। অথচ আজকের দুনিয়ায়শিক্ষিত হয়ে অনেকেই মানবিক গুণ অর্জন করতে ব্যর্থহচ্ছে, ব্যর্থ হচ্ছে শিক্ষা।উদ্দীপকটি কোন বিবেচনায় 'সাম্যবাদী' কবিতারপ্ৰতিফলন ?উদ্দেশ্য সফল না হওয়ামানবিক গুণ অর্জনের ব্যর্থতাচিরকালীন সমাজবাস্তবতানিচের কোনটি সঠিক?
- ”ময়নামতি চর” কাব্যটির রচয়িতা কে?
- 'অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে'- কার গান?
- ‘হাজার বছর ধরে’ রচনাটি কার?
- সত্যি এক ইউনিক ব্যাপার ' - কোন কবিতার অন্তর্গত ?
- ‘শেষ রাত্রির তারা' কে লিখেছেন ?
- আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় আলপথ দিয়ে হাজার বছর চলি।চলি পলিমাটি কোমলে, আমার চলার চিহ্ন ফেলে।তেরোশত নদী শুধায় আমাকে, 'কোথা থেকে তুমি এলে?'উদ্দীপকে প্রতিফলিত চেতনা ব্যক্ত হয়েছে নিচেরকোন চরণে?
- ‘চাচা কাহিনী’র লেখক কে?
- ‘সামাজিক ধনবৃদ্ধি ব্যতীত সমাজের উন্নতি নাই।' উক্তিটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- লেখক কোথায় কোহিনুর দেখতে পেলেন?
- বৃক্ষের সার্থকতা প্রকাশ কোনটি সমর্থিত?
- "যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান।"- ব্যাখ্যা করো।
- বারুণী কে?
- 'দেশবিভাগের অব্যাবহিত পর পরিত্যক্ত বাড়িটি দখল করেছিল কলকাতার ঘিঞ্জি এলাকায় মাথা ঘুরে দুর্বিষহ জীবনযাপন করা উদ্বাস্ত কয়েকজন মানুষ।'বাক্যটিতে ভুলের সংখ্যা-
- 'শিরে দিয়ে বাঁকা তাজঢেকে রাখে টাক'- উক্তিটির মর্মার্থ লেখ
- কোন নদীর পলিতে 'গলিতে হেম' আছে?
- ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ -এর প্রধান বিষয় কী?
- ছাত্র: বৃক্ষ থেকে আমরা কী শিখতে পারি?শিক্ষক: বৃক্ষ মানুষের পরম বন্ধু ও শিক্ষক। মাটি ফুঁড়েনিজের জন্ম থেকে ফুলে-ফলে বিকশিত হওয়া পর্যন্ত সেমানুষকে শিক্ষা দিয়ে থাকে। উক্তিতে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের নিচের কোন চরণটিরঅধিকতর মিল পাওয়া যায়?
- হৈরব আর ভৈরব দুই ভাই। চিন্তা-চেতনায় স্বার্থে পরার্থেযোজন দূরের বাসিন্দা তারা; কিন্তু তাদের মা দুরারোগ্যব্যধিতে আক্রান্ত হলে বিভেদ ভুলে হৈরব ভৈরবকে মায়েরচিকিৎসায় তার পাশে থাকার অনুরোধ জানায়। ভৈরব স্বার্থচিন্তা ত্যাগ করে বিনা দ্বিধায় বড় ভাইয়ের পাশে দাঁড়ায়।উদ্দীপকের ভৈরব ও মিরজাফর চরিত্রে যুগপৎপ্রতিফলিত—
- সকল মহামানবই চেয়েছেন হিংসা-দ্বেষ ও হানাহানিমুক্ত একটি বাসযোগ্য নির্মল পৃথিবী। হিংসা আর স্বার্থপরতার বিষবাষ্পে ছেয়ে গেছে বর্তমান বিশ্ব। ভালোবাসাহীন, স্বার্থান্ধ ও মানবিকতাশূন্য এমন পৃথিবীর কথা মহামানবেরা চিন্তাও করেননি। সর্বত্র বিরাজমান সকল অশুভ শক্তির শিকড়কে উপড়ে ফেলে ভালোবাসা ও মানবিকতার ছায়া ছড়িয়ে দিতে পারলেই বাসযোগ্য একটি নির্মল পৃথিবীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।উদ্দীপকের মহামানবদের চাওয়ার সাথে 'সেই অস্ত্র' কবিতার কবির চাওয়ার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- ‘সেই অস্ত্র' কবিতায় সভ্যতার সেই প্রতিশ্রুতি দ্বারাবোঝানো হয়েছে—
- 'আগুইনা চিতা' কি?
- আহার প্রস্তুত না হওয়ায় কমলাকান্ত হুঁকা হাতে কী ভাবছিলেন?
- শামসুর রাহমানের জন্মাসাল হচ্ছে?
- বঙ্গ ভাষা কবিতাটির পূর্ব নাম কি ছিল?
- শিক্ষকতার দীর্ঘ জীবনে রহিম সাহেবের কাছে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় কখনো বড়ো হয়ে ওঠেনি। জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি আশপাশের মানুষদের মানবতাবাদে দীক্ষিত করা ছিল তাঁর জীবনব্রত। এখন তাঁর অবসর কাটে সামাজিক আর ব্যক্তি মানুষের কল্যাণকর্মে। ধর্মীয় গোঁড়ামি কিংবা অন্ধ সংস্কারের কারণে সমাজে যখন অনাচার দেখা দেয় তখন রহিম সাহেব সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের প্রায়ই চন্ডীদাসের সেই অমর উচ্চারণ মনে করিয়ে দিতেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।"উদ্দীপকের রহিম সাহেবের জীবনানুভূতির সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতায় প্রতিফলিত কবির জীবনদর্শনের তুলনা করো।
- “আমি যদি খাইতে না পাইলাম, তবে সমাজেরউন্নতি লইয়া কী করিব?” “বিড়াল' প্রবন্ধের এউক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- কোন্ জন নােবেল পুরস্কার পান নি?
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্যের সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ করো।
- "একত্তে বরেণ্য তুমি /শরণ্য এককে/ আত্নার আত্মীয়" পরক্তিটি কোন কবিতার?
- অন্ধকারটা স্বপ্ন, অলীক। আলোটাই সত্য ,আলোটাই স্থায়ী।' উক্তি করেন---
- বাংলার নিসর্গ প্রকৃতি এর মাঠ-ঘাট, মানুষ অতুলনীয় এবং বিশেষ আবেদনময়। যে জন এই নিসর্গ প্রকৃতি থেকে নগরের আহ্বানে সেখানে স্থায়ী বসতি গড়েন, তাকেও তার এক কালের পল্লি প্রকৃতি বারবার আকর্ষণ করে; ষড়ঋতু তার মনে আবেগের রংধনু তোলে। এর শাশ্বত কারণ হলো, মানুষ স্বভাবতই তার নিজ ভূমের প্রতি ঋণী।"প্রকৃতির চিত্র উপস্থাপনে উদ্দীপকের সাথে- জীবনানন্দ দাশ সমান পারঙ্গম।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।