প্রতিটি গ্রহের পর্যায়কালের বর্গ সূর্য হতে ঐ গ্রহের গড় দূরত্বের ঘনফলের সমানুপাতিক। নিচের কোন বিজ্ঞানী সূত্রটির প্রবক্তা?
MEDICALপদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রমহাকর্ষ ও অভিকর্ষকেপলারের সূত্র (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
কেপলার
Explanation: প্রতিটি গ্রহের পর্যায়কালের বর্গ সূর্য থেকে গড় দূরত্বের ঘনফলের সমানুপাতিক সূত্রটি কেপলারের সূত্র। সঠিক উত্তর D। A, B, এবং C ভুল কারণ তারা এই সূত্রের প্রবর্তক নন। নোট: কেপলারের সূত্র সৌরজগতের গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
Another Explanation (5):
কেপলারের গ্রহীয় গতির তৃতীয় সূত্র 🪐
বিজ্ঞানী জোহানেস কেপলার ১৬১৯ সালে গ্রহীয় গতির তৃতীয় সূত্রটি প্রকাশ করেন। এটি "পর্যায়কালের সূত্র" নামেও পরিচিত।
সূত্রের মূল বক্তব্য 📝
সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান কোনো গ্রহের পর্যায়কালের বর্গ (T²) গ্রহটির কক্ষপথের গড় দূরত্বের ঘনফলের (r³) সমানুপাতিক।
গাণিতিক প্রকাশ ➕
গাণিতিকভাবে এই সূত্রটি এভাবে লেখা যায়:
T² ∝ r³
অথবা,
T² = k * r³
যেখানে, k একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক।
সূত্রের ব্যাখ্যা 💡
- পর্যায়কাল (T): একটি গ্রহ সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে যে সময় নেয়। ⏱️
- গড় দূরত্ব (r): গ্রহের কক্ষপথ উপবৃত্তাকার হওয়ায় সূর্য থেকে গ্রহের দূরত্বের গড় মান। 📏
সূত্রের তাৎপর্য 🔭
- এই সূত্র ব্যবহার করে সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহের কক্ষপথ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
- সূর্য থেকে গ্রহের দূরত্ব বাড়লে পর্যায়কাল বাড়ে, অর্থাৎ দূরের গ্রহগুলো ধীরে ঘোরে। 🐌
- মহাকাশ বিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বিদ্যায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। ✨
বিভিন্ন গ্রহের ক্ষেত্রে পর্যায়কাল এবং গড় দূরত্ব 📊
| গ্রহের নাম | পর্যায়কাল (বছর) | গড় দূরত্ব (AU) |
|---|---|---|
| বুধ ☿ | ০.২৪ | ০.৩৯ |
| শুক্র ♀️ | ০.৬২ | ০.৭২ |
| পৃথিবী 🌍 | ১.০০ | ১.০০ |
| মঙ্গল ♂️ | ১.৮৮ | ১.৫২ |
| বৃহস্পতি ♃ | ১১.৮৬ | ৫.২০ |
| শনি ♄ | ২৯.৪৬ | ৯.৫৪ |
| ইউরেনাস ⛢ | ৮৪.০১ | ১৯.১৯ |
| নেপচুন ♆ | ১৬৪.??৯ | ৩০.০৬ |
AU: অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট (Astronomical Unit)। এটি পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব।
কিছু অতিরিক্ত তথ্য 🤔
- কেপলারের সূত্রগুলো নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কারের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। 💪
- এই সূত্র শুধুমাত্র সৌরজগতের গ্রহের ক্ষেত্রেই নয়, যেকোনো দুইটি বস্তুর মধ্যে মহাকর্ষীয় আকর্ষণ থাকলে তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ✅
আশা করি, কেপলারের গ্রহীয় গতির তৃতীয় সূত্রটি বুঝতে পেরেছেন। 🚀