বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
A. ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত
B. ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত
C. ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত
D. ১৯৫২ সাল পর্যন্ত
সঠিক উত্তরঃ
A.
১৯৫৫ সাল পর্যন্ত
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ’ভয় নাই হবে জয়।’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- "সেইদিন আজো জ্বলজ্বলে স্মৃতি, যেদিন মহানবিজয়ী বীর দূর দেশে থেকে স্বদেশে এলেন ফিরে।শুনেছি সেদিন জয়ঢাক আর জন-উল্লাস;পথে-প্রান্তরে তাঁরই কীর্তন, তিনিই মুক্তিদূত।নিহত এ্যাগামেমনন, কবরে শায়িত আজ।"উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো'র বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে- তোমার মতামত দাও।
- ১৯৭১ সাল, জুন-জুলাই মাসে প্রচণ্ড বর্ষা হচ্ছে। বৃষ্টিরপানিতে রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। এই বর্ষায় রাস্তার মধ্যে খাদবুঝতে না পেরে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি জিপ উলটে যায়।উদ্দীপকের প্রাকৃতিক অবস্থাকে 'রেইনকোট' গল্পেকী নামে উপস্থাপন করা হয়েছে?
- ১৯৫২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির জন্যকয়টি অর্ডার এসেছিল?
- বন্ধু, তোমার ছাড় উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ কর চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোত রুখে, তন্দ্রাকে কর ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে হয়ে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোল ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়াস্তে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের প্রতিবাদের ভাষার যে বৈসাদৃশ্য ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখ।
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'যদিও তিনি বিদ্বান তবু তাঁর অহংকার নাই' - কোন ধরনের বাক্য ?
- রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই এই দাবিতে ধর্মঘটবরকত সালামের খুনে লাল ঢাকা রাজপথ।স্মৃতিসৌধ ভাঙিয়াছ জেগেছে পাষাণের প্রাণমোরা কি ভুলিতে পারি খুনে রাঙা জয় নিশান।উদ্দীপকের ঘটনার আলোকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।
- আফ্রিকার জনমানুষের প্রিয় নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। বর্ণবাদ, বৈষম্য আর শোষণ নিপীড়নের প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার কালো মানুষগুলোর দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্বের পুরোধা ছিলেন তিনি। তাঁকে সইতে হয়েছে নির্যাতন, খাটতে হয়েছে জেল, সাতাশ বছর সশ্রম কারাভোগ ও ত্যাগের বিনিময়ে আফ্রিকার মানুষদের মুক্তি তথা স্বাধীনতা অর্জিত হয়।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে "বায়ান্নর দিনগুলো" রচনার লেখকের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি তুলে ধর।
- আমারে তোমার বুকে টেনে লও রাজাআমি হিন্দু না- আমি না মোছলমানযাবজ্জীবন কারাবাসসহ সাজাদেশাত্তরের খাঁটি নিষ্পাপ প্রাণ। (সত্যগুহ)উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সমগ্রভাব ফুটে উঠেছে কি? মতামত দাও।
- মুক্তির মন্দির সোপানতলেকত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলে।কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে-রাঙাবন্দিশালার ওই শিকল ভাঙাতাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে,যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।"উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "মুক্তি দিলে খাব, না দিলে খাব না"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সে দেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেফতার করেন এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায়? যুক্তিসহ আলোচনা কর।
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিতহয়েছে?
- মুক্তির মন্দির সোপানতলেকত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলেকত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,বন্দিশালার ওই শিকল ভাঙাতাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে,যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।উদ্দীপকটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কত সালে প্রকাশিত হয়?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।'—উক্তিটির মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রের কোন পরিচয় পাওয়া যায়?
- “শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করা উচিত' এটা কোন ধরনের বাক্য?
- 'এভাবে মৃত্যুবরণ করে কী লাভ হবে?' 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় উক্তিটি কার?
- "সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়" কোন বর্তমান কালের উদাহরণ?