বাংংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক কোনটি?
A. কৃষ্ণকুমারী
B. পদ্মাবতী
C. শর্মিষ্ঠা
D. বিসর্জন
সঠিক উত্তরঃ
C.
শর্মিষ্ঠা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- এ পবিত্র বাংলাদেশবাঙালির-আমাদের।দিয়া প্রহারেণ ধনঞ্জয়তাড়াব আমরা, করি না ভয়যত পরদেশি দস্যু ডাকাতরামাদের গামাদের।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কেন মিরজাফর চক্রকে বন্দি করেননি?
- কোন নদীর তীরে পলাশী অবস্থিত?
- বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা মহাকালের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে বাঙালিরা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং বাংলার স্বপ্নের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনেন। রাজনীতির মহাকবি বঙ্গবন্ধু সুখী-সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আজীবন কাজ করে গেছেন। অথচ এই দেশেরই মানুষরূপী নরপশু-হায়েনার দল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করে।উদ্দীপকের নরপশু-হায়েনার দল 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?- ব্যাখ্যা কর।
- রহিম গাজীর খুব কাছের লোক ছিল শিহাব উদ্দীন। সে তাকে বিশ্বাস করে তার জমিজমা দেখাশোনার ভার দেয়। কিন্তু একদিন রহিম গাজী দেখে তার সম্পত্তি শিহাব উদ্দীনের নামে হয়ে আছে। সে ভাবল এত দিন সে ভুল মানুষকে বিশ্বাস করেছে। বিশ্বাস করা ভালো, কিন্তু অন্ধবিশ্বাস কখনো কখনো মানুষকে সর্বনাশ করে ফেলে।'বিশ্বাস করা ভালো, কিন্তু অন্ধবিশ্বাস কখনো কখনো মানুষকে সর্বনাশ করে ফেলে'- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'ভিক্টরি অব ডেথ' উক্তিটি কার?
- ওয়ার্ল্ড গার্ডেন নেটওয়ার্ক নামে একটি বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি সারা দেশ ব্যাপী প্রসার লাভ করে। স্বল্প বিনিয়োগে মোটা অংকের মুনাফা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা দেশের সাধারণ মানুষের নিকট হতে টাকা তোলা শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যে কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোম্পানিটি এক রাতের মধ্যে সারা দেশ হতে গায়েব হয়ে যায়। এই ভুয়া কোম্পানির নিকট দেশের সাধারণ মানুষগুলো তাদের সর্বস্ব খুইয়ে দারুণভাবে প্রতারিত হয়।উদ্দীপকের কোম্পানির উদ্দেশ্যে এবং 'সিরাজউদ্দৌলা ' নাটকে বর্ণিত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্দেশ্য একই সূত্রে গাঁথা'- তোমার মতামত দাও।
- সিরাজ তাঁর চারপাশে 'দেয়াল' বলেছেন কোনটিকে?
- 'আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- নরওয়েতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন ভিদকুন কুইজলিং। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি জার্মান শাসক হিটলারের সাথে গোপন আঁতাত করেন। হিটলার নরওয়ে আক্রমণ করলে কুইজলিং রাজধানী থেকে ৫০ কি.মি. দূরে ঘাঁটি গড়েন এবং নরওয়ে সরকার পরাজিত হয়ে পালিয়েছে- এ মর্মে অপপ্রচার চালাতে থাকেন। অতঃপর হিটলার নরওয়ে জয় করার পর কুইজলিংকে সরকার প্রধানের দায়িত্ব দেয়।'কুইজলিংরা থাকে বলেই যুগে যুগে হিটলাররা নরওয়ে জয় করে।'-উক্তিটির আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনি বিশ্লেষণ করো।
- সিরাজের শ্বশুরের নাম কী?
- মনসুর, অপু, তাহেরসহ মোট বারোজন মিলে নিজেদেরউন্নতির জন্য একটি সমিতি গঠনে করে। সবাই প্রতি মাসেপাঁচশ টাকা করে তাহেরের কাছে জমা রাখে। কিছুদিন পরতাহের সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয়দৃশ্যের ঘটনাগুলো সংঘটনের স্থান কোনটি?
- 'ওই একটি পথেই আবার আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।' - কে কাকে, কোন প্রসঙ্গে উক্তিটি করেছেন?
- মোহনলাল কে?
- ঘসেটি বেগম কেন সিরাজের ধ্বংস কামনা করেন?
- 'মাকড়সা' সিকানদার আবু জাফরের কী ধরনের রচনা?
- "আপনাকে আমরা মায়ের মত ভালবাসি।" ঘসেটি বেগমকে উদ্দেশ্য করে একথা বলেছিল-
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপোষহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষণকারী, স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ সর্বোপরি ১৯৭১ সনে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর সঠিক নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম 'বাংলাদেশ' নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানিদের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সনের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।'উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলা চরিত্রের সাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে উক্তিটি কার?
- 'ইউ ক্যান ফিল রিয়েলি সেফ নাও।' ক্লাইভ যাকে এ কথা বলেছেন
- প্রগতিশীল যুবক আকাশ শহর থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করে এক সময় নিজ গ্রাম শিবালয়ে ফিরে আসে। তার গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তাই গ্রামের মানুষকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে গ্রামে একটা স্কুল প্রতিষ্ঠা- করতে চায় আকাশ। এর জন্য গ্রামের লোকজনকে ডেকে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। সভায় গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি ছমির মিয়া নিজের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার ভয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে এবং তাকে কৌশলে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য করে।"উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের খণ্ডচিত্র মাত্র, সামগ্রিক চিত্র নয়।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'দওলত' আমার কাছে ভগবানের দাদা মশায়ের চেয়ে বড়ো'- উক্তিটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ‘ইনি কি নবাব না ফকির’ কে, কাকে উদ্দেশ্য করে বলেছে?
- স্বার্থপর ক্লডিয়াস রানির সাথে হাত মিলিয়ে রাজা হ্যামলেটকে হত্যা করে।উদ্দীপকের রাজা হ্যামলেট "সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।'- ব্যাখ্যা করো।
- অটোমান সাম্রাজ্যের একমাত্র অধিপতি সুলতান সুলেমান খান। সুলতানের নিকটস্থ ও পদস্থ সেনাপতিরা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তারা সুলতানকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। সুলতান তা জেনেও কোনো উপযুক্ত দণ্ডাদেশ দিতে অপারগ। হীন চক্রান্তের ফলে নৃশংসভাবে নিহত হয় সুলতান।'বিশ্বাসঘাতকরা কেবল অটোমান সাম্রাজ্যেই নয়, এই বাংলাতেই বিচরণ করেছে।'- উক্তিটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপোষহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষণকারী, স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ সর্বোপরি ১৯৭১ সনে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর সঠিক নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম 'বাংলাদেশ' নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানিদের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সনের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।"উদ্দীপকের শেখ মুজিবুর রহমান এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলা দু'জনেই দেশপ্রেমী এবং নির্মম ষড়যন্ত্রের শিকার"- উক্তিটির তাৎপর্য বিচার করো।
- কাকে ঘুষ খাইয়ে চন্দন নগর ধ্বংস করা হয়েছে?
- পারিবারিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ন্যায্য সুবিধাদেওয়ার দাবিতে অনড় থাকায় সুবিধাভোগীদের সহায়তায়অতি আদরের ভাতিজা নাজিমের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ষড়যন্ত্রেলিপ্ত হয় চাচা কামরুল ।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনবিষয়টিকে ধারণ করেছে?
- " সিরাজউদ্দৌলা'' নাটকটি কয় অঙ্কে বিভক্ত ?
- ধণাঢ্য ব্যাসায়ী ফিরোজ আহমেদ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। শুধু তা-ই নয় প্রাণ হারানোর ভয়ে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের দিয়ে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ফিরোজ আহমেদের স্ত্রী সায়মা স্বামীর এই দুরবস্থার কারণে সব সময় সঙ্গে সঙ্গে থাকেন। শোকে যন্ত্রণায় কাতর ফিরোজ বছর দুই পরেই মৃত্যুবরণ করে। স্বামীর মৃত্যুর পরে সায়মা তার স্মৃতি নিয়ে একাকী জীবন কাটান। ফিরোজ আহমেদর চাচাতো ভাই ফরিদ সায়মাকে বিয়ে করার অনেক চেষ্টা করেও বিফল হয়।'উদ্দীপকের ফিরোজ আহমেদ ও সিরাজউদ্দৌলার করুণ পরিণতির মূল কারণ ষড়যন্ত্র।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'শুভকাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।' ব্যাখ্যা কর।
- 'ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করছি কোম্পানির টাকার জন্য।তা বলে বাঙালি কাপুরুষ নয়।'- ওয়ালি খানের এইউক্তিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।'- উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- 'আমি গভর্নর ড্রেকের ধ্বংস দেখতে চাই।'—উক্তিটি কে কাকে করেছে?
- কার নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়?