যে সার্বিক বিবৃতি দিয়ে কোনাে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব শুরু হয় তাকে বলা হয়-
BruRUnit-Dপদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রভৌত জগৎ ও পরিমাপপদার্থবিজ্ঞানের পরিসর ও বিজ্ঞানী ও তাদের অবদান (Topic Practice)BruR - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
স্বীকার্য
Explanation:
প্রথাগত যুক্তি অনুসারে, স্বীকার্য বা স্বতঃসিদ্ধ এমন এক ধরনের উক্তি বা সাক্ষ্য যা এখনো প্রমাণ হয়নি বা ব্যাখ্যা করা হয়নি, কিন্তু সত্য বলে ধরে নেওয়া হয় বা স্বীকার করে নেওয়া হয়। ধরে নেওয়া হয়, এ ধরনের উক্তি বা সাক্ষ্য নিজেই নিজের প্রমাণ এবং কোন প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হতে অবশ্যই এদের সত্য বলে ধরে নিতে হয়।
Another Explanation (5):
বিজ্ঞান তত্ত্বের শুরু: স্বীকার্য
বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের যাত্রা শুরু হয় একটি সার্বিক বিবৃতি দিয়ে। এই বিবৃতিটি সাধারণত কিছু মৌলিক ধারণা বা ধারণার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। একেই স্বীকার্য বলা হয়।
স্বীকার্যের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি একটি প্রস্তাবনা যা পরীক্ষা বা প্রমাণের আগে সত্য বলে ধরে নেওয়া হয়। 🤔
- এটি একটি যুক্তিবাদী কাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করে।
- স্বীকার্যগুলি সাধারণত সরল এবং স্পষ্ট হয়। 💡
- এগুলি পরবর্তীতে অন্যান্য অনুমিতি এবং সিদ্ধান্তের ভিত্তি হিসাবে কাজ করে।
উদাহরণ:
যেমন, ইউক্লিডীয় জ্যামিতিতে কিছু স্বীকার্য আছে:
- একটি সরলরেখা দুটি বিন্দুর মধ্যে আঁকা যায়। 📏
- যে কোন রেখাংশকে সরলভাবে সম্প্রসারিত করা যায়।
- যে কোন কেন্দ্র এবং ব্যাসার্ধ থেকে একটি বৃত্ত আঁকা যায়। ⭕
বিভিন্ন প্রকার স্বীকার্য:
| প্রকার | বর্ণনা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| মৌলিক স্বীকার্য | যা কোন প্রমাণ ছাড়াই সত্য বলে ধরে নেওয়া হয়। | "দুটি সমান্তরাল সরলরেখা কখনও মিলিত হয় না।" |
| কার্যকরী স্বীকার্য | যা একটি বিশেষ তত্ত্ব বা মডেলের জন্য ধরে নেওয়া হয়। | "আলো সরলরেখায় চলে।" |
স্বীকার্যের গুরুত্ব:
স্বীকার্য ছাড়া কোন বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব তৈরি করা সম্ভব নয়। এটি একটি শক্তিশালী ভিত্তি যা একটি তত্ত্বকে সমর্থন করে এবং নতুন জ্ঞানের অনুসন্ধানে সাহায্য করে। 🚀
আরও জানতে এবং বিস্তারিত তথ্যের জন্য উইকিপিডিয়া দেখুন। 📚
আশা করি, এই আলোচনা থেকে স্বীকার্য সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊
ধন্যবাদ! 🙏