DNA অণুর মধ্যে কোন ধরনের স্যুগার পাওয়া যায়?
CVASUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ রসায়নকার্বোহাইড্রেট বা শর্করা (Topic Practice)CVASU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
ডিঅক্সিরাইবোজ
Explanation:

Another Explanation (5):
ডিএনএ (DNA) অণুতে ডিঅক্সিরাইবোজ শর্করা 🧬
ডিএনএ বা ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড হলো বংশগতির ধারক ও বাহক। এর গাঠনিক উপাদানগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো শর্করা। ডিএনএ অণুতে যে শর্করাটি পাওয়া যায়, সেটি হলো ডিঅক্সিরাইবোজ।
ডিঅক্সিরাইবোজ: একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ 🔍
- নাম: ডিঅক্সিরাইবোজ (Deoxyribose)
- প্রকার: এটি একটি পেন্টোজ শর্করা (অর্থাৎ ৫ কার্বনযুক্ত শর্করা)। 🖐️
- অবস্থান: ডিএনএ-এর নিউক্লিওটাইডের একটি অপরিহার্য অংশ।
- কাজ: ডিএনএ-এর গঠন তৈরি করা এবং নিউক্লিওবেসগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে জেনেটিক কোড তৈরি করা।
- বৈশিষ্ট্য: রাইবোজে একটি অক্সিজেন পরমাণু কম থাকে (ডি-অক্সি)। 💨
রাইবোজ ও ডিঅক্সিরাইবোজের মধ্যে পার্থক্য 📊
| বৈশিষ্ট্য | রাইবোজ (Ribose) | ডিঅক্সিরাইবোজ (Deoxyribose) |
|---|---|---|
| অক্সিজেন পরমাণু | ২ নম্বর কার্বনে OH গ্রুপ বিদ্যমান। ✅ | ২ নম্বর কার্বনে H গ্রুপ বিদ্যমান (একটি অক্সিজেন কম)। ❌ |
| গঠন | আরএনএ (RNA) এর গাঠনিক উপাদান। | ডিএনএ (DNA) এর গাঠনিক উপাদান। |
| স্থায়িত্ব | তুলনামূলকভাবে কম স্থিতিশীল। 📉 | তুলনামূলকভাবে বেশি স্থিতিশীল। 📈 |
ডিএনএ-তে ডিঅক্সিরাইবোজের ভূমিকা 🧬
- কাঠামো গঠন: ডিঅক্সিরাইবোজ ফসফেট গ্রুপের সাথে মিলিত হয়ে ডিএনএ-এর ব্যাকবোন তৈরি করে। 🦴
- জেনেটিক তথ্য ধারণ: এই শর্করা নিউক্লিওবেসগুলোর (অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন, থাইমিন) সাথে যুক্ত হয়ে জেনেটিক কোড তৈরি করে, যা জীবের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। 🧬️🔬
- স্থিতিশীলতা প্রদান: ডিঅক্সিরাইবোজের বিশেষ গঠন ডিএনএ অণুকে স্থিতিশীলতা প্রদান করে, যা বংশগতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 🛡️
পরিশেষে, ডিঅক্সিরাইবোজ শর্করা ডিএনএ অণুর একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান, যা বংশগতির তথ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ❤️
Option A Explanation:
- ডিঅক্সিরাইবোজ: এটি একটি পঞ্চকার্বনযুক্ত শর্করা (কার্বোহাইড্রেট) যা একটি সুগার বা চিনি।
- অন্য নাম: ডিঅক্সিরাইবোজ হলো রাইবোজের ডিঅক্সি সংস্করণ, যা ডিএনএর মূল গঠন উপাদান।
- অণুর গঠন: এতে পাঁচটি কার্বন পরমাণু থাকে, যা এটিকে পঞ্চকার্বনযুক্ত শর্করা হিসেবে পরিচিত করে।
- প্রয়োগ: ডিঅক্সিরাইবোজ ডিএনএ (ডিওক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) এর গঠন উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
- ইরিথ্রোজ (Erythrose): ইরিথ্রোজ একটি ক্ষুদ্র অর্ধ-স্নেহযুক্ত কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা, যা টেট্রোজ নামে পরিচিত।
- রাসায়নিক গঠন: এটি একটি ৪ কার্বন পরমাণু সহ শর্করা, যার রাসায়নিক সূত্র C4H8O4।
- প্রকার: এটি একটি টেট্রোজ, অর্থাৎ এতে চারটি কার্বন পরমাণু রয়েছে।
- প্রকারভেদ: ইরিথ্রোজ সাধারণত ডাইহাইড্রোক্সি অ্যসিটোন বা ডায়হাইড্রক্সি অ্যাল্ডিহাইড হিসেবে পাওয়া যায়।
- ব্যবহার: ইরিথ্রোজ বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়, যেমন কার্বোহাইড্রেটের গঠন বিশ্লেষণে।
Option C Explanation:
- প্রবেশের প্রক্রিয়া: গ্লুকোজ সাধারণত কোষঝিল্লি দিয়ে প্রবেশ করে মূলত সক্রিয় এবং অর্ধসক্রিয় পরিবহনের মাধ্যমে।
- প্রধান পরিবহন পদ্ধতি: ফ্যাসিলিটেড ডিফিউজন (Facilitated Diffusion) দ্বারা গ্লুকোজ সহজে কোষের ভিতরে প্রবেশ করে।
- প্রয়োজনীয়তা: শরীরের শক্তির জন্য গ্লুকোজ গুরুত্বপূর্ণ উৎস, তবে এটি সহজে অতিক্রম করতে পারে না কারণ এটি জলদ্রবী এবং বড় আকারের পণ্য।
- কোষঝিল্লির সীমাবদ্ধতা: কোষঝিল্লি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবহন নিশ্চিত করে, তাই গ্লুকোজের মতো বড় বা জলদ্রবী molecules এর জন্য বিশেষ পরিবহন প্রোটিনের প্রয়োজন হয়।
Option D Explanation:
- রাইবোজ হলো একটি পঞ্চকার্বন-অ্যামাইন অণু, যা সাধারণত অর্থের মধ্যে পাওয়া যায়।
- এটি সক্রিয় শর্করার একটি প্রকার হিসেবে বিবেচিত হয়।
- রাইবোজের প্রধান কাজ হলো ডিএনএ ও আরএনএ এর সিনথেসিসে সহায়তা করা।
- এটি অ্যামাইন গ্রুপ (NH₂) ধারণ করে, যা এটিকে একটি অ্যামিনো অ্যাসিডের মত করে তোলে।
- রাইবোজের অ্যামাইন গ্রুপের অবস্থান এবং অণুর গঠন এর উপর ভিত্তি করে এটি অন্য শর্করার থেকে আলাদা।