নূরলদীন বাংলার মানুষকে ডাক দিয়েছিলেন___
A.
১১৮৯ বঙ্গাব্দে
B.
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে
C.
১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দে
D.
১৪০০ বঙ্গাব্দে
সঠিক উত্তরঃ
A.
১১৮৯ বঙ্গাব্দে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?' - 'রাত পোহাবার' চরণাংশে ব্যঞ্জনার্থ-
- 'পশ্চাতে ফেলি গির্জা-প্যাগোডা মসজিদ-মন্দির এতদিনে আমি মুক্তিপথের সন্ধানী মুসাফির। তোমারে খুঁজিয়া পথে পথে ফিরি, কোথা আছ তুমি খোদা প্রেমিক তোমার তোমার হতে আর কতদিন রবে জুদা?'উদ্দীপকের 'তোমারে খোঁজা' এবং 'সাম্যবাদী' কবিতার 'তোমারে খোঁজা'র বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতার উদ্ধৃতি কোন প্রবন্ধে রয়েছে ?
- ‘বিষাদ সিন্ধু’ উপন্যাসের নায়ক –
- হাসান সাহেব দীর্ঘ ১২ বছর পর গ্রামে ফিরে তাঁর গরিবআত্মীয়দের বাড়িতে গেলেন। তাঁর দামি গাড়ি, দামিপোশাক আর আচরণগত পরিবর্তন দেখে আত্মীয়রা সমাদরকরার সাহসই পেল না। তিনি হতাশ হয়ে শহরে ফিরলেন। হাসান সাহেবের মতো 'ঐকতান' কবিতার কবিরঅতৃপ্তির কারণ কী?
- কোন প্রবাদটি “জাদুঘরে কেন যাব” প্রবন্ধে ব্যবহৃত হয়েছে?
- কোনটি জহির রায়হান রচিত উপন্যাস নয়?
- ‘পর ধন- লােভে মত্ত' কথাটার সমার্থ কী?
- কমলাকান্ত কোন পরিচয়ে আদালতে এসেছেন ?
- বিড়ালের সুবিচারিক কথা শুনে কমলাকান্তের কেমন বাণী মনে পড়ল?
- হে বঙ্গ ভান্ডারে তব বিবিধ রতন- কবি রতন' বলতে কী বুঝিয়েছেন?
- দীপ্ত সম্প্রতি তার বড়ো ভাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দর্শন করে আসে। জাদুঘরে গিয়ে সে প্রচুর আনন্দ লাভ করে। জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করে। সভ্যতা বিকাশের নানা নিদর্শন ও তথ্যচিত্র দেখে সে চমৎকৃত হয়। এতে সে মানসিক শক্তি অর্জনের প্রেরণা খুঁজে পায়। জাদুঘর দর্শন তার ভেতরে দেশপ্রেম ও জাঁতির প্রতি দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়। এখন সে নিজেকে চিনে ও জানে।উদ্দীপকের দীপ্তর অনুভূতির সঙ্গে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
- ‘সমাজের ধনবৃদ্ধির অর্থ ধনীর ধনবৃদ্ধি’ উক্তিটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- জীবন-বন্দনা' কবিতাটি কোন্ ছন্দে রচিত?
- ছাত্র: বৃক্ষ থেকে আমরা কী শিখতে পারি?শিক্ষক: বৃক্ষ মানুষের পরম বন্ধু ও শিক্ষক। মাটি ফুঁড়েনিজের জন্ম থেকে ফুলে-ফলে বিকশিত হওয়া পর্যন্ত সেমানুষকে শিক্ষা দিয়ে থাকে। উক্তিতে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের নিচের কোন চরণটিরঅধিকতর মিল পাওয়া যায়?
- ‘রুপ লাগি আঁখি ঝুরে গুণে মন ভোর’ কার রচনা?
- ভীল কী?
- বিড়াল এর প্রথমাংশ কোন ধরনের রচনা?
- "কত দশা বিরহিণীর "- রাধার বিরহের কয়টি অবস্থা?
- শেষ পর্যন্ত এক কৃষজীবী পরিবারেই বিয়ে হয় ছবি রাণীর। স্বামী ধনপতির একটি উন্নত জাতের গাভি আছে; গাভির একটি ছোট্ট বাছুর আছে। সেই বাছুরকে মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত করে দুই বেলা গাভির সবটুকু দুধ দোহন করে নেয় ধনপতি। বাছুরকে জোরপূর্বক আটকে রেখে স্বামীকে সহায়তা করে ছবি রাণী। গাভি যেন সামান্য দুধও বাছুরের জন্য রাখতে না পারে, সেদিকে কড়া নজর তাদের। ক'দিন আগে ছবি রাণীর কোল জুড়ে আসে নবজাত ফুটফুটে এক শিশু সন্তান। এই শিশু যখন ক্ষুধায় কান্না করে, ছবি রাণী তখন পরিবারের সব কাজ ফেলে পরম মমতায় সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে তৃপ্ত করে। একদিন তার শিশু সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে পরিতৃপ্ত করতে গিয়ে সে অনুভব করে, মাতৃদুগ্ধ-বঞ্চিত রেখে কী নির্মম আচরণ করে যাচ্ছে তারা গাভির অসহায় বাছুরের ওপর। তারপর থেকে সে স্বামীকে এই কা???ে আর সহায়তা করে না।উদ্দীপকের ছবি রাণী কোন দিক দিয়ে কমলাকান্তের সঙ্গে তুলনীয়?