কোনো মাধ্যমের প্রতিসাঙ্ক নির্ভর করে ব্যবহৃত আলোর_
- বর্ণের উপর
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের উপর
- কম্পাংকের উপর
নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তরঃ
D.
i, ii, iii
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরে সঠিক উত্তর হলো: i, ii, iii। নিচে এর ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
প্রতিসাঙ্ক (Refraction) হচ্ছে যখন আলো বা অন্যান্য তরঙ্গ এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন তার দিক পরিবর্তন হয়। এটি মূলত প্রতিসাঙ্কের কারণ ও তার উপর নির্ভরশীল বিভিন্ন উপাদানসমূহের উপর ভিত্তি করে।
প্রতিসাঙ্ক নির্ভর করে নিম্নলিখিত উপাদানগুলির উপর:
- বর্ণের উপর: আলোর প্রতিসাঙ্কের মান তার বর্ণের উপর নির্ভর করে। কারণ বিভিন্ন রঙের (বর্ণের) আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন। সাধারণত, তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট হলে প্রতিসাঙ্কের মান বেশি হয়। এজন্যই দেখা যায়, লাল ও নীল আলোর প্রতিসাঙ্ক আলাদাভাবে পরিবর্তিত হয়।
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের উপর: তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা wavelength এর সাথে প্রতিসাঙ্কের সম্পর্ক রয়েছে। ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো সাধারণত বেশি প্রতিসাঙ্ক করে। এটি তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী নির্ভরশীল।
- কম্পাংকের উপর: কম্পাংকের মান বা অ্যামপ্লিটিউডের উপর সরাসরি প্রতিসাঙ্কের প্রভাব কম। তবে, যদি আলো বা তরঙ্গের শক্তি বা অ্যামপ্লিটিউড খুব বেশি হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে প্রতিসাঙ্কের মানে পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। তবে সাধারণত, প্রতিসাঙ্কের জন্য মূলত তরঙ্গের বর্ণ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য গুরুত্বপূর্ণ।