কৃষ্ণ গহ্বরের আবিষ্কারক কে?
BAUপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজ্যোতির্বিজ্ঞানটেলিস্কোপ (Topic Practice)BAU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
বিজ্ঞানী হুইলার
Explanation:

Another Explanation (5):
কৃষ্ণগহ্বরের আবিষ্কারক: একটি জটিল প্রশ্ন 🤔
কৃষ্ণগহ্বরের আবিষ্কারক হিসেবে নির্দিষ্ট কো???ো একজন বিজ্ঞানীকে চিহ্নিত করা বেশ কঠিন। এর কারণ হলো কৃষ্ণগহ্বর ধারণাটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিজ্ঞানীর কাজের মাধ্যমে ধীরে ধীরে বিকশিত হয়েছে। "বিজ্ঞানী হুইলার" বলতে সাধারণত জন হুইলারকে বোঝানো হয়, তবে কৃষ্ণগহ্বর গবেষণায় তার অবদান আলোচনা করা যাক।
বিভিন্ন বিজ্ঞানীর অবদান 👨🔬👩🔬
| বিজ্ঞানী | অবদান | সময়কাল |
|---|---|---|
| জন হুইলার | "ব্ল্যাক হোল" নামকরণ করেন (১৯৬৭)। কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেন এবং এর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা দেন। | বিংশ শতাব্দী |
| কার্ল শোয়ার্জশিল্ড | আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব ব্যবহার করে কৃষ্ণগহ্বরের গাণিতিক সমাধান বের করেন (১৯১৬)। | বিংশ শতাব্দীর শুরু |
| রবার্ট ওপেনহেইমার ও হার্টল্যান্ড স্নাইডার | মহাকর্ষীয় পতনের মাধ্যমে কৃষ্ণগহ্বর তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন (১৯৩৯)। | বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি |
| স্টিফেন হকিং | কৃষ্ণগহ্বর থেকে বিকিরণ নির্গত হওয়ার ধারণা দেন (হকিং রেডিয়েশন)। | বিংশ শতাব্দীর শেষভাগ |
| চন্দ্রশেখর সুব্রামানিয়াম | তারার ভরের একটি সীমা নির্ধারণ করেন, যার উপরে তারাগুলো কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হতে পারে। | বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ |
জন হুইলারের অবদান 👨🏫
- কৃষ্ণগহ্বরকে "ব্ল্যাক হোল" নামে পরিচিত করেন।🎉
- কৃষ্ণগহ্বরের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করেন।📢
- তিনি দেখান যে কৃষ্ণগহ্বর স্থান-কালের বক্রতার চরম পরিণতি।🌀
- ওয়ার্মহোল এবং কোয়ান্টাম ফোম এর ধারণা দেন।
তাহলে কে আবিষ্কারক? 🤔
সুতরাং, "কৃষ্ণগহ্বরের আবিষ্কারক কে?" - এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেওয়া কঠিন। এটি একটি দীর্ঘ এবং জটিল প্রক্রিয়ার ফল। বিভিন্ন বিজ্ঞানীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কে আমাদের ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 🤝 তবে জন হুইলার কৃষ্ণগহ্বর গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছেন। 🔥
আরও জানতে: কৃষ্ণগহ্বর - উইকিপিডিয়া
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে! 😊