স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে পদার্থের দৈর্ঘ্য পীড়ন এবং দৈর্ঘ্য বিকৃতির অনুপাতের ধ্রুব সংখ্যা নিম্নের কোন গুনাঙ্ক দ্বারা প্রকাশিত?
Dentalপদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রপদার্থের গাঠনিক ধর্মইয়ং এর স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্ক (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
ইয়ং
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে দৈর্ঘ্য পীড়ন ও দৈর্ঘ্য বিকৃতির অনুপাত: ইয়ং গুণাঙ্ক
কোনো কঠিন বস্তুর স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে দৈর্ঘ্য পীড়ন এবং দৈর্ঘ্য বিকৃতির অনুপাত একটি ধ্রুব সংখ্যা। এই ধ্রুব সংখ্যাটি ইয়ং গুণাঙ্ক (Young's Modulus) নামে পরিচিত। 🧐
ইয়ং গুণাঙ্ক সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
- সংজ্ঞা: স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে দৈর্ঘ্য পীড়ন ও দৈর্ঘ্য বিকৃতির অনুপাত।
- চিহ্ন: সাধারণত Y দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- একক: নিউটন/মিটার২ (N/m2) অথবা প্যাসকেল (Pa)। 📏
- মাত্রা: ML-1T-2
দৈর্ঘ্য পীড়ন ও দৈর্ঘ্য বিকৃতি:
ইয়ং গুণাঙ্ক বোঝার জন্য দৈর্ঘ্য পীড়ন ও দৈর্ঘ্য বিকৃতি সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। 👇
- দৈর্ঘ্য পীড়ন (Tensile Stress): কোনো বস্তুর ওপর লম্বভাবে প্রযুক্ত বাহ্যিক বলের কারণে বস্তুর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ওপর যে অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ বলের সৃষ্টি হয়, তাই দৈর্ঘ্য পীড়ন। 🏋️♀️
- দৈর্ঘ্য বিকৃতি (Tensile Strain): বাহ্যিক বলের প্রভাবে বস্তুর দৈর্ঘ্যের যে পরিবর্তন হয় এবং আদি দৈর্ঘ্যের সাথে পরিবর্তনের যে অনুপাত, তাই দৈর্ঘ্য বিকৃতি। 📐
ইয়ং গুণাঙ্কের গাণিতিক রূপ:
গাণিতিকভাবে, ইয়ং গুণাঙ্ককে নিম্নোক্তভাবে প্রকাশ করা যায়: 📝
Y = দৈর্ঘ্য পীড়ন / দৈর্ঘ্য বিকৃতি
অর্থাৎ, Y = (F/A) / (ΔL/L0)
যেখানে,
- F = প্রযুক্ত বল
- A = প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল
- ΔL = দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন
- L0 = আদি দৈর্ঘ্য
বিভিন্ন পদার্থের ইয়ং গুণাঙ্ক (প্রায়):
| পদার্থ | ইয়ং গুণাঙ্ক (GPa) |
|---|---|
| ইস্পাত | 200 |
| অ্যালুমিনিয়াম | 70 |
| তামা | 110 |
| রাবার | 0.01 - 0.1 |
গুরুত্ব:
- ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নির্মাণ কাজে বিভিন্ন পদার্থের স্থিতিস্থাপকতা এবং দৃঢ়তা যাচাই করতে ইয়ং গুণাঙ্ক ব্যবহার করা হয়। 🏗️
- কোনো বস্তু কতটা সহজে প্রসারিত বা সংকুচিত হতে পারে, তা ইয়ং গুণাঙ্ক থেকে জানা যায়। 📏
- যন্ত্রপাতি এবং কাঠামো নির্মাণের জন্য সঠিক উপাদান নির্বাচন করতে এটি সহায়ক। 🔩
আশা করি, ইয়ং গুণাঙ্ক সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়েছে। 👍
```