মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে ভারী নিউক্লিয়াস গঠন করার প্রক্রিয়াকে কী বলে? 

A. নিউক্লিয়ার ফিশন 
B. নিউক্লিয়ার ফিউশন
C. নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকশন 
D. নিউক্লিয়ার রিকম্বিনিশন 
Poster Download
JUSTUnit-Cপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরমাণুর মডেল ও নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানতেজস্ক্রিয়তা ও ক্ষয়ের সূত্র (Topic Practice)JUST - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. নিউক্লিয়ার ফিউশন
Explanation:
যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে এক বা একাধিক ভিন্ন মৌলের পরমাণু তৈরি করে তাই নিউক্লিয় ফিউশন (fusion) বিক্রিয়া। যেমন - হাইড্রোজেনের দুইটি আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম ও ট্রিশিয়াম যুক্ত হয়ে হিলিয়াম তৈরি করে থাকে। এই বিক্রিয়াটি সূর্যে ঘটে থাকে।


Another Explanation (5): ```html

নিউক্লিয়ার ফিউশন: হালকা নিউক্লিয়াসের একত্রীকরণ ⚛️

একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস গঠনের প্রক্রিয়াকে নিউক্লিয়ার ফিউশন (Nuclear Fusion) বলে। এটি একটি শক্তিশালী নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া, যেখানে প্রচুর পরিমাণে শক্তি নির্গত হয়। 💥

নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়া: ধাপে ধাপে 👣

  1. হালকা নিউক্লিয়াসের কাছাকাছি আসা: প্রথমে, হালকা নিউক্লিয়াসগুলোকে খুব কাছাকাছি আসতে হয়। 🤏
  2. কুলম্ব বাধা অতিক্রম: নিউক্লিয়াসগুলো ধনাত্মক চার্জযুক্ত হওয়ায় তাদের মধ্যে একটি বিকর্ষণ বল (কুলম্ব বাধা) কাজ করে। ফিউশন ঘটাতে এই বাধা অতিক্রম করতে হয়। ⚡
  3. নিউক্লিয়ার বলের প্রভাব: যখন নিউক্লিয়াসগুলো যথেষ্ট কাছে চলে আসে, তখন শক্তিশালী নিউক্লিয়ার বল বিকর্ষণ বলের চেয়ে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। 💪
  4. ফিউশন বিক্রিয়া: নিউক্লিয়ার বলের প্রভাবে নিউক্লিয়াসগুলো একত্রিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস গঠন করে। 🌟
  5. শক্তি নির্গমন: এই ফিউশন প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমাণে শক্তি নির্গত হয়। 🔥

নিউক্লিয়ার ফিউশনের উদাহরণ: ☀️ নক্ষত্রের শক্তি

সূর্য এবং অন্যান্য নক্ষত্রের শক্তির মূল উৎস হলো নিউক্লিয়ার ফিউশন। নক্ষত্রের অভ্যন্তরে হাইড্রোজেন পরমাণু একত্রিত হয়ে হিলিয়াম পরমাণু গঠন করে, এবং সেই সাথে প্রচুর শক্তি নির্গত হয়। ✨

ফিউশন বিক্রিয়ার প্রকারভেদ:

  • প্রোটন-প্রোটন চেইন (Proton-Proton Chain): সূর্যের মধ্যে এই প্রক্রিয়াতেই মূলত ফিউশন হয়ে থাকে। 🌞
  • কার্বন-নাইট্রোজেন-অক্সিজেন চক্র (CNO Cycle): এটি তারার মধ্যে ঘটে যা সূর্যের চেয়ে বেশি ভারী। 💫
  • ডিউটেরিয়াম-ট্রিটিয়াম ফিউশন (Deuterium-Tritium Fusion): পরীক্ষাগারে এই ফিউশন ঘটানো অপেক্ষাকৃত সহজ।🧪

ফিউশন বিক্রিয়ার সুবিধা: ✅

  • অসীম জ্বালানীর উৎস: হাইড্রোজেনের প্রাচুর্য থাকায় এটি অফুরন্ত জ্বালানীর উৎস হতে পারে। 💧
  • কম তেজস্ক্রিয় বর্জ্য: ফিউশন বিক্রিয়ায় খুবই কম তেজস্ক্রিয় বর্জ্য উৎপন্ন হয়। ♻️
  • নিরাপদ: ফিউশন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা তুলনামূলকভাবে সহজ। 🛡️

ফিউশন বিক্রিয়ার অসুবিধা: ❌

  • অত্যধিক উচ্চ তাপমাত্রা: ফিউশন শুরু করার জন্য অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রা (প্রায় 100 মিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস) প্রয়োজন। 🌡️
  • প্লাজমা ধারণ: এই উচ্চ তাপমাত্রায় সৃষ্ট প্লাজমাকে ধরে রাখা কঠিন। 🌀
  • উচ্চ বিনিয়োগ: ফিউশন পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরি করতে প্রচুর বিনিয়োগ প্রয়োজন। 💰

ফিউশন সংক্রান্ত কিছু তথ্য: 📊

বিষয় তথ্য
প্রক্রিয়া একাধিক হালকা নিউক্লিয়াসের একত্রীকরণ
উৎপন্ন উপাদান ভারী নিউক্লিয়াস (যেমন হিলিয়াম)
শক্তির পরিমাণ বিপুল পরিমাণে শক্তি নির্গত হয়
উদাহরণ সূর্যের অভ্যন্তরে হাইড্রোজেন থেকে হিলিয়াম তৈরি

বর্তমানে, বিজ্ঞানীরা ফিউশন পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরি করার জন্য গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভবিষ্যতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তির উৎস হতে পারে। 💡

আশা করি, নিউক্লিয়ার ফিউশন সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 👍

```