'দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্তূপে চাপা না পড়ে।'- সংলাপটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি কতটি অঙ্ক ও দৃশ্যে রচিত হয়?
- স্বার্থের কারণে তমাল সাহেবের জীবনের চরম বিপর্যয়ের সময়স্ত্রী-পুত্র-কন্যা দূরে সরে গেল, অথচ বিশ্বস্ত ভৃত্য আনোয়ারজীবন দিয়ে হলেও তমাল সাহেবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারশপথ নেয়।উদ্দীপকের আনোয়ার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের অনুরূপ ?
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কী ধরণের রচনা?
- ক্লাইভের গাধা বলা হয় কাকে?
- কুঠিয়াল ইংরেজগণ গরিব প্রজাদের কেন এবং কীভাবে অত্যাচার করত?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের স্থানিক পট কোথায়?
- শেক্সপিয়রের নাটক 'ম্যাকবেথে' রাজা ডানকানকে সেনাপতি ম্যাকবেথ নিমন্ত্রণ করেন। ভোজশেষে রাজা ঘুমাতে গেলে লেডি ম্যাকবেথের প্ররোচনায় নিজে রাজা হওয়ার আশায় ডানকানকে হত্যা করেন ম্যাকবেথ।"অর্থ, ক্ষমতা ও স্বার্থ'-এ তিনই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ষড়যন্ত্র, হত্যা ও হঠকারিতার জনক।"- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটক অবলম্বনে এই উক্তির যথার্থতা বিচার করো।
- আত্মদ্বন্দ্বে পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্ঘাটিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নরকের নিঃসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমোহিত করে তোলে, ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।উদ্দীপকের প্রতিকূল অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রেক্ষাপটে কতটুকু সাদৃশ্য বহন করে? আলোচনা করো।
- ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?-উক্তিটিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার আজমত আলী শান্তি কমিটি গঠন করে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়ে এই দেশের প্রচুর ক্ষয়-ক্ষতি সাধন করে। পরবর্তীকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে তার নামে মামলা করা হয় এবং ফাঁসিও কার্যকর করা হয়। প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা জামিল উদ্দীন জানান ওই বিশ্বাসঘাতক আজমত 'আলীর সাহায্যেই হানাদার বাহিনী গ্রামের অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করে এবং তাঁদের পরিবারের ওপর চালায় সীমাহীন নির্যাতন।“প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল বিষয়কে তুলে ধরেছে।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "শুধু ওই একটি পথেই আবার আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।"- ব্যাখ্যা কর।
- "নিজগৃহপথ, তাত দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?"'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে
- সিরাজউদ্দৌল??? নাটকে কোন ??াখির ডাক অশুভ বলে বিবেচিত?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের স্থান-
- পারিবারিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ন্যায্য সুবিধাদেওয়ার দাবিতে অনড় থাকায় সুবিধাভোগীদের সহায়তায়অতি আদরের ভাতিজা নাজিমের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ষড়যন্ত্রেলিপ্ত হয় চাচা কামরুল ।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনবিষয়টিকে ধারণ করেছে?
- 'ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজা সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?'- উক্তিটিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- নরওয়েতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন ভিদকুন কুইজলিং। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি জার্মান শাসক হিটলারের সাথে গোপন আঁতাত করেন। হিটলার নরওয়ে আক্রমণ করলে কুইজলিং রাজধানী থেকে ৫০ কি.মি. দূরে ঘাঁটি গড়েন এবং নরওয়ে সরকার পরাজিত হয়ে পালিয়েছে- এ মর্মে অপপ্রচার চালাতে থাকেন। অতঃপর হিটলার নরওয়ে জয় করার পর কুইজলিংকে সরকার প্রধানের দায়িত্ব দেয়।'কুইজলিংরা থাকে বলেই যুগে যুগে হিটলাররা নরওয়ে জয় করে।'-উক্তিটির আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনি বিশ্লেষণ করো।
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করো।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান'। পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা, সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট সাজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটির শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট সাজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'সাজাহান'।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহা ধনবানঅসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান,কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমির হিতস্বজাতির সেবা যেবা করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সতুরঅতীব ঘৃণিত সেই পাষন্ড বর্বর।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মিরজাফর প্রধান সেনাপতি হওয়ার ফলে পলাশির যুদ্ধে সিরাজের পতন হয়েছে- উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- মহাকবি বাল্মীকির "রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির ভাষিক রূপ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। রাবণ চরিত্র তাঁর অনন্য সৃষ্টি। রাবণ দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ এক বীর। সহোদর বিভীষণ বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী। বহিঃশক্তি রাম-লক্ষ্মণ তার দোসর। তার দেখানো পথেই লক্ষ্মণ রাবণপুত্র নিরস্ত্র মেঘনাদকে হত্যা করে বিভীষণের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধে রাবণকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় এবং বিজয় সূচিত হয় বহিঃশক্তির।'বিশ্বাসঘাতকতাই রাবণ ও সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।'-'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
- 'অর্থাৎ ঘুষ খেয়ে খেয়ে ঘুষ কথাটার অর্থই বদলে গেছেআপনার কাছে।'— 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সংলাপটি কার?
- হাজী আব্দুল গণি মিয়া তার পিতার উত্তরসূরি হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন পরোপকারী এবং উদার চিত্তের মানুষ। দীন-দুঃখী মানুষকে সাহায্য করাই যেন তাঁর মূল কাজ। তাঁর সহধর্মিণীও ছিলেন একই স্বভাবের। এক রাতে একদল আগন্তুক এসে তাদের কাছে আশ্রয় চান। হাজী আব্দুল গণি মিয়া সরল মনে আগন্তুকদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। মধ্যরাতে সেই আগন্তুকরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে সব ধন-সম্পদ লুট করে নেয়, বাধা দিতে গিয়ে হাজী আব্দুল গণি মিয়া আগন্তুকদের আঘাতে নির্মমভাবে নিহত হন।'তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকের বিষয়বস্তুতে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল ঘটনা- ঘ ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ফুটে উঠেছে?' বিশ্লেষণ ও সংশ্লেষণ করে তোমার মতামত দাও।
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।'- ব্যাখ্যা করো।
- উদ্দীপকে উল্লিখিত কোন বৈশিষ্ট্যের অভাবে সিরাজউদ্দৌলা সফল হতে পারেননি বলে তুমি মনে করো? বর্ণনা করো।
- 'এতক্ষণে-অরিন্দম কহিলা বিষাদে-'জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিলরক্ষঃপুরে। হায়, তাত, উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী।নিজ গৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?'উদ্দীপকের তস্কর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- নারান সিং-এর পরিচয় কি ?
- পাকিস্তানি মিলিটারিরা একটি স্কুল ঘরে ক্যাম্প করেছিল। তাদের সাথে কিছু রাজাকারও ছিল। মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার জাভেদের যুদ্ধের নৈপুণ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে থাকা রাজাকারদের পরামর্শে তারা আত্মসমর্পণ করে প্রাণ রক্ষা করল।'নবাব সিরাজউদ্দৌলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা, জুগিয়েছে।'- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্য অবলম্বনে আলোচনা করো।
- সিরাজের কোন সেনাপতি যুদ্ধে প্রথম মৃত্যুবরণ করে?
- রবার্ট ক্লাইভ নারীর ছদ্মবেশে মিরনের বাড়ি এসেছিল কেন?
- কাকে ঘুষ খাইয়ে চন্দন নগর ধ্বংস করা হয়েছে?
- 'আমি জানি হি ইজ এ ডেড হর্স'- উক্তিটি কার?
- 'আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে।'- বুঝিয়ে দাও।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব কোথায় গিয়ে বন্দিদেরবিচার করবেন?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে হানাদার বাহিনীর লোকেরা এদেশের ঘুমন্ত মানুষের উপর গুলি চালায় আর সেই রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ফলে এদেশের হাজার হাজার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশমাতাকে রক্ষা করতে। কিন্তু কিছু লোক ছিল যারা পাকিস্তানের দালালে পরিণত হয়ে রাজাকার, আলবদর নাম ধারণ করে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল। রমজাম এদের মধ্যে অন্যতম। রমজান ও তার সহযোগীরা ১৪ ডিসেম্বর দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের দেখিয়ে দিয়েছিল, আর পাকিস্তানিরা তাদের মূল্যবান জীবন কেড়ে নিয়েছিল। তবুও মুক্তিযোদ্ধারা সকল বাধা অতিক্রম করে ছিনিয়ে এনেছেন আমাদের স্বাধীনতা। প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে কখনো কুণ্ঠাবোধ করেন না।উদ্দীপকের রমজান 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রকে সমর্থন করে বলে তুমি মনে কর? ব্যাখ্যা কর।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' ওয়াটসের কাছে যে কৈফিয়ত চান তা হলো- কাশিম বাজার কুঠিতে তোমরা গোপনে অস্ত্র আমদানি করেছিলে। কেন? আমার নিষেধ সত্ত্বেও কলকাতার দুর্গ সংস্কার তোমরা বন্ধ করনি। কেন?বাংলার মসনদে বসার পর আমাকে নজরানা পাঠাওনি কেন? নিচের কোনটি সঠিক?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাবের প্রধান গুপ্তচরের নাম কী?
- মনসুর, অপু, তাহেরসহ মোট বারোজন মিলে নিজেদেরউন্নতির জন্য একটি সমিতি গঠনে করে। সবাই প্রতি মাসেপাঁচশ টাকা করে তাহেরের কাছে জমা রাখে। কিছুদিন পরতাহের সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। উদ্দীপকের তাহের ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের প্রতিনিধি?
- হাজী আব্দুল গণি মিয়া তার পিতার উত্তরসূরি হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন পরোপকারী এবং উদার চিত্তের মানুষ। দীন-দুঃখী মানুষকে সাহায্য করাই যেন তাঁর মূল কাজ। তাঁর সহধর্মিণীও ছিলেন একই স্বভাবের। এক রাতে একদল আগন্তুক এসে তাদের কাছে আশ্রয় চান। হাজী আব্দুল গণি মিয়া সরল মনে আগন্তুকদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। মধ্যরাতে সেই আগন্তুকরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে সব ধন-সম্পদ লুট করে নেয়, বাধা দিতে গিয়ে হাজী আব্দুল গণি মিয়া আগন্তুকদের আঘাতে নির্মমভাবে নিহত হন।উদ্দীপকের আগন্তুকদের বিশ্বাসঘাতকতার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাদৃশ্য আছে? আলোচনা কর।