মহুয়া শহরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। তার শহরে কাজ করার বিষয়টি গ্রামের কিছু মানুষ পছন্দ করে না। উপরন্তু তার নামে দুর্নাম রটনা করে। ঈদের ছুটিতে বাড়ি এলে গ্রামের মানুষগুলো মহুয়ার নামে বিচার বসায়। তারা মহুয়াকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু মহুয়া তাতে প্রতিবাদ করে। অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই কোথাও যাবে না।
বিলাসী চরিত্রের কোন দিকটি মহুয়ার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তা বর্ণনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- বিলাসী’ গল্পের ন্যাড়া চরিত্রে কোন লেখকের জীবনের ছায়াপাত ঘটেছে?
- এই কান্নাকাটিতে অধর অত্যন্ত বিরক্ত হইলেন। ছোঁড়াটা মরা ছুঁইয়া আসিয়াছে, কি জানি এখানকার কিছু ছুঁইয়া ফেলিল নাকি। ধম দিয়া বলিলেন, মা মরেচে ত যা নিচে নেবে দাঁড়া। ... কি জাতের ছেলেরে তুই? কাঙালী সভয়ে প্রাঙ্গণে নামিয়া দাঁড়াইয়া কহিল, আমরা দুলে।উদ্দীপকের অধর বাবুর মনোভাব 'বিলাসী গল্পের যে প্রসঙ্গের সাথে সংগতিপূর্ণ তা হলো-সংকীর্ণতাজাতি বৈষম্যঅস্পৃশ্যতানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘পথের দাবি’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- ভয়ংকর এক সড়ক দুর্ঘটনায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা রায়হানকে পাশের বস্তির মেয়ে জাহানারা উদ্ধার করে নিয়ে আসে। স্মৃতি ফিরে পেলে রায়হান জানতে পারে তার জীবন বাঁচিয়েছে এই মেয়েটি। দীর্ঘদিন সেবা-যত্নের পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে সে। রায়হান মেয়েটির প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে তাকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসে। তার বাবা জাহানারাকে মেনে নেয় না। কিছু টাকা পয়সা দিয়ে তাকে-বিদায় করে দিতে চাইলে রায়হানও জাহানারার সাথে বস্তিতেই চলে যায় এবং সেখানেই সুখে সংসার বাঁধে।"উদ্দীপকের রায়হান এবং 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয় উভয়েই মানবিকতার মূর্ত প্রতীক।"- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- হুমরাবেদের মেয়ে মহুয়ার প্রেমে পড়ে জমিদারপুত্র নদের চাঁদ। জমিদার বিষয়টি জানতে পেরে রাতের আঁধারে হুমরাবেদের দলকে গ্রামছাড়া করে। নীচু জাত বেদের মেয়ের সাথে তাঁর পুত্র নদের চাঁদের প্রেম তিনি মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু নদের চাঁদ মহুয়াকে পাওয়ার আশায় বাবা-মাকে ছেড়ে যায়। হুমরাবেদে নদের চাঁদকে হত্যার জন্য মহুয়ার হাতে বিষলক্ষার ছুরি তুলে দেয়।উদ্দীপকের নদের চাঁদ চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্র তুলনীয়? ব্যাখ্যা করো।
- অসুস্থ সুমন মিয়ার দুর্দিনে তার সব আত্মীয়স্বজন দূরে চলে যায়। তার স্ত্রী নিজের গয়না বিক্রি করে এবং সমস্ত সঞ্চয় নষ্ট করে সুমন মিয়ার ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। স্ত্রী সেবা ও ডাক্তারদের প্রচেষ্টায় সুমন মিয়া সুস্থ হয়ে তার সব সম্পত্তি স্ত্রীর নামে লিখে দেয়। এতে তার আত্মীয়স্বজনেরা সুমন মিয়াকে কটাক্ষ করে বিভিন্ন অপবাদ প্রচার করতে থাকলে সুমন মিয়া তার স্ত্রীর ত্যাগ আর দয়ার্দ্র আচরণের কথা মনে করিয়ে দেয়।উদ্দীপকের সুমন মিয়ার স্ত্রীর সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- কুম্ভকর্ণ কে?
- " বিলাসী " গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
- কোন গল্প রচনার মাধ্যমে ছোটোগল্প লেখক হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মপ্রকাশ ঘটে?
- কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয়?
- 'ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়া ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো।'- ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি শরৎচন্দ্রের উপন্যাস নয়?
- ‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-
- 'মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে'। এখানে মহত্ত্ব কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- মৃত্যুঞ্জয়ের বাগানের আয়তন ছিল কত?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী’ গল্পে মৃত্যুঞ্জয়ের জাতপরিচয়-
- পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-
- মরণরে তুঁহু মম শ্যাম সমান ।উক্ত চরিত্রের স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে আলিঙ্গনের প্রকৃত কারণকোনটি?
- বিলাসী গল্পে বিলাসী কিসের প্রতীক?