শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
A. পথের দাবী
B. নিষ্কৃতি
C. চরিত্রহীন
D. দত্তা
সঠিক উত্তরঃ
A.
পথের দাবী
Explanation: বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬-১৯৮৩ খ্রি) রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস ‘পথের দাবী’ বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে পরিণীতা (১৯১৪), বিরাজ বৌ (১৯১৪), বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), শ্রীকান্ত (১ম পর্ব-১৯১৭, ২য় পর্ব-১৯১৮, ৩য় পর্ব-১৯২৭ ও ৪র্থ পর্ব-১৯৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), দেনাপাওনা (১৯২৩), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১), বিপ্রদাস (১৯৩৫), নিষ্কৃতি ইত্যাদি। উন্নত জীবন গ্রন্হটির রচয়িতা ডা. মোহাম্মদ লুৎফর রহমান এবং সভ্যতা গ্রন্হটির রচয়িতা মোতাহের হোসেন চৌধুরী।
Related Questions (Any University/Year)
- 'আমাদের তো খাবারের ভাবনা নাই আমরা কেন মিছামিছি লোক ঠকাতে যাই'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মরিয়ম শহরের একটি হাসপাতালে চাকরি করেন। হাসপাতালের দায়িত্ব শেষ করে গ্রামে ফিরতে প্রায়ই তার রাত হয়, এমনকি রোগীর দেখাশোনার জন্য মাঝে মাঝে। তাকে রাতে হাসপাতালে থাকতে হয়। গ্রামের কিছু মানুষ রাত করে বাড়ি ফেরা এবং বাড়ির বাইরে রাতে থাকার বিষয়টি মেনে নিতে পারে না'। তারা গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মরিয়মকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু মরিয়ম তার প্রতিবাদ করেন, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই গ্রাম ছেড়ে যাবেন না। এই অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বলা যায় যে মরিয়ম ও বিলাসী উভয়েই- প্রতিবাদী নারী সভা কুসংস্কারের শিকারকরুণ পরিণতির শিকার নিচের কোনটি সঠিক?
- 'বিলাসী' গল্পের লেখক কে?
- "সে কত বড় সাহসের কাজ!" সপ্রসঙ্গ উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয়?
- মহামারি কোভিডের সময় বাবুলের বাবার কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বাবুলের লেখাপড়া প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়। এ সময় সহপাঠী রানুর বাবা বাবুলকে গৃহশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। বাবুল যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে। কিন্তু তাদের পারিবারিক শত্রুর কারসাজিতে নিজের আড়ালে কিছু একটা ঘটতে থাকে। কিছুদিনের মধ্যেই সে টের পায়- তার পাড়া- প্রতিবেশী তাকে এড়িয়ে চলছে। সবাই বাবুল এবং রানুকে জড়িয়ে অপপ্রচারে বিশ্বাসী।উদ্দীপকের পারিবারিক শত্রু 'বিলাসী' গল্পের খুড়াকে কীভাবে প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের গবেষণার বিষয় কী?
- 'গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের ছিল এমনি সুনাম'-ব্যাখ্যা করো।
- 'ঘন জঙ্গলের পথ। একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো।" - উক্তিটি কার?
- ‘পথের দাবি’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- 'মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে'। এখানে মহত্ত্ব কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ‘অন্নপাপ। বাপ রে! এর কি আর প্রায়শ্চিত্ত আছে।’ অন্নপাপ কে করেছিল?
- মহুয়া শহরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। তার শহরে কাজ করার বিষয়টি গ্রামের কিছু মানুষ পছন্দ করে না। উপরন্তু তার নামে দুর্নাম রটনা করে। ঈদের ছুটিতে বাড়ি এলে গ্রামের মানুষগুলো মহুয়ার নামে বিচার বসায়। তারা মহুয়াকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু মহুয়া তাতে প্রতিবাদ করে। অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই কোথাও যাবে না।'বিলাসী ও মহুয়া পরস্পর বিপরীত চরিত্রের মানুষ।'- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- ন্যাড়া সন্ন্যাসী অবস্থায় কোথায় গিয়ে সিদ্ধি লাভ করে এসেছে?
- ‘শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- রাজলক্ষ্মী' চরিত্রের স্রষ্টা ঔপন্যাসিক কে?
- মৃত্যুঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়ত?
- “তাহার মাথায় গেরুয়া পাগড়ি, বড় বড় দাড়ি-চুল, গলায় রুদ্রাক্ষ ও পুঁতির মালা।' এখানে কার মাথার কথা বলা হয়েছে?
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'"উদ্দীপকের সালেহা বেগমের ক্ষেত্রে 'বিলাসী' গল্পে 'ইহা আর এক শক্তি' উক্তিটি প্রযোজ্য হয়নি।"- বিশ্লেষণ করো।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি?