‘বিষাদ-সিন্ধু’ কার রচনা?
A. কায়কোবাদ
B. মীর মশাররফ হোসেন
C. মোজাম্মেল হক
D. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
সঠিক উত্তরঃ
B.
মীর মশাররফ হোসেন
Explanation: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন। কারবালার বিষাদময় কাহিনী অবলম্বনে রচিত ‘বিষাদ-সিন্ধু’ মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। উপন্যাসটিতে তিনটি পর্ব আছে। ‘মহরম পর্ব’, ‘উদ্ধার পর্ব’ ও ‘এজিদবধ পর্ব’। তার আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো উদাসীন পথিকের মনের কথা।
Related Questions (Any University/Year)
- রফিক স্পষ্টভাবেই তার চাওয়াটা সকলকে জানিয়ে দিয়ে গেছে। সে সহ-সভাপতির পদ চায়। এও বলেছে যে, যদি সোহেলদের দল জিতবে নিশ্চয়তা থাকে তাহলেই কেবল রফিক তাদের দলে আসবে, পরাজয়ের আশঙ্কা থাকলে সে তার বর্তমান দল ত্যাগ করবে নাউদ্দীপকের ঘটনাপ্রবাহের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন সংলাপটি স্মরণযেগ্য?
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপচারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীলচাষে বাধ্য করা; নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম; নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ প্রজাপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীনমাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীনমাধব মৃত্যুবরণ করে।উদ্দীপকের নীলকরদের অত্যাচারের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কে বর্ণিত ইংরেজদের অত্যাচারের তুলনা করো।
- সিরাজের শ্বশুরের নাম কী?
- দিল্লির সুলতান ইলতুৎমিশ তাঁর কন্যা রাজিয়া সুলতানাকে প্রাণাধিক ভালোবাসতেন। কোনো প্রয়োজনে যখন সুলতান ইলতুৎমিশকে রাজধানী ছাড়তে হতো, তিনি তখন তার কন্যা দক্ষ সেনাপতি ও প্রশাসক রাজিয়াকে শাসনভার বুঝিয়ে দিয়ে যেতেন। পুত্র বর্তমান থাকা সত্ত্বেও সুলতান তার কন্যা রাজিয়াকে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত করেন। এতে রাজিয়ার ভাইয়েরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বহিরাগত শত্রুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজিয়াকে হত্যা করে।উদ্দীপকে সুলতানের ছেলেদের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলার' নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- তোমার অপরাধের জন্য নবাবের দন্ডাজ্ঞা শোনাতে এসেছি।'- কোন নবাবের?
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহাধনবান,অসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান।……………………………………………হউক বীরেন্দ্র সে যেন রোস্তমশত শত দাস তার সেবুক চরণকরুক স্তাবকদল স্তব সংকীর্তন।কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমি হিত,স্বজাতির সেবা যে করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সত্বরঅতীব ঘৃণিত সে পাষণ্ড বর্বর।উদ্দীপকের শেষ চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রধান সেনাপতিকে নির্দেশ করে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- ব্যাংক ম্যানেজার মনোয়ার হোসেন অত্যন্ত সরলমনা ও উদার প্রকৃতির মানুষ। ব্যাংকের প্রতিটি কর্মচারীকে তিনি অগাধ বিশ্বাস করেন। তাঁর মামার অনুরোধে মাকসুদ হাসান নামের এক ব্যক্তিকে তিনি ক্যাশিয়ার পদে নিয়োগ দেন এবং সিন্দুকের চাবি হস্তান্তর করেন। একদিন রাতের অন্ধকারে নৈশ প্রহরীর সহায়তায় মাকসুদ হাসান ব্যাংকের সকল অর্থসম্পদ আত্মসাত করে আত্মগোপন করেন।উদ্দীপকের যে বিষয়গুলো 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তার তুলনামূলক আলোচনা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'স্বার্থান্ধ প্রতারকের কাপুরুষতা বীরের সংকল্প টলাতে পারেনি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার আত্মীয়স্বজন, পর্যন্ত তার বিরুদ্ধাচরণ করে। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি এই ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করতে পেরেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই পারেননি। পলাশির যুদ্ধে তিনি যেমন প্রতারিত হয়েছিলেন তেমনি ভাগ্য তার বিরুদ্ধে ছিল।উদ্দীপকের শেষ চরণটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে প্রমাণ করো।
- 'প্রকৃত দেশপ্রেমিক দেশের জন্য প্রাণ দিতে কুণ্ঠিত হন না।'- এ উক্তিটির আলোকে উদ্দীপক 'ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- সিরাজউদ্দৌলা ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করলে নৌকাযোগে পালিয়ে যায়-ক্যাপ্টেন মিনচিনফকল্যান্ডক্যানিংহামনিচের কোনটি সঠিক?
- জহিরউদ্দীন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে হুমায়ূন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তাঁর বয়স অল্প। সিংহাসনে বসার সাথে সাথেই চারদিকে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। আপন আত্মীয়স্বজন তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এমনকি আপন ভাইয়েরাও তাঁকে সহযোগিতা করেনি। তারপরেও বাবরের বড়ো ছেলে হিসেবে তিনি শক্ত হাতে শাসনকার্য চালিয়ে যান এবং মুঘল সাম্রাজ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।'নবাব সিরাজউদ্দৌলা উদ্দীপকের হুমায়ূনের মতো হলে, 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পরিণতি ভিন্ন হতে পারত।'-বিশ্লেষণ করো।
- মিরজাফর ১৭৫৭ সালের কত তারিখে বাংলারমসনদে বসেন?
- বীথি ও সাথী দুই বোন। দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে বীথি যখন দেশে ফিরল তখন তার বাবার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পূর্বে বাবা তার সম্পত্তির কিছু অংশ সাথীকে দান করে যান। এই নিয়ে বীথি ভীষণ গোলযোগ সৃষ্টি করে। সে মনে করে বৃদ্ধ পিতাকে ভুলিয়ে সাথী সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে। সম্পত্তির জন্য সে ভয়ংকর হয়ে ওঠে এবং সাথীর কলেজপড়ুয়া ছেলের পেছনে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দেয়।উদ্দীপকের বীথি ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগম চরিত্রের তুলনা করো।
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকেবারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্কা গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দন্ত প্রতাপ।'আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুরবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।'বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়।' উদ্দীপকের এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- কার নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়?
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত____
- কোনটি সঠিক?