তাহেরের বাপ নিরুদ্দেশ হয়ে যায় কেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে অর অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই অকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও তাকে এ প্রস্তাব দেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।"উদ্দীপকের প্রতিফলিত ইতিবাচক জীবন চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি পরীক্ষা করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসে হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসিমুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা, সবার অজান্তে অবৈধ ব্যাবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।"স্বার্থরক্ষায় উদ্দীপকের হোসেন মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র একই পথের পথিক"-তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- বাংলাদেশের একটি ছোট্ট জনপদ বসন্তপুর। সভ্য জীবনের কোনো ছোঁয়া এখানে নেই। অসুখে-বিসুখে আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, পানিপড়াই তাদের একমাত্র ভরসা। এ গ্রামের মেয়ে হনুফা নিরক্ষর হলেও তার কথাবার্তা ও চিন্তাচেতনায় বুদ্ধিমত্তার ছাপ স্পষ্ট। আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া কেরামতিতে সে আদৌ বিশ্বাস করে না। গ্রামবাসীদের সে আবুল মিয়ার ভণ্ডামি সম্পর্কে সচেতন করে এবং যেকোনো অসুস্থতায় আবুল মিয়ার কাছে না গিয়ে শত কষ্ট হলেও ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।উদ্দীপকের বসন্তপুর গ্রামের মানুষের চেতনার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের চেতনার সাদৃশ্য দেখাও।
- 'চার সতীনের ঘর' চলচ্চিত্রে দেখেছিলাম নায়ক একজনধনাঢ্য ব্যক্তি। তার ঘরে তিন স্ত্রী। অথচ কোনো সন্তাননেই। তাই সন্তানের আশায় নায়ক আবারও শাবনূরকেচতুর্থ স্ত্রী হিসেবে ঘরে আনে। উদ্দীপকের নায়কের এরূপ সাদৃশ্যের কারণউভয়েরই—সন্তানলাভ আকাঙ্ক্ষাবহু স্ত্রী গ্রহণধর্ম ব্যবসানিচের কোনটি সঠিক?
- তাহের আর কাদের মজিদকে প্রথম কোথায় দেখেছিল?
- দরিদ্র বালক সবুজের তিন কুলে কেউ নেই। পেটের দায়ে লঞ্চঘাটে গিয়ে পাঁচ টাকার বিনিময়ে একজনের ব্যাগ মাথায় নিতেই পুরোনো কুলিরা তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। সবুজ দমে না গিয়ে সেখানে শেকড় গাড়ার চেষ্টা করে। একসময় সে কুলিদের সর্দার হয়। তাতেও সে নিশ্চিন্ত হতে পারে না। বিশাল এ দুনিয়ায় সে অর্থবিত্ত অর্জনের পাশাপাশি প্রভাব, প্রতিপত্তি ও আধিপত্যের নেশায় মেতে ওঠে। পরবর্তীতে তার সব হয়। এখন আর কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে পারে না।উদ্দীপকের সবুজ 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?- আলোচনা কর।
- শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- আটোয়ারী থানার 'বার আউলিয়া' নামক স্থানে বারোটি মাজার আছে। সেখানে বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ব্যবসা বাণিজ্য। নানারকম ব্যবসার মাঝে কিছু অসাধু ব্যক্তি ধর্মকে আশ্রয় করে মানুষ ঠকানোর কাজ করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে নেয়।"ধর্ম কখনো কখনো একশ্রেণির ব্যক্তির ব্যবসার উপজীব্য হয়ে উঠেছে।" উদ্দীপকের কাহিনি ও পরিণতির চেয়ে উপন্যাসের কাহিনি ও পরিণতি অধিকতর বৈচিত্র্যময়- বিষয়টি তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- অন্ন চাই, প্রাণ চাই, আলো চাই, চাই মুক্ত বায়ুচাই বল, চাই স্বাস্থ্য, আনন্দ-উজ্জ্বল পরমায়ু’সাহস বিস্তৃত বক্ষপট। এ দৈন্য-মাঝারে কবি,একবার নিয়ে এসো স্বর্গ হতে বিশ্বাসের ছবি। উদ্দীপকের আলোকে ‘লালসালু' উপন্যাসের প্রাণময়ও সাহসী চরিত্র কোনটি?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসে হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসিমুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা, সবার অজান্তে অবৈধ ব্যাবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- তপু ভাগ্যান্বেষণে ঘুরতে ঘুরতে এসে হাজির হয় রাজধানী ঢাকায়। মিটফোর্ডে এক ফুটপাতে হোটেলে খেতে গিয়ে দেখতে পায় পাশের নর্দমায় অনেকগুলো ঔষধ পড়ে আছে। হোটেল বয়ের কাছে জানতে পারে এগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ কোম্পানি ফেলে গেছে। তার মাথায় বিদ্যুৎ খেলে যায়। সে ঐ ঔষধগুলো কুড়িয়ে নতুন প্যাকেটে মুড়ে কম দামে বিক্রি করতে থাকে। সাধারণ মানুষ কম দামে পেয়ে সরল বিশ্বাসে তার দোকান থেকে ঔষধ কিনে প্রতারিত হতে থাকে। আর তপু অল্পদিনে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বনে যায়।'প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও তপু ও মজিদের লক্ষ্য এক'- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- মহাসড়কের পাশে পুরাতন একটি কবরকে মাজার বানিয়ে জমজমাট ব্যবসায় চালিয়ে যাচ্ছে মোখলেছ। কবরটিকে মাজারে রূপান্তরিত করার ঘটনাটি ছিল বেশ নাটকীয়। একদিন একটি যাত্রীবাহী বাস কবরটির পাশে সামান্য ধাক্কা লেগে থেমে যায়। ঠিক তখনি কবরের পাশে দাঁড়ানো মোখলেছ ড্রাইভারকে ধমকে বলে, "ল্যাংটা বাবার সাথে বেয়াদবি। সামনে তোর জন্য মহাবিপদ অপেক্ষা করছে। বাঁচতে চাইলে বাবার দরবারে যার যা আছে ফেলে যা।" মুহূর্তের মধ্যে বাসের জানালা দিয়ে কবরের পাশে বৃষ্টির মতো পড়তে লাগলো দশ টাকা, বিশ টাকা এবং একশ টাকার নোট।উদ্দীপকে বর্ণিত মাজার প্রতিষ্ঠার ঘটনাটি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার অনুরূপ? বিশ্লেষণ কর।
- 'সময়-অসময়ে মিথ্যে কথা না বললে নয়।'- উক্তিটির প্রাসঙ্গিক তা তুলে ধরো।
- ধূর্ত তুহিন সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও ধর্মভীতিকে কাজেলাগিয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাবিজ বিক্রি ওপানি পড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী সহজ-সরলশোভা স্বামীর প্রতি বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় অন্ধ।উদ্দীপকের শোভা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রেরপ্রতিনিধিত্ব করে?
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এ-এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন, সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক রূপায়ণ- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই কর।
- 'আলালের ঘরে দুলাল' কাহিনিগ্রন্থ কত সালে প্রকাশিত হয়?
- জমিলা মজিদের মুখে থুথু দিয়েছিল কেন?
- দিনমজুর আবুল মিয়ার একমাত্র মেয়ে শাহানা। এখন সে বারো বছরের কিশোরী। চেহারাটা একটু রোগা বলে বয়সটা তার ঠিক কতো তা বোঝা যায় না। শাহানা খুব চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা। সে উচ্ছল ও হাস্যমুখর। হঠাৎ রইচ ঘটক পাশের গ্রামের রহম আলী নামে এক মধ্যবয়সী পাত্রের প্রস্তাব নিয়ে আসে। শাহানার পিতা অভাবের কথা ভেবে শাহানার বিয়ের এ প্রস্তাবে রাজি হয়। শাহানার দু'চোখে বিস্ময় ও ক্ষোভ। শাহানার স্বপ্নগুলো, রহম আলীর আচরণে ও রূঢ়তায় বিচূর্ণ হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শাহানা ও 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার ভাগ্য একই সূত্রে গাঁথা।"- এ মন্তব্য কতটা গ্রহণযোগ্য? মূল্যায়ন করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের উপজীব্য কী?
- পীর সাহেব নারীদের প্রতি আসক্ত হওয়ার কারণে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পর্দার আড়ালে নানা কথা বলেন। মুরিদের সুন্দরী বউকে তালাক দিতে বাধ্য করে তার মনোবাসনা পূরণ করেন।উক্ত চরিত্রদ্বয়ে প্রকাশ পেয়েছে-ছলনা আসক্তিধার্মিকতানিচের কোনটি সঠিক?