‘ওরা কদম আলী’ নাটকটি কে লিখেছেন?
A. মুনীর চৌধুরী
B. আবদুল্লাহ আল মামুন
C. মামুনুর রশীদ
D. রশীদ হায়দার
সঠিক উত্তরঃ
C.
মামুনুর রশীদ
Explanation: ‘ওরা কদম আলী’ নাটকটি লিখেছেন মামুনুর রশীদ।
মামুনুর রশীদ (জন্ম ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮) একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের মঞ্চ আন্দোলনের পথিকৃত। তার নাট্যকর্মে প্রখর সমাজ সচেতনতা লক্ষনীয়। শ্রেণী সংগ্রাম তার নাটকের এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু।
তার উল্লেখযোগ্য নাটক হচ্ছে: ১৯৭৪ গন্ধর্ব নগরী,
১৯৭৬ ওরা কদম আলী,
১৯৮১ ওরা আছে বলেই,
১৯৮৩ ইবলিশ,
১৯৮৪ এখানে নোঙর,
১৯৮৫ গিনিপিগ,
১৯৮৬ অববাহিকা ।
Related Questions (Any University/Year)
- অপুর কেমন মনে হয় নিশ্চিন্দিপুরের সেই অপূর্ব মায়ারূপ এখানকার কিছুতেই নাই। কোথায় সে নিবিড় পুষ্পিত ছাতিম বন, ডালে ডালে সোনার সিঁদুর ছড়ানো সন্ধ্যা? আজ কতদিন সে নিশ্চিন্দিপুর দেখে নাই- তিন বৎসর! কত কাল! সে জানে নিশ্চিন্দিপুর তাহাকে দিনে-রাতে সবসময় ডাকে। বাঁশবনটা ডাক দেয়, দেবী বিশালাক্ষী ডাক দেন। এতদিনে তাহাদের সেখানে ইছামতিতে বর্ষার ঢল নামিয়াছে। ঝোপে ঝোপে নাটা কাঁটা, বনকলমীর ফুল ধরিয়াছে। বন অপরাজিতার নীল ফুলে বনের মাথা ছাওয়া।উদ্দীপকের অপুর প্রকৃতি প্রেমের সঙ্গে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার সাদৃশ্য পাওয়া যায় কি?-আলোচনা কর।
- কে তুমি? পার্সি? জৈন? ইহুদি? সাঁওতাল, ___, গারো?
- শকুন্তলোকে রক্ষা করেছিল
- “মানুষ পণ করে পণ ভাঙিয়া ফেলিয়া হাঁফ ছাড়িবার জন্য” কার উক্তি?
- 'সেখানে বরুণ/কর্ণফুলী ধলেশ্বরী পদ্মা জলাঙ্গীরেদেয় অবিরল জল;’–‘এই পৃথিবীতে এক স্থানআছে' কবিতার উদ্ধৃত অংশে প্রকাশ পেয়েছে—
- কমলাকান্ত কোন পরিচয়ে আদালতে এসেছেন ?
- কোন কবিতাটি কবির ছাত্রাবস্থায় মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্য তালিকাভূক্ত হয়?
- চট্টগ্রামের এক জেলেপাড়ায় হরিশংকর জলদাস জন্মগ্রহণ করেন। দারিদ্র্যপীড়িত জেলে জীবনের সদস্য হলেও আপন প্রতিভাবলে বর্তমানে তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত কথাসাহিত্যিক ও গবেষক। বাংলা সাহিত্যে অনাদৃত জেলে জীবন নিয়ে গল্প-উপন্যাস ও গবেষণা কর্মের জন্য একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন। জেলেপাড়ার সুবিধা বঞ্চিত, অনাহারক্লিষ্ট মানুষের দুঃখ-কষ্টে জর্জরিত বিপন্নতার এক বৈচিত্র্যময় ভাষাচিত্র তিনি অংকন করেছেন তাঁর কথাসাহিত্যে। তাঁর লেখনী কৃত্রিমতার আবরণে ঢাকা নয়, গভীর মমতায় চিত্রায়িত নিম্নবর্ণের সমাজ জীবনের চালচিত্র বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদে পরিণত হয়েছে।"কাছে থেকে দূরে যারা তাহাদের বাণী যেন শুনি" কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এরকম প্রত্যাশিত সাহিত্যকর্মই যেন উদ্দীপকের হরিশংকর জলদাসের রচনার বিষয়বস্তু।-অভিমতটি যাচাই কর।
- 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানোহয়েছে?
- ‘মুস্তফা চরিত” গ্রন্থের রচয়িতা কে ছিলেন?
- পুঁথির প্রতাপ' কে লিখেছেন ?
- আমার দেশের মতন এমন দেশ কি কোথাও আছেবউ কথা কও পাখি ডাকে নিত্য হিজল গাছে।দোয়ের কোয়েল কুটুম পাখি, বন-বাদাড়ে যায়রে ডাকিআছে শাপলা শালুক ঝিলে বিলে, পুকুর ভরা মাছে।হাজার তারার মানিক জ্বলে হেথায় মাটির ঘরেসবার মুখের মিষ্টি কথায় সবার হৃদয় ভরে রে।উদ্দীপকটির সাথে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতা কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ বর্ণনা করো।
- “ঐকতান” কবিতায় কবি যে নিন্দার কথা বলেছেন-
- সকল মহামানবই চেয়েছেন হিংসা-দ্বেষ ও হানাহানিমুক্ত একটি বাসযোগ্য নির্মল পৃথিবী। হিংসা ???র স্বার্থপরতার বিষবাষ্পে ছেয়ে গেছে বর্তমান বিশ্ব। ভালোবাসাহীন, স্বার্থান্ধ ও মানবিকতাশূন্য এমন পৃথিবীর কথা মহামানবেরা চিন্তাও করেননি। সর্বত্র বিরাজমান সকল অশুভ শক্তির শিকড়কে উপড়ে ফেলে ভালোবাসা ও মানবিকতার ছায়া ছড়িয়ে দিতে পারলেই বাসযোগ্য একটি নির্মল পৃথিবীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।"উদ্দীপকের মূলভাব 'সেই অস্ত্র' কবিতার মূলভাবকে অনেকাংশেই ধারণ করতে পেরেছে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- কথা না দেয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।' হৈমন্তী গল্পের উক্তিটি কার ?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কবি কোন নদীরযৌবন চেয়েছেন?
- কোনটি পিতৃতান্ত্রিক আদিবাসী সম্প্রদায়?
- ‘ঐকতান’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থ?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কয়টি নদীর কথা বলা হয়েছে?
- হৈমন্তীর ছবিতে পেছনে ঝোলানো ছিল