'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ধনকুবের কে?
A.
রাজবল্লভ
B.
রায়দুর্লভ
C.
জগৎশেঠ
D.
মানিকচাঁদ
সঠিক উত্তরঃ
C.
জগৎশেঠ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- ব্যাখ্যা করো।
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মন্তু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বেদনাবহ পরিণতি খন্ড চিত্র।"- আলোচনা কর।
- স্ত্রী জাএদা কর্তৃক বিষ প্রয়োগে মৃত্যুর পূর্ব সময়ে হাসানের উক্তি, শয্যার নিকটে জাএদাকে ডাকিয়া হাসান চুপি চুপি বলিতে লাগিলেন, 'জাএদা, তোমার চক্ষু হইতে হাসান বিদায় হইতেছে, আশীর্বাদ করি, সুখে থাকো। তুমি যে কার্য করিলে সমস্তই আমি জানিতে পারিয়াছি। তোমাকে বড়োই বিশ্বাস করিতাম। বড়োই ভালোবাসিতাম। তাহার উপর্যুক্ত কার্যই তুমি করিয়াছ। ভালো থেকো, সুখে থাকো, আমি তোমাকে ক্ষমা করিলাম।'"উদ্দীপকের সংকট ব্যক্তি পর্যায়ে হলেও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সংকট রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের।" বিশ্লেষণ করো।
- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাশাসক, রাজনীতিবিদ ও কতিপয় বিপথগামী দোসররা জনসাধারণের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায় ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এ দেশের আপামর জনতা দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে ।উদ্দীপকে শেষ বাক্যের বিষয়বস্তু সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের নিচের কোন বাক্যে প্রতিফলিত হয়েছে?
- পঁচিশে মার্চের রাতে হানাদার বাহিনী ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনস আক্রমণ করলে মুমিনের বাবা প্রাণ হারান। বাবা মারা যাওয়ার পর মুমিনের দাদা ওদের পরিবারের সকলকে গ্রামে নিয়ে যান। তখন থেকেই মুমিন প্রতিজ্ঞা করে- তার বাবার হত্যার প্রতিশোধ নিতে হবে। খানদের তাড়াতে হবে এ দেশ থেকে।"উদ্দীপকটি 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের সামগ্রিক প্রতিফলন নয়।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'বর্গি এস খাজনা নিতেমারল মানুষ কত।পুড়ল শহর, পুড়ল শ্যামলগ্রাম যে শত শত।হানাদারের সজো জোরেলড়ে মুক্তি সেনা,তাদের কথা দেশের মানুষকখনো ভুলবে না।'উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটিকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
- কালাম ভাড়া করা বাড়িতে বসবাস করে। দীর্ঘদিন একবাড়িতে থাকার সুবাদে বাড়িওয়ালা আনোয়ারের সাথেসুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। আনোয়ারের চাচাত ভাই জামিলসম্পত্তির লোভে আনোয়ারকে হত্যা করতে উদ্যত হয়।জামিলের এ তৎপরতা অন্যায় জেনে বাধা দেয় কালাম।অবশেষে জামিলের হাতে নিহত হয় কালাম ।এরূপ তুলনার কারণ, উভয়েই— বহিরাগতস্বগোত্রীয়ের জন্যে লড়েছেন্যায়ের প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেনিচের কোনটি সঠিক?
- "সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো" উক্তিটি কার?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপোষহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষণকারী, স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ সর্বোপরি ১৯৭১ সনে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর সঠিক নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম 'বাংলাদেশ' নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানিদের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সনের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।"উদ্দীপকের শেখ মুজিবুর রহমান এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলা দু'জনেই দেশপ্রেমী এবং নির্মম ষড়যন্ত্রের শিকার"- উক্তিটির তাৎপর্য বিচার করো।
- ঘসেটি বেগম নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে অভিসম্পাত করলেন কেন?
- পলাশি যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে কত হাজার সৈন্য ছিল?
- উমিচাঁদ ঘসেটি বেগমকে কার স্বাক্ষরিত চিঠিদেয়?
- ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোধেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- পারফেক্ট স্কাউন্ডেল বলা হয়েছে কাকে?
- 'দওলত' আমার কাছে ভগবানের দাদা মশায়ের চেয়ে বড়ো'- উক্তিটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- মিরজাফরের গুপ্তচর কে?
- মাত্র সতেরো জন্য সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খিলজি বাংলার মসনদ দখল করে নেন। এই সতেরো জন্য সৈন্য যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের অসামান্য সাহস, বিশ্বাস আর শৃঙ্খলার জন্য। 'পক্ষান্তরে লক্ষ্মণসেনের বাহিনী ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত। লক্ষ্মণসেনের বিশাল বাহিনী তাকে রেখে পালিয়ে গেল। তাই লক্ষ্মণসেনও আত্মগোপনে চলে গেলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘটনা কোন কোন দিক দিয়ে তুলনীয়? বুঝিয়ে লেখো।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- উক্তিটি কার?
- ব্রিটিশ শাসকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভারতবাসী। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে এগিয়ে আসেন অনেকে। এদেরই একজন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি।" 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল বিষয় দেশপ্রেম যা উদ্দীপকে বিদ্যমান।" মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'শোনো, একদিন এই দেশটাতেদানবেরা দেয় হানাশকুনেরা মেলে ডানাপুড়ে ছারখার মাঠের শস্য'মানুষের আস্তানা।'"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে কতটুকু যোগসূত্র স্থাপন করেছে?" বিশ্লেষণ করো।