মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

হীরকে কার্বনের সাথে কার্বনের কোন ধরনের বন্ধন থাকে? 

A. সমযোজী 
B. আয়নিক
C. সন্নিবেশ সমযোজী 
D. ধাতব বন্ধন 
Poster Download
BUTEX.TEXTরসায়ন প্রথম পত্রমৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধনরাসায়নিক বন্ধন - সমযোজী বন্ধন (Topic Practice)BUTEX.TEXT - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. সমযোজী 
Explanation:

Another Explanation (5):

হীরকে কার্বনের বন্ধন: একটি ব্যাখ্যা 💎

হীরক একটি ব্যতিক্রমী কঠিন এবং মূল্যবান রত্ন। এর এই অসাধারণ বৈশিষ্ট্যের কারণ হল এর গঠন। হীরকের প্রতিটি কার্বন পরমাণু চারটি অন্যান্য কার্বন পরমাণুর সাথে শক্তিশালী বন্ধন দ্বারা আবদ্ধ থাকে। এই বন্ধনগুলোই হীরাকে এত দৃঢ়তা দেয়।

কার্বন-কার্বন বন্ধনের ধরন: সমযোজী বন্ধন 🤝

হীরকের কার্বন পরমাণুগুলোর মধ্যে সমযোজী বন্ধন (Covalent Bond) বিদ্যমান। নিচে এই বন্ধন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

  • সমযোজী বন্ধন কি? 🤔: সমযোজী বন্ধন হলো এমন একটি রাসায়নিক বন্ধন যেখানে দুটি পরমাণু তাদের মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ার করে।
  • বৈশিষ্ট্য ✨:
    • এই বন্ধনে পরমাণুগুলো তাদের সর্ববহিঃস্থ কক্ষপথের ইলেকট্রনগুলো ভাগাভাগি করে।
    • সাধারণত দুটি অধাতু পরমাণুর মধ্যে এই বন্ধন গঠিত হয়।
    • সমযোজী বন্ধন শক্তিশালী আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের সৃষ্টি করে।
  • হীরকে এর ভূমিকা 🎯: হীরকের ক্ষেত্রে, প্রতিটি কার্বন পরমাণু তার চারটি যোজ্যতা ইলেকট্রনকে চারটি ভিন্ন কার্বন পরমাণুর সাথে শেয়ার করে, যা একটি ত্রিমাত্রিক জালিকার (3D network) সৃষ্টি করে।

হীরকের ত্রিমাত্রিক গঠন 🧊

হীরকের কার্বন পরমাণুগুলো চতুস্তলকীয় (tetrahedral) আকারে সজ্জিত থাকে। এই কারণে হীরা একটি বিশাল, সুসংহত এবং ত্রিমাত্রিক কাঠামো গঠন করে।

হীরকের গঠন
বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
বন্ধন ধরন সমযোজী (Covalent)
গঠন চতুস্তলকীয় (Tetrahedral)
বদ্ধন সংখ্যা প্রতিটি কার্বন ৪টি কার্বনের সাথে যুক্ত
বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত কঠিন, উচ্চ গলনাঙ্ক, বিদ্যুৎ অপরিবাহী

সমযোজী বন্ধনের কারণে হীরকের বৈশিষ্ট্যসমূহ 💫

  1. কঠিনতা 💪: শক্তিশালী সমযোজী বন্ধনের কারণে হীরা পৃথিবীর কঠিনতম পদার্থগুলোর মধ্যে অন্যতম।
  2. উচ্চ গলনাঙ্ক 🌡️: এই বন্ধনগুলো ভাঙতে প্রচুর শক্তি প্রয়োজন হয়, তাই হীরকের গলনাঙ্ক অনেক বেশি (প্রায় ৩৫০০° সেলসিয়াস)।
  3. বিদ্যুৎ অপরিবাহী 💡: হীরকের কার্বন পরমাণুগুলোর মধ্যে কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই, তাই এটি বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে না।
  4. উচ্চ প্রতিসরাঙ্ক refractivity💎: আলোর প্রতিসরণের কারণে হীরা চকচক করে।

সংক্ষেপে, হীরকের কার্বন পরমাণুগুলোর মধ্যে সমযোজী বন্ধন বিদ্যমান। এই বন্ধন হীরকের গঠন এবং বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্য দায়ী।

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি হীরকের কার্বন বন্ধন সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সহায়ক হবে! 😊