ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন রবিন স্বৈরাচারী শাসকের নিপীড়ন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে জীবন যেতে পারে জেনেও সুন্দর আগামীর ভবিষ্যতে এগিয়ে যায়.।
উদ্দীপকের রবিনের মনোভাবটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন চরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
A.
এ বয়সে প্রাণ তীব্র আর প্রখর
B.
এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে
C.
স্??র্ধায় নেয় মাথা তুলবার ঝুঁকি
D.
এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে
সঠিক উত্তরঃ
B.
এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ 'আকাল' সম্পাদনা করেন কে?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- চরণটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- আঠারো বছর বয়স' কবিতায় এ বয়স বাঁচে কীভাবে?
- "এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে "এ বাক্যে 'আঠারো' কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- আঠারো বছর বয়স কোন ছন্দে রচিত?
- স্টিমারের প্রসঙ্গ এসেছে কোন কবিতায়?
- আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- বাপের বাড়িতে যাইবার কালে কহিত ধরিয়া পা ‘আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ।’ পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।রক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে।পুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচাআয় দূরন্ত আয় রে আমার কাঁচা।"উদ্দীপকে এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় মূলত তারুণ্যের জয়গান গাওয়া হয়েছে।" মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।"উদ্দীপকের প্রাণধর্ম ও যৌবন-ধর্ম 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় পরিলক্ষিত হয়"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- 'এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'-কবির এ প্রত্যাশা কেন?
- প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের আর নিছক কৌতূহলের বশে 'ব্লু হোয়েল' নামক অনলাইন গেমের মরণজালে জড়িয়ে সোনালি তার জীবন বিপন্ন করে তোলে। অথচ শমী হাসান মায়ের মৃত্যুর পর শোককে শক্তিতে পরিণত করে দরিদ্র হরিজন পল্লিতে সেবামূলক কাজ শুরু করে। পানিবাহিত রোগের কারণে যেন কারো মৃত্যু না ঘটে সেই বিষয়ে কাজ করে শমী আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থা গ্লোবাল সিটিজেনের নিরাপদ পানি, সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক তরুণ মুখপাত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।উদ্দীপকের সোনালি চরিত্রের মধ্য দিয়ে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- আঠারো বছর বয়স কবিতায় 'আঠারো' শব্দটি ব্যাবহৃত হয়েছে?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার কিশোর সভার সদস্য ছিলেন?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- 'আপদ আছে, জানি আঘাত আছেতাই জেনে তো বক্ষে পরান নাচে।'উদ্দীপকটির আঠারো বছর বয়স' কবিতার নিচেরকোন চরণের সাথে মিল রয়েছে?
- "প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য'- ব্যাখ্যা করো।
- শব বহন করিয়া যখন সে যায় শ্মশানঘাটে, গোরস্তানে, অনাহারে থাকিয়া যখন সে অন্ন পরিবেশন করে দুর্ভিক্ষ বন্যাপীড়িতদের মুখে, বন্ধুহীন রোগীর শয্যা পাশে যখন সে রাত্রির পর রাত্রি জাগিয়া পরিচর্যা করে, যখন সে পথে পথে গান গাহিয়া ভিখারি সাজিয়া দুর্দশাগ্রস্তদের জন্য। ভিক্ষা করে, যখন দুর্বলের পাশে বল হইয়া, দাঁড়ায়, এই ধর্ম যাহাদের তাহারাই তরুণ।"উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটির খন্ডাংশমাত্র।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- করোনা মহামারিতে মানুষ যখন খুব ভীত ও আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাপন করছিল বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিশা তখন ভয়ভীতি ত্যাগ করে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা আক্রান্ত মানুষের বাড়িতে ওষুধ ও খাবার নিয়ে গেছে দিন রাত। তিশাকে অনেকেই এসব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিলেও তিশার কাছে মনে হয়েছে তারুণ্যই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। আর এ জন্যই সে সমস্ত সমালোচনা অগ্রাহ্য করে মানবতার সেবায় অংশগ্রহণ করেছে সানন্দে।"উদ্দীপকের তিশার কাজ ও মনোভাব 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব কে বহন করে মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?