“মিসক্রিয়েন্টরা সব খতম"___এখানে ‘মিসক্রিয়েন্ট’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
A.
মুক্তিফৌজ
B.
পাকবাহিনী
C.
শান্তিবাহিনী
D.
মিত্রবাহিনী
সঠিক উত্তরঃ
A.
মুক্তিফৌজ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘রেইনকোট’ গল্পে পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা' কী?
- ১৯ শে অক্টোবর ১৯৭১ সালে ঢাকার মতিঝিল এলাকায় একটি ব্যাংকের সম্মুখে পাকিস্তানি জঙ্গী সরকারের তাঁবেদারদের একটি মোটরগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। আমাদের দুঃসাহসিক বীর তরুণরা প্রকাশ্যে টহলরত হানাদার সৈন্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে উক্ত গাড়ির আসনের নিচে একটা 'টাইম বোমা' বসিয়ে দেয়। এরপর তাঁবেদাররা ব্যাংক লুট করে মোটরে আসনে গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত করে বোমাটি বিস্ফোরিত হলে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য গাড়িও একসঙ্গে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ফলে ঘটনাস্থলে ৫ জন তাঁবেদার খতম এবং কয়েকজন মারাত্মক আহত হয়। গেরিলা যোদ্ধাদের এরকম কর্মকাণ্ড অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তোলে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রেরণা জোগায়।'মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা আক্রমণের সফলতা আমাদের অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তুলেছিল।"- উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে তোমার যুক্তি উপস্থাপন করো।
- মাঠ পেরিয়ে একটু বাঁ দিকে কার কোয়ার্টার?
- ‘রেইনকোট’ গল্পে বর্ণিত জেনারেল উইন্টার কোন দেশের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য?
- জেলে বন্দি থাকাকালে ভগৎ সিং ভারতীয় বন্দিদের সমানাধিকারের দাবিতে ৬৩ দিন অনশন করেন। ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত দুজনই ছিলেন অনশন ধর্মঘটে। তাদের স্ট্রেচারে করে যখন আদালতে আনা হয়, অন্য কারাবন্দিরা অনশনের কথা জানতে পেরে যোগ দেন। ৬৩ দিন অনশনের পর ব্রিটিশশক্তি নতি স্বীকার করে। নিজের দেশকে মুক্ত করার জন্য জীবন বাজি রেখে ভগৎ সিং নানা সংগ্রামে অংশ নেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। পরে হাসিমুখে ব্রিটিশদের দেওয়া ফাঁসির দড়ি তিনি বরণ করে নেন।"উদ্দীপকের বর্ণিত ভগৎ সিং এর ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে নিজের জীবন উৎসর্গ করার সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার প্রেক্ষাপট ও কাহিনির ভিন্নতা রয়েছে।" মন্তব্যটি সমর্থন করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'মনে হচ্ছে যেন বৃষ্টি পড়ছে রেইনকোটের উপর'- কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- চারদিন ধরে বৃষ্টি। শনিবার রাতে কি মুষলধারেই যে হলো, রোববার তো দিনভর একটানা। গতকাল সকালের পর বৃষ্টি থামলেও সারাদিন আকাশ মেঘলা ছিল। মাঝে মাঝে এক পশলা বৃষ্টি এখন সন্ধ্যার পর বৃষ্টি নেই। ঘন ঘন মেঘ ডাকছে আর বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। বসার ঘরের জানালা দিয়ে তাকিয়ে ভাবছিলাম, আমার জীবনেও এতদিনে সত্যি সত্যি দুর্যোগের মেঘ ঘন হয়ে আসছে। এ 'রকম সময় করিম এসে ঢুকল ঘরে। সামনে সোফায় বসে বলল, ফুফুজান এ পাড়ার অনেকেই চলে যাচ্ছে বাড়ি ছেড়ে। আপনারা কোথাও যাবেন না? আরও একটা কথা শুনেছেন ফুফুজান? নদীতে নাকি প্রচুর লাশ ভেসে যাচ্ছে। পেছনে হাত বাঁধা, গুলিতে মরা লাশ।"উদ্দীপকের করিমের মন্তব্য ও 'রেইনকোট' গল্পের প্রেক্ষাপট অভিন্ন।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'রেইনকোট' গল্পের প্রধান চরিত্রটির নাম কী?
- 'রেইনকোট' গল্পে অফিসের জন্য কয়টি আলমারি আনা হয়েছিল?
- কলিমদ্দি দফাদারের বোর্ড অফিস শীতলক্ষ্যার তীরের বাজারে। । নদীর এপারে-ওপারে বেশ কিছু বড়ো বড়ো কল-কারখানা। এগুলো শাসনের সুবিধার্থে একদল খান সেনা বাজারসংলগ্ন হাই স্কুলটিকে ছাউনি করে নিয়েছে। কোনো কোনো রাত্রে গুলিবিনিময় হয়। কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতি আক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়, খান সেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না।উদ্দীপকটির শেষাংশের বক্তব্য 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- 'ধাঁ করে একটি ট্রাক যাচ্ছে ছুটে, আরোহী ক'জনচোখ বাঁধা, হাত বাঁধা আবছা মানুষপাশে রাইফেলধারী পাঞ্জাবি সৈনিক।ছাত্র নই, মুক্তি সেনা নই কোনোও, তবুহঠাৎ হ্যান্ডস আপ বলেস্টেনগান হাতে আর প্রশ্ন দেয় ছুড়ে ঘাড় ধরে-বাঙ্গালিহো তুম?'উদ্দীপকে মিলিটারিদের বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের ছবি যেন 'রেইনকোট' গল্পের প্রতিচ্ছবি"- ব্যাখ্যা করো।
- ‘রেইনকোট' গল্পের রেইনকোটটি কার?
- ‘রেইনকোট' গল্পটি পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা জানতেপারবে—মুক্তিযোদ্ধার স্বরূপসাধারণ ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপাকবাহিনীর বর্বরতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'রেইনকোট' গল্পে কে এপ্রিলের শুরু থেকে বাংলা বলাছেড়েছে?
- কোন ঋতুর শেষের বৃষ্টিতে 'রেইনকোট' গল্পের নুরুলহুদার শীত শীত ভাব হয়?
- 'যেন বৃষ্টি পড়ছে মিন্টুর রেইনকোটের ওপর।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের ঘটনার পরিণতি প্রত্যাশিত কিন্তু 'রেইনকোট' গল্পের পরিণতি থেকে ভিন্ন।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- কোন বানানটি সঠিক?
- শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' উপন্যাসে দেখা যায়, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশকে বিভীষিকাময় নরককুন্ডে পরিণত করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের গোপন তৎপরতার কথাও আছে। মাছে। প্রবীণ স্কুলশিক্ষক গাজী রহমান স্বীয় প্রাণ সংশয়াপন্ন দেখে আত্মগোপনে চলে যান। কিন্তু এ পলাতক জীবন নিয়ে তিনি বিব্রত। তিনি যেন তাঁর নিজের কাছেই কাছেই অপরিচিত ত জন। দেড় মাসের পলাতক জীবনে তাঁর সঙ্গে পরিচয় ঘটে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার। অসীম সাহসী এ সকল মানুষের সাথে মিশে অনুপ্রাণিত হয়ে নিভীকচিত্তে তিনি পা রাখেন বাস্তবের কঠিন কর্তব্যভূমিতে।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের বিষয়বস্তু কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- তালেব মাস্টার অত্যন্ত ভীতু প্রকৃতির একজন মানুষ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের জন্য তার দাদার ফাঁসি হয়। সেই দাদার একজোড়া বুট এখনো তাদের আলমারিতে রক্ষিত আছে। মাঝে মাঝে সে বুটজোড়া পায়ে দেন মাস্টার। শরীরে সাহস সঞ্চার হয়, শরীরে আলাদা একটা উত্তেজনা অনুভব করেন। মুক্তিযোদ্ধারা ব্রিজ-কালভার্ট উড়িয়ে দিয়েছে, মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগসাজশ আছে ভেবে পাকিস্তানিরা তাকে গ্রেফতার করে। তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চলে। কিন্তু পায়ে থাকা দাদার বুটজোড়া তাকে সাহসী করে তোলে। দেশপ্রেম তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। তাঁর মুখ থেকে একটি শব্দও বের করতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তানি সেনারা।" 'রেইনকোট' গল্পে মুক্তিযোদ্ধা মিন্টুর রেইনকোট কোট আর উদ্দীপকে তালেব মাস্টারের দাদার বুটজোড়া অপরিসীম সাহস ও দেশপ্রেমকে প্রতিকায়িত করেছে।"- বিশ্লেষণ কর।