কলেজ থেকে ঘরে ফেরার পথে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষের মধ্যে
পড়ে যায় মাহমুদ। পুলিশের বেধড়ক লাঠিপেটায় সেদিন
থেকেই সে হয়ে ওঠে ভাষা আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী।
উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পটিকে যে প্রেক্ষাপট থেকে
প্রতিনিধিত্ব করে তা হলো-
A.
ছাত্ররাজনীতি
B.
ভাষা আন্দোলন
C.
স্বাধীনতা সংগ্রাম
D.
রাজনৈতিক চেতনা
সঠিক উত্তরঃ
D.
রাজনৈতিক চেতনা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'রেইনকোট' গল্পে ইসহাক ট্যাক্সি ক্যাবে কার বাড়ির দিকে রওনা হয়?
- ‘অবিদিত’ শব্দের অর্থ-
- 'ক্রাক-ডাউনের রাত' বলতে কী বোঝায়?
- 'আব্বু ছোট মামা হয়েছে'- ছোট্ট মেয়ের এ উক্তিতে প্রফেসর কেন চমকে উঠেন?
- ১০ মার্চ, ১৯৭১। রাস্তায় রাস্তায় পাকিস্তানি মিলিটারি। গুয়াতলী গ্রামের হিন্দু জনগোষ্ঠী ভয়ে ভারতে পাড়ি জমায়। শুধু ভিটে আঁকড়ে পড়ে থাকে কেষ্টবাবু। পাশের গ্রামে, ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। স্থানীয় রাজাকার কাশেম মোড়ল কেষ্টবাবুকে সন্দেহের চোখে দেখে। সে মনে করে কেষ্টবাবু মুক্তি বাহিনীর লোক। এক বৃষ্টিমুখর দিনে গুয়াতলী গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে এবং কাশেম মোড়লের ইশারায় হানাদার বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে পার্শ্ববর্তী রাস্তার পাশে জীবন্ত পুঁতে রেখে চলে যায়।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের একটি খণ্ডচিত্র মাত্র।"-উক্তিটির সত্যতা যাচাই করো।
- জেলে বন্দি থাকাকালে ভগৎ সিং ভারতীয় বন্দিদের সমানাধিকারের দাবিতে ৬৩ দিন অনশন করেন। ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত দুজনই ছিলেন অনশন ধর্মঘটে। তাদের স্ট্রেচারে করে যখন আদালতে আনা হয়, অন্য কারাবন্দিরা অনশনের কথা জানতে পেরে যোগ দেন। ৬৩ দিন অনশনের পর ব্রিটিশশক্তি নতি স্বীকার করে। নিজের দেশকে মুক্ত করার জন্য জীবন বাজি রেখে ভগৎ সিং নানা সংগ্রামে অংশ নেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। পরে হাসিমুখে ব্রিটিশদের দেওয়া ফাঁসির দড়ি তিনি বরণ করে নেন।"উদ্দীপকের বর্ণিত ভগৎ সিং এর ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে নিজের জীবন উৎসর্গ করার সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার প্রেক্ষাপট ও কাহিনির ভিন্নতা রয়েছে।" মন্তব্যটি সমর্থন করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- নূরুল হুদার কাছে কোন বিষয়টি 'স্রেফ উৎপাত' বলে মনে হয়? ব্যাখ্যা করো।
- 'রেইনকোট' গল্পে ভীতু নুরুল হুদার সাহসী হয়ে ওঠারমূল কারণ কী?
- ’প্রজাতির দুই পক্ষ’ কথাটির প্রজাপতি বলতে বোঝানো হয়েছে-
- ‘জঙ্গম’ শব্দটি দিয়ে বোঝায়-
- “মহী' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- হয়তোবা ইতিহাসে তোমাদের নাম লেখা রবে নাবড়ো বড়ো লোকেদের ভিড়ে জ্ঞানী আর গুণীদের আসরেতোমাদের কথা কেউ কবে না, তবু এই বিজয়ী বীর মুক্তিসেনাতোমাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হ???ে না।'রেইনকোট' গল্পের মূলভাব উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- ‘রেইনকোট' মুক্তিযুদ্ধের কোন পর্যায়ের গল্প ?
- "বারান্দাওয়ালা টুপির নিচে শব্দের ঘষায় ঘষায় আগুন জ্বলে"- উদ্বৃত চরণটি যে রচনার অন্তর্গত—
- ১৯৭১ সালে সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে নান্দিনা গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্যরা আশ্রয় নেয়। তাদের নানাভাবে সাহায্য করতে থাকে ঐ গ্রামের আবুল মন্ডল। একদিন তার দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে পাকিস্তানি হাদানার বাহিনীর সদস্যরা অধ্যাপক সাজেদুল ইসলামকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। তাঁর কাছ থেকে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে জানতে চাইলেও তিনি তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান।উদ্দীপকের আবুল মন্ডলের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি ব্যাখ্যা কর।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের রেইনকোটটি গল্পে রেইনকোটটি কার ?
- . নুরুল হুদার মৌনতা মিলিটারিদের মনে কোন বিশ্বাসসৃষ্টিতে সাহায্য করে?
- প্রিন্সিপ্যাল আজকাল কাকে তোয়াজ করে?
- বৃত্তাকারে দাঁড়ানো মিলিটারির মাঝখানে হাত-পা বাঁধা কালামকে টানতে টানতে এনে দাঁড় করানো হলো। কালামের নাক-মুখ থেকে রক্ত ঝরছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, মুক্তিবাহিনী কোথায় পালিয়ে গেছে? তিনি ঠিক করলেন, কিছুই বলবেন না। বন্দুকের নলটা কপালের ঠিক মাঝখানটায় ধরা হলো। তিনি বললেন, 'আমার মতো সাধারণ কালামের মৃত্যুতে কিছু এসে যায় না। কিন্তু মুক্তিফৌজদের জীবনের দাম আছে। মুক্তিফৌজ না বাঁচলে তোমাদের মারবে কে?' গুলিটা কপাল ভেদ করে বেরিয়ে যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত মিলিটারির নিপীড়নের দৃশ্যটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে তুলনা করো।
- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।উদ্দীপকে মোরা 'রেইনকোট' গল্পটির যে চরিত্রগুলোকে উপস্থাপন করে-নুরুল হুদামিন্টুআবদুস সাত্তার মৃধানিচের কোনটি সঠিক?