‘শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ’ অনুবাদ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
A. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
B. কাজী আবদুল ওদুদ
C. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
D. ইব্রাহীম খাঁ
সঠিক উত্তরঃ
C.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
Explanation: শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ; মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত দুটি অনুবাদগ্রন্হ। তিনি বাংলার প্রধান ভাষাতত্ত্ববিদদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর উল্লেখযোগ্য গবেষণা গ্রন্হের মধ্যে অন্যতম → ভাষা ও সাহিত্য; বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত; বাংলা ব্যাকরণ; বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষায় অভিধান প্রভৃতি।
Related Questions (Any University/Year)
- চোরের চুরি করার কারণ-
- 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে বেগম রোকেয়া জেলায় জেলায়পাটের চাষ কম করিয়া তৎপরিবর্তে কোনটির চাষপ্রচুর পরিমাণ করার উপদেশ দিয়েছেন?
- কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক..... দাঁত ভাল থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু।উদ্দীপকের মূলবক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।"উদ্দীপকে বিধৃত 'কীত্তনখোলা' নাটকে নাট্যকারের যে কীর্তি তা-ই অন্বিষ্ট ছিল 'ঐকতান' কবিতার কবির।"- আলোচনা করো।
- কমলাকান্তের জবানবন্দি রচনায় কীসের অসঙ্গতি তুলে ধরা হয়েছে?
- গৌরী শংকর কে?
- বহুদিন ধরে বহু ক্রোশ দূরেবহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরেদেখিতে গিয়াছি পর্বতমালাদেখিতে গিয়াছি সিন্ধু।দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দু'পা ফেলিয়াএকটি ধানের শিষের উপরএকটি শিশির বিন্দু।"উদ্দীপক ও 'ঐকতান' কবিতায় নিকটকে দূরে ও দূরকে নিকট করার মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।"- ব্যাখ্যা কর।
- আব্দুল মিয়া একজন কুমোর। সাত পুরুষ ধরে তার পরিবারের সবাই এই পেশায় জড়িত। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় তার আর্থিক অবস্থা আর আগের মতো নেই। তবে সে ভেঙে পড়েনি। পরিবারের সকলের সহযোগিতা ও. কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে সে অনেকটা আত্মনির্ভরশীল। পাশাপাশি সে সাত পুরুষের পেশাও ছাড়েনি। সময় পেলেই সে মাটির শৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করে বিক্রি করে।উদ্দীপকের 'সময়ের পরিবর্তন' কথাটির সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।
- ছাত্র: বৃক্ষ থেকে আমরা কী শিখতে পারি?শিক্ষক: বৃক্ষ মানুষের পরম বন্ধু ও শিক্ষক। মাটি ফুঁড়েনিজের জন্ম থেকে ফুলে-ফলে বিকশিত হওয়া পর্যন্ত সেমানুষকে শিক্ষা দিয়ে থাকে। উক্তিতে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের নিচের কোন চরণটিরঅধিকতর মিল পাওয়া যায়?
- কবর নাটকটি লেখক কোথায় বসে লিখেছিলেন?
- 'জান্তা' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে কোন রচনায়?
- 'সাক্ষী বড় সেরকশা' - কার উক্তি ?
- 'এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির-কাবা নাই'- পঙ্ক্তিতে কী মর্মার্থ প্রকাশ পেয়েছে?
- 'অনবরত ধেয়ে চলা মানুষের সাধনা হওয়া উচিত নয়'- বুঝিয়ে দাও।
- ‘সাম্যবাদী' কবিতার মূল প্রতিপাদ্য কী?
- 'একটি ফটোগ্রাফ'- কবিতায় সময় পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে কী অনুভব করা হয়েছে?
- 'একটি ফটোগ্রাফ' কবিতাটি কোন ছন্দে র??িত?
- সাধনার ব্যাপারে বড়ো জিনিস কী?
- "নিঃস্বলা মাঠের কৃষক" বইটির রচয়িতা কে?
- ‘গঙ্গাঋদ্ধি থেকে বাংলাদেশ’ গ্রন্থের লেখক কে?