লাল পলাশের ভস্মস্তূপে কিসের জ্বালা
স্তব্ধ অধীর বজ্রগর্ভ মেঘের মতো?
শিবির-সীমায় মনের ছায়ায় ইতস্তত
ছড়ায় সে তার কূট-মন্ত্রণা ঘৃণায় ঢালা
দুই শতকের সেই একদিন মনে কি পড়ে?
মিরজাফরের গুলির শিখায়, সমুদ্ধত
নিভল তোমার দিনের সূর্য দিগন্তরে
দূর গোধূলীর সেই একদিন মনে পড়ে
মনে কি পড়ে?
নাটকের কোন দৃশ্যগুলোর ঘটনাসমূহ উদ্দীপকের ৩য় ও ৪র্থ চরণের সাথে বিশেষভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'- বুঝিয়ে দাও।
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান ধানমন্ডির বাসায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকষড়যন্ত্রে সপরিবার শাহাদাত বরণ করেন। কিছু বিপথগামীসেনা সদস্য এ কাজে নিয়োজিত ছিল এবং তারাই হাজারবছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মেরে ফেলল। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাসকরতে পারেননি যে, তাঁকে কেউ মারতে পারে।উদ্দীপকের বিপথগামী সেনা সদস্যদের সঙ্গে‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়াযায়?
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবাত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্ঘাটিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের নিঃসীয় দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।উদ্দীপকের প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রেক্ষাপটে কতটুকু সাদৃশ্য বহন করে? আলোচনা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা এখন কয়েদি, ওয়ার ক্রিমিনাল'- উক্তিটি কার?
- 'আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু।'- উক্তিটি কার?
- "মতিঝিল ছেড়ে আমি এক পা নড়ব না"- উক্তিটিতে ঘসেটি বেগমের কোন মানসিকতা ফুটে উঠেছে?
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহাধনবান,অসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান।……………………………………………হউক বীরেন্দ্র সে যেন রোস্তমশত শত দাস তার সেবুক চরণকরুক স্তাবকদল স্তব সংকীর্তন।কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমি হিত,স্বজাতির সেবা যে করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সত্বরঅতীব ঘৃণিত সে পাষণ্ড বর্বর।উদ্দীপকের শেষ চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রধান সেনাপতিকে নির্দেশ করে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশীয় দোসরদের সহায়তায় আমাদের দেশে ব্যাপক নির্যাতনচালায় । অসংখ্য মানুষের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। মা-বোনদেরসম্মানহানি করে এবং ব্যাপক গণহত্যা চালায় ।হানাদার বাহিনীর অত্যাচার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ‘আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে' বলতেনবাব বোঝাতে চেয়েছেন—
- মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর 'পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরোহণের পরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সাথে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তাঁর অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও শক্ত, হাতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।'আংশিক সাদৃশ্য থাকলেও হুমায়ুন ও সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক নয়'- বিশ্লেষণ করো।
- জুলিয়াস সিজার যখন রোমের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন তখন তার সিনেটরদের অনেকেই তা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে তার স্বজনদের অনেকেই হাত মেলায় হীনস্বার্থ উদ্ধারের অভিপ্রায়ে। যার মধ্যে ছিল সিজায়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাস। উদ্ধত ব্রুটাস ছুরি হাতে সিজারকে হত্যা করতে এলে সিজার নিদারুণ বেদনায় শুধু বলেন, "ব্রুটাস তুমিও।"বিশ্বাসঘাতকতার বিচারে উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে রাজাকার ও আলবদররা গোপনে পাকিস্তানিবাহিনীকে সহায়তা করে এবং বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।তাদের সহায়তায় পাক হানাদার বাহিনী বাংলাদেশে বু??্ধিজীবী হত্যারনীল নকশা প্রণয়ন করে।উদ্দীপক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল বিষয়—
- 'তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে সিরাজ।' কে, কাকে এবং কেন এ উক্তিটি করেছেন?
- মৃত্যুকালে সিরাজের মুষ্টিবদ্ধ হাত কীসের প্রতীক?
- জামালপুর জেলায় মেলান্দহ উপজেলার একটি নদী কাটাখালী। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা এলাকার ধানী জমিগুলোতে ইটভাটা বসিয়ে কৃষি- উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানার কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করে যাচ্ছে। এলাকায় পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়কর ও ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের কাছে এসবের প্রতিকার চায়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই এলাকায় মানবিক বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।উদ্দীপকের পরিবেশবাদীদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের আদর্শিক মিল খুঁজে পাওয়া যায়?
- 'মেঘনাদবধ কাব্যে'র দেশপ্রেমিক রাক্ষসরাজ রাবণ দেশে শত্রুবেষ্টিত ও অবরুদ্ধ। রামচন্দ্র ও তার বানর সৈন্য লঙ্কা নগরীকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। রাবণের অনুজ বিভীষণ শত্রুসেনাদের সাথে যোগ দিয়ে রাবণের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। চারিদিকে অবিশ্বাস, প্রতারণা ও বিপর্যয়ের হাতছানি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বীর পুত্রদের মৃত্যুর খবর আসে তাঁর কানে । বিষন্ন ও দ্রোহক্ষুব্ধ রাবণ শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য যুদ্ধসাজ নিয়ে রণক্ষেত্রে অগ্রসর হয়। দেশের জন্য এ সংগ্রাম প্রকৃত বীরত্বের মহিমায় উজ্জ্বল।উদ্দীপকের রাবণ চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বিশ্লেষণ করো।
- কোম্পানির ঘুষখোর ডাস্তার কে?
- 'আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে।'- এ উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদের জোয়ার লাগে,পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য কতটুকু বিশ্লেষণ করো।