“ওপরের আদালতের হুকুম” বলতে কার নির্দেশ
বোঝানো হয়েছে?
A.
স্রষ্টার
B.
হাইকোর্টের
C.
জজকোর্টের
D.
খুড়ার
সঠিক উত্তরঃ
A.
স্রষ্টার
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'যে হিমালয়ে বাস করিতেন , সেই হিমালয়ের তিনি যেন মিতা। ' বাক্যটি -
- ‘শুক্রবার স্কুল ছুটি’ । এখানে ‘শুক্রবার’-
- “বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছুআশা করে।”— বায়ান্নর দিনগুলো'তে এই উক্তির'অনেক কিছু' হলো—
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'। বাণীটি কার?
- 'যদিও তিনি বিদ্বান তবু তাঁর অহংকার নাই' - কোন ধরনের বাক্য ?
- ফরিদপুরের মহিউদ্দিনকে সকলে কী নামে ডাকে?
- শুদ্ধ বাক্যটি নির্ণয় কর :
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান বিরচিত 'একুশের গল্প' রচনায় গল্প কথক, তপু ও রাহাত ছিল তিন বন্ধু। তারুণ্যের উদ্দামতা ও এক স্বপ্নিল আশা নিয়ে ভালোভাবেই কেটে যাচ্ছিল। তাদের ছাত্রজীবনের দিনগুলো। কিন্তু বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তাদের ছন্দময় জীবনে অকস্মাৎ ছেদ পড়ে। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে তপু ও তার বন্ধুবান্ধব যোগ দেয় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে। মিছিল এগিয়ে চলল মেডিকেল কলেজের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের দিকে। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌছাতেই মিলিটারিরা অতর্কিতে গুলি চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্ধুরা দেখতে পেল হাতে প্ল্যাকার্ডসহ গুলিবিদ্ধ তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।উদ্দীপকের ঘটনার সঙ্গে 'বায়ান্নার দিনগুলো' রচনার কোন ঘটনার মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- ‘সে মরাতেও শান্তি আছে' – লেখক শেখ মুজিবুররহমান কোন মৃত্যুতে শান্তির কথা বলেছেন?
- শুক্রবার স্কুল বন্ধ থাকে বাক্যটিতে শুক্রবার কোন কারক?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেল জীবনের ওপর রচিত বইয়ের নাম কি?
- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী দেশের মানুষের জন্যআন্দোলন করেন। আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্বে তিনিছিলেন পুরোধা, নিবেদিতপ্রাণ। তিনি কখনো কারো কাছেমাথা নত করেননি।উদ্দীপকের আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সাথেতোমার পঠিত 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাংশের কোনচরিত্রের মিল দেখা যায়?
- বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগে অধ্যয়ন করেন?
- বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ ভ্রাতা কে?
- 'ক্ষুদিরাম ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসকদের উচ্ছেদকরতে দীর্ঘদিন সংগ্রাম করেছেন — উক্ত বাক্যে ক্ষুদিরামেরসঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' র???নার কার মিল রয়েছে?
- মুক্তির মন্দির সোপানতলেকত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলে।কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে-রাঙাবন্দিশালার ওই শিকল ভাঙাতাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে,যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।"উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- শেখ মুজিবুর রহমান রচিত 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটির প্রকাশক-
- 'এদিককার মানুষ চোখে খালি নৌকা দেখে, নৌকা ভরা অস্ত্র।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায় |'___কেন? বুঝিয়ে দাও।
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।