কোয়ারটার্ন ম্যালেরিয়ার পরজীবী কোনটি?
সঠিক উত্তরঃ
B.
P. malariae
Explanation:

Another Explanation (5):
কোয়ারটার্ন ম্যালেরিয়ার পরজীবী কোনটি?
ম্যালেরিয়া একটি প্রাচীন ও মারাত্মক রোগ যা প্রোটোজোয়ান পরজীবী প্লাসমোডিয়াম দ্বারা সৃষ্টি হয়। এই রোগের বিভিন্ন প্রকারের উপর ভিত্তি করে পার্থক্য করা হয়, যার মধ্যে অন্যতম হলো কোয়ারটার্ন ম্যালেরিয়ার পরজীবী।
উত্তরঃ
"P. malariae"
ব্যাখ্যা / বিস্তারিত
কোয়ারটার্ন বা চতুর্থ ধরণের ম্যালেরিয়ার পরজীবী হলো P. malariae। এটি সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী এবং ধীরে ধীরে রোগের লক্ষণ প্রকাশ করে। এই পরজীবীটি অন্যান্য প্রকারের তুলনায় কম জটিল তবে দীর্ঘস্থায়ী রোগের কারণ হয়ে থাকে।
ম্যালেরিয়া প্রকারভেদ ও পরজীবী:
| ম্যালেরিয়া প্রকার | পরজীবীর নাম | লক্ষণ ও বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| ট্রপোইজোয়েটের ধরণ | P. falciparum | অতি দ্রুত রোগের বৃদ্ধি, জটিলতা 💀 |
| প্যারামাইসিয়েটের ধরণ | P. vivax | সাধারণ, পুনরাবৃত্তি হয় 🔄 |
| Ovale | P. ovale | আধা দীর্ঘস্থায়ী, কম হার্ড |
| কোয়ারটার্ন বা চতুর্থ ধরণের | P. malariae | ধীরে ধীরে, দীর্ঘস্থায়ী, কম জটিল 🐢 |
সারাংশ
- কোয়ারটার্ন ম্যালেরিয়ার পরজীবী হলো P. malariae
- এটি ধীরগতির, দীর্ঘস্থায়ী এবং কম জটিল রোগ সৃষ্টি করে
- অন্য প্রকারের তুলনায় এর রোগের প্রভাব ও লক্ষণ আলাদা
সুতরাং, যদি কোয়ারটার্ন বা চতুর্থ ধরণের ম্যালেরিয়ার বিষয়ে প্রশ্ন আসে, উত্তর হবে P. malariae। 😊
Option A Explanation:
- প্রকার: প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর একটি প্রকার, যা মালেরিয়া (অ্যাকিউট বা ক্রনিক) রোগের কারণ।
- উদ্ভবস্থান: সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়, যেখানে জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয় বেশি থাকে।
- লক্ষণ:
- অল্প সময়ের জন্য জ্বর আসে, যা পুনরাবৃত্তি হয়।
- জ্বরের সময় কাঁপুনি হয়, যা সাধারণত ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
- শরীরের অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
- অন্য লক্ষণগুলোতে মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, পেশী ব্যথা থাকতে পারে।
- প্রজনন ও সংক্রমণ: প্যাথোজেনটি রক্তে প্রবেশ করে, এবং আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে অন্যান্য মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
- চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।
Option B Explanation:
- P. malariae হলো একটি প্রোটোজোআন জীবাণু যা ম্যালেরিয়া রোগের কারণ হিসেবে পরিচিত।
- এটি Plasmodium জেনাসের অন্তর্ভুক্ত, যা ম্যালেরিয়ার মূল জীবাণু হিসেবে কাজ করে।
- এটি সাধারণত পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায় এবং উচ্চমাত্রার সংক্রমণের জন্য দায়ী।
- অন্য জীবাণুগুলির মতো, P. malariae রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় বাস করে এবং সেই অনুযায়ী রোগের লক্ষণ সৃষ্টি করে।
Option C Explanation:
- প্রকার: স্পোর্ডোজোয়া প্রজাতি
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: কোয়ারটার্ন ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী
- আবাসিক স্থান: মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকা
- উৎপত্তি: আফ্রিকা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ওয়ার্ল্ডওয়াইড
- প্রজনন: লিভার ও রক্তের মধ্যে চক্রবৃদ্ধি করে
- চিহ্ন: সাধারণত হালকা জ্বর ও অস্থিরতা, তবে কিছু ক্ষেত্রে হেমোলোজিক সমস্যা দেখা দেয়
- উপসর্গ: খুব কম বা মাঝামাঝি জ্বরের ঝোঁক, পিরিয়ডের মাঝে দীর্ঘ সময় বিরতি
Option D Explanation:
- প্রধান পরজীবী: P. falciparum হচ্ছে ক্ষুদ্রতম ও সবচেয়ে মারাত্মক পরজীবী যা কোয়ারটার্ন ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী।
- বৈশিষ্ট্য: এটি দ্রুত রক্তে ছড়িয়ে পড়ে এবং গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে সক্ষম।
- নিয়মিত উপসর্গ: উচ্চ জ্বর, কাঁপুনি, মাথা ব্যথা, এবং রক্তক্ষরণ।
- চিকিৎসা: দ্রুত ও কার্যকরী অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধের প্রয়োজন হয়, কারণ এটি অন্যান্য প্রকারের তুলনায় বেশি মারাত্মক।