, সিয়াজউদ্দৌলা ' নাটকে কোথাকার 'মহারাণীর কথা উল্লেখ রয়েছে?
A. পুঠিয়ার
B. নাটোরের
C. মুর্শিলাধাদের
D. চৌগ্রামের
সঠিক উত্তরঃ
B.
নাটোরের
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সিরাউদ্দৌলা নাটকে কে, কেন নিজেকে 'দওলাতের পূজারি' হিসেবে ঘোষণা করেছে?
- অমর ও সমর অন্তরঙ্গ বন্ধু। একদা তারা এক বনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। তারা প্রতিজ্ঞা করেছে পথে কোনো বিপদে কেউ কাউকে ছেড়ে যাবে না। বনের মাঝামাঝি আসতেই তারা এক হিংস্র ভালুকের আক্রমণের শিকার হলো। অমর বন্ধুর কথা না ভেবে নিজের প্রাণ বাঁচাতে একটি বৃক্ষের উপর উঠে গেল; কিন্তু সমর গাছে উঠতে পারে না। উপায় না দেখে সে মৃত মানুষের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ল। হিংস্র ভালুকটি দৌড়ে এসে সমরের দেহটিকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে অবশেষে মৃতদেহ ভেবে চলে গেল। বিপদমুক্ত ভেবে অমর এবার বৃক্ষ থেকে নামল আর বন্ধু সমরের কাছে জানতে চাইল, ভালুক তার কাকে কানে কী বলে গেছে? সমর গম্ভীর স্বরে উত্তর দিল- 'ধূর্ত ও প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারীরা চিরকালই শত্রু হয়, বন্ধু হয় না, এই কথাই বলেছে।'উদ্দীপকের সমর চরিত্র কোন বিবেচনায় সিরাজউদ্দৌলা চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'- উক্তিটির সপ্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করো।
- শোনা যায়, তিস্তাপাড়ে এখন আর ফসলি জমি নেই। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জমিতে মেশিন বসিয়ে উত্তোলন করে নিচ্ছে ভূগর্ভস্থ পাথর। এই অঞ্চলে ফসলের তুলনায় পাথরের মূল্য বেশি। দিনে দিনে মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকার সচেতন জনগোষ্ঠী দেশের স্বার্থে এতে বাধা দিলে তারা সাময়িকভাবে পাথর উত্তোলন-বদ্ধ রাখে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তিনটি মেশিন বসানোর অনুমতি নিয়ে বাস্তবে তিনশত মেশিন বসিয়ে আবার পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে যেমন ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, তেমনি নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ব্যবসায়ীদের তাতে কিছু যায়-আসে না, অধিক মুনাফা অর্জনই যেন তাদের লক্ষ্য। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো শোনা যাবে, মাটির নিচে তলিয়ে গেছে তিস্তাপাড়ের বিশাল জনপদ।উদ্দীপকের সচেতন জনগোষ্ঠী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? কীভাবে?
- স্বার্থপর ক্লডিয়াস রানির সাথে হাত মিলিয়ে রাজা হ্যামলেটকে হত্যা করে।উদ্দীপকের রাজা হ্যামলেট "সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- মহাকবি বাল্মীকির 'রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির প্রতিভূ। রামায়ন্ত্রে কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মেঘনাদ' চরিত্রটি তাঁর এক অসাধারণ সৃষ্টি। সীমাহীন দেশপ্রেম ও অসাধারণ বীরত্ব সত্ত্বেও গৃহশত্রু বিভীষণের কারণে তাকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়। মেঘনাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে রাম-রাবণ যুদ্ধে বিজয় সূচিত হয় আর্যশক্তির।"উদ্দীপকের মেঘনাদ এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ চরিত্র দেশপ্রেমের এক অনুপম প্রতীক।"- বিশ্লেষণ করো।
- 'He is a dead horse.' - কার সম্পর্কে উক্তিটি করা হয়েছে?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কয়টি দৃশ্য রয়েছে?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে অঙ্ক সংখ্যা কত?
- কোনটি সঠিক?
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'- বুঝিয়ে দাও।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘুমন্ত বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অন্যায়ভাবে ব্যাপক হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ চালায় বাংলাদেশে। আলবদর, আলশামস বাহিনীর মাধ্যমে পাকিস্তানিরা এ দেশে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। দীর্ঘ নয় মাসে তারা ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করে। কিন্তু সাহসী বাঙালি প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানিদের কোণঠাসা করে মুক্তির বিজয় ছিনিয়ে আনে।উদ্দীপকে সাহসী বাঙালির প্রবল প্রতিরোধের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কীভাবে বর্ণিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- ‘কিত্তনখোলা’ নাটকটির বিষয়-
- পাকিস্তানি শাসকবর্গ দীর্ঘ চব্বিশ বছর বাঙালিদের উপর শাসন, শোষণ, অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে ও দেশ স্বাধীন করেছে। দেশের মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধু বহুবার জেল খেটেছেন। ১৯৭৫ সালে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করে দেশপ্রেমিক এ মহান নেতাকে হত্যা করে।উদ্দীপকের স্বার্থান্বেষী মহলের ভূমিকা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মঞ্জু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।
- 'সিরাজের পতন কে না চায়?' উক্তিটি কে করেছেন?
- তুমিও আমার বিচার করতে বসলে? ব্যাখ্যা কর।
- জুলিয়াস সিজার যখন রোমের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন তখন তার সিনেটরদের অনেকেই তা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে তার স্বজনদের অনেকেই হাত মেলায় হীনস্বার্থ উদ্ধারের অভিপ্রায়ে। যার মধ্যে ছিল সিজায়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাস। উদ্ধত ব্রুটাস ছুরি হাতে সিজারকে হত্যা করতে এলে সিজার নিদারুণ বেদনায় শুধু বলেন, "ব্রুটাস তুমিও।""উদ্দীপকের ব্রুটাস যেন মিরজাফরেরই প্রতিচ্ছবি"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- নাটকে সংলাপের ভূমিকা- চরিত্রের অনুভূতিকে প্রকাশ করে চরিত্রকে গতিশীল ও সক্রিয় রাখে কাহিনির বিকল্প ভূমিকা পালন করেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- ব্যাখ্যা করো।