‘বিদ্রোহী' কবিতায় তরবারি-সদৃশ অস্ত্রবিশেষকে কী নামে অভিহিত করা হয়েছে?
A. খড়গ
B. কৃপাণ
C. কুঠার
D. হল
সঠিক উত্তরঃ
B.
কৃপাণ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ঊষার দুয়ারে হানি আঘাতআমরা আনিব রাঙা প্রভাতআমরা টুটাব তিমির রাতবাধার বিন্ধ্যাচল।উদ্দীপকটি কোন কবিতার ভাব ধারণ করে?
- 'ভাঙাঘর, ফাঁকা, ভিটেতে জমেছে নির্জনতার কালো, হে মহা মানব, এখানে শুকনো পাতায় আগুন জ্বালো।' উদ্দীপকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ বাক্য কোনটি?
- 'আমি সেই দিন হব শান্ত' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ- তূর্য;'- পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ভারতীয় পুরাণের কোপণ-স্বাভাববিশিষ্ট মুণির নাম কী?
- 'হল' নামক অস্ত্রের সাথে সম্পর্ক কার?
- আমার কণ্ঠকে কেউ কোনদিন থামাতে পারেনি, যেমন পারেনি কেউ কোনকালে ঠেকাতে অরুণোদয়, চাও বা না চাও নৈঃশব্দ্যেও যদি কান পাতো শুনবে আমারই কণ্ঠস্বর।নিচে কোন পঙক্তির সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য আছে?
- আমি যুগে যুগে । আসি, আসিয়াছি পুনঃমহাবিপ্লব হেতুএই স্রষ্টার শনি মহাকাল ধূমকেতু।সাত সাতশ নরকজ্বালা জ্বলে মম ললাটে।মম ধূম-কুণ্ডলী করেছে শিবের ত্রিনয়ন ঘন ঘোলাটে।আমি স্রষ্টার বুকে সৃষ্টি পাপের অনুতাপ-তাপ হাহাকার আর মর্ত্যে সাহারা-গোবি ছাপ আমি অশিব তিক্ত অভিশাপ।"উদ্দীপকের মতো 'বিদ্রোহী' কবিতায়ও দ্রোহের স্বাক্ষর নিহিত।"- কথাটির মূল্যায়ন করো।
- "হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখন/জন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধান,গত আকালের মৃত্যুকে মুছে/আবার, এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।'হয় ধান নয় প্রাণ'-এ শব্দে/সারা দেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজ/মৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/ অবাক তাকিয়ে রয়,জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিক কোনটি? আলোচনা করো।
- অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খলতার প্রকাশ 'বিদ্রোহী' কবিতার কোন চরণটি?
- "হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখন/জন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধান,গত আকালের মৃত্যুকে মুছে/আবার, এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।'হয় ধান নয় প্রাণ'-এ শব্দে/সারা দেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজ/মৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/ অবাক তাকিয়ে রয়,জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবকে পুরোপুরি ধারণ করতে পেরেছে কি? উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার আলোকে পর্যালোচনা করো।
- 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহে ছিলেন হিমালয়ের মতো সুউচ্চ এবং জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মতো দহন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রেমের ক্ষেত্রে ছিলেন স্রোতঃস্বিনী নদীর জোয়ারের মতো। তাঁর প্রেমের ফেনায়িত তরঙ্গ কুল ছাপিয়ে একাকার হয়ে গেছে। বিদ্রোহের পিছনেও ছিল তাঁর খরস্রোতা নদীর মতো দেশপ্রেম।উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতাটির সাদৃশ্যের দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তুর্য।'- কথাটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- বাংলাদেশের রণসংগীত কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থের অন্তৰ্ভূক্ত?
- 'আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!'- ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়?
- বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকেআমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে,এতো বিদ্রোহ কখনো দেখেনি কেউ,দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ;স্বপ্ন-চূড়ার থেকে নেমে এলো সব-শুনেছ? শুনছ উদ্দাম কলরব?নয়া ইতিহাস লিখছে ধর্মঘট;রক্তে রক্তে আঁকা প্রচ্ছদপট।'প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত,দেখ আজ তারা সবেগে সমুদ্যত;উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সংগতিপূর্ণ?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় নিচের কোনটি সৃষ্টির ধ্বংসকালকে নির্দেশ করে?
- এ কারবালার ময়দানে ইমাম হোসেন তাঁর বাহাত্তর জন সঙ্গীসহ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। শত অনুরোধ ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তিনি সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেছেন। মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি। সকলেই যখন অর্থলোভে, রাজ্যলোভে বা মৃত্যুভয়ে ইয়াজিদের বশ্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন, তখন তিনি একাই ইয়াজিদি শাসনের ভীত কাঁপিয়ে দিয়েছেন।"চির উন্নত মম শির' উক্তিটিতে প্রকাশিত আদর্শবোধই উদ্দীপকের ইমাম হোসেনের মাঝে প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।