'যদি এই পথে মৃত্যু এসে থাকে তবে তাই হবে'- কোন রচনার উদ্ধৃতি?
A. আমার পথ
B. বায়ান্নর দিনগুলো
C. অপরিচিতা
D. নেকলেস
সঠিক উত্তরঃ
B.
বায়ান্নর দিনগুলো
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ফরিদপুরে কত তারিখে শোভাযাত্রা চলল?
- কর্মবাচ্যের উদাহরণ
- " মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভূল হতে থাকে "---কার উক্তি?
- শেখ মুজিবুর রহমান চিন্তাশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন কেন?
- মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দেয়তারা কেমন মানুষআজ আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে।আমার বুকের মধ্যেসেই বাংলাদেশের জন্যএকটুখানি বাঙালি হয়ে ওঠার জন্যএকটা ভয়ংকর যন্ত্রণা টনটন করে ওঠে।
- ভাষা আন্দোলনে ছাত্র -জনতার ওপর গুলিবর্ষণের জন্য দায়ী কে?
- ‘আমি যখন জেলে যাই তখন ওর বয়স মাত্র কয়েক মাস’– এখানে ‘ওর’ বলতে শেখ মুজিবুর রহমান কাকে বুঝিয়েছেন?
- একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবীঅবাক তাকিয়ে রয়;জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকের শেষ চরণের বক্তব্য 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে বিশেষ দিকটিতে আলোকপাত করেছে তা আলোচনা করো।
- পাশ্চাত্য সভ্যতার ইতিহাসে মহান দার্শনিক সক্রেটিস এর নাম উজ্জ্বল ও ভাম্বর হয়ে আছে। তিনি এমন এক দার্শনিক আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রবর্তক যা কিনা পাশ্চাত্য সভ্যতা, সংস্কৃতি ও দর্শনকে দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে প্রভাবিত করেছে। তিনি বলতেন "আমি জ্ঞানী নই, জ্ঞানানুরাগী মাত্র। একটি জিনিসই আমি জানি; আর সেটি হলো এই যে, আমি কিছুই জানি না।" না।” শাসকদের শা কোপনলে পড়ে জেলবন্দি হন। পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও যাননি। । এই মহান জ্ঞানীকে হেমলক পানে হত্যা করা হয়।উদ্দীপকের সক্রেটিসরে সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী চেতনা কতটুকু সংগতিপূর্ণ?
- যার যাবে প্রাণ তাহেপ্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি শুনাব শাহানশাহে।উদ্দীপকের সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোনবাক্যের অধিক মিল রয়েছে?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হার্টের অবস্থা খারাপের জন্য কী হয়?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় লেখক কোন ভাষারীতি অবলম্বন করেছেন?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' কোন গ্রন্থ থেকে সংকলন করা হয়েছে?
- পঁচিশে মার্চের সেই কালরাত্রি। তীব্র একাত্তরদানবীয় হত্যা ও লুণ্ঠন অগ্নি হিংসার তাণ্ডবহানাদার হায়েনার পৈশাচিক উল্লাসসেই নগ্ন কালরাত্রে অতর্কিত বন্য হামলায়উজাড় নিঃশেষ আর দগ্ধতার ধু ধু শূন্য ভগ্নস্তূপঝরেছিল প্রাণ অগণন, সাঁদামাটি বাংলার প্রান্তরে…………….…………….…………….…………….অধিকৃত দেশ-মাটি-মানুষের মুক্তির সংগ্রামেবাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে, নাই কোনো ক্ষমা নাইযেকোনো ত্যাগের মূল্যে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা চাইমুক্তিযুদ্ধ দিয়েছে মূল্যে লাল পতাকার অগ্নি অহংকারমুক্তিযুদ্ধ চিরকালই চলমান, কোনো অন্ত বিরতিও নাই।"সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের খণ্ডাংশ মাত্র।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- আফ্রিকার জনমানুষের প্রিয় নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। বর্ণবাদ, বৈষম্য আর শোষণ নিপীড়নের প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার কালো মানুষগুলোর দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্বের পুরোধা ছিলেন তিনি। তাঁকে সইতে হয়েছে নির্যাতন, খাটতে হয়েছে জেল, সাতাশ বছর সশ্রম কারাভোগ ও ত্যাগের বিনিময়ে আফ্রিকার মানুষদের মুক্তি তথা স্বাধীনতা অর্জিত হয়।পরিপ্রেক্ষিত ভিন্ন হইলেও 'সংগ্রামী চেতনায় মুজিব-ম্যান্ডেলা এক সূত্রে গাঁথা'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- ওপরওয়ালাদের নির্দেশ বঙ্গবন্ধুকে নারায়ণগঞ্জেকোথায় রাখা হয়েছিল ?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- "মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে"- ব্যাখ্যা করো।
- শব্দের শেষে কোনটি যুক্ত হওয়ার পরে আর কিছু যুক্ত হয় না?
- রুগ্নতাব্যঞ্জক অব্যয়