নুরুল হুদার স্ত্রী কেন বাড়ি পাল্টানোর জন্য হন্যে হয়ে লেগে গেলেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'রেইনকোট' গল্পে ভীতু নুরুল হুদার সাহসী হয়ে ওঠারমূল কারণ কী?
- প্রিনসিপ্যাল কেন দিনরাত দোয়া দরুদ পড়ত?
- 'রেইনকোট' গল্পটি কার লেখা?
- পাকিস্তান সরকার ও পাকবাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের অবজ্ঞা করার জন্য কোন শব্দটি ব্যবহার করত?
- 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ ঢাকার চিত্র ফুটে উঠেছে। ওই সময়ে পাকিস্তানি মিলিটারি ঢাকা শহরকে পুরো নিয়ন্ত্রনে রেখেছিল। সময়ে- অসময়ে কারফিউ জারি করে মানুষকে ঘরে থাকতে বাধ্য করত। কখনো মানুষকে ধরে কিংবা বাস থেকে নামিয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে মেরে ফেলত। সেই পরিস্থিতিতেই বদিউল আলম তাঁর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা দল নিয়ে ঢাকায় ঢুকে বিভিন্ন অপারেশন চালাত। এভাবেই একদিন গুলিবিদ্ধ হন এবং মারা যান।"উদ্দীপকের বদিউল ও 'রেইনকোট' গল্পের নূরুল হুদা দুজনের মধ্যেই বাঙালির জাতীয় চেতনার স্ফুরণ ঘটেছে বিশ্লেষণ কর।
- " আমার নাম? সত্যি বলেছে? আমার নাম বলেছে? "রেইনকোট গল্পে উক্তিটি কার?
- ‘রেইনকোট' গল্পের প্রেক্ষাপটে নিম্নোক্ত কোনবিষয়টির প্রতি লেখক বেশি সচেষ্ট ছিলেন?
- নূরুল হুদার নিকট কোন বিষয়টিকে স্রেফ উৎপাত বলে মনে হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- ১৯ শে অক্টোবর ১৯৭১ সালে ঢাকার মতিঝিল এলাকায় একটি ব্যাংকের সম্মুখে পাকিস্তানি জঙ্গী সরকারের তাঁবেদারদের একটি মোটরগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। আমাদের দুঃসাহসিক বীর তরুণরা প্রকাশ্যে টহলরত হানাদার সৈন্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে উক্ত গাড়ির আসনের নিচে একটা 'টাইম বোমা' বসিয়ে দেয়। এরপর তাঁবেদাররা ব্যাংক লুট করে মোটরে আসনে গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত করে বোমাটি বিস্ফোরিত হলে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য গাড়িও একসঙ্গে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ফলে ঘটনাস্থলে ৫ জন তাঁবেদার খতম এবং কয়েকজন মারাত্মক আহত হয়। গেরিলা যোদ্ধাদের এরকম কর্মকাণ্ড অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তোলে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রেরণা জোগায়।'মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা আক্রমণের সফলতা আমাদের অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তুলেছিল।"- উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে তোমার যুক্তি উপস্থাপন করো।
- হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারেবিষাক্ত গ্যাসের মতো বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়েআমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কীভা??ে সাদৃশ্যপূর্ণ- ব্যাখ্যা করো।
- মিলিটারি পান্ডা কোথায় বসেছিল?
- 'এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা'- উক্তিটি বুঝিয়ে দাও।
- 'শোনেন, মিলিটারি যাদের ধরে, মিছেমিছি ধরে না।' “রেইনকোট” গল্পের এই উক্তিটি কার?
- মাস তিনেক পর শহরে গেরিলা অপারেশন করতে এসে রাজাকারের হাতে ধরা পড়ে মিনহাজউদ্দিন। ওকে ক্যাম্পে এনে বকুল গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। উলঙ্গা শাস্তি সকালে দশ বেত। বিকেলে দশ বেতা। এমন দৃশ্য রহমত আলীর জীবনের শ্রেষ্ঠ আনন্দ। শুধু জানালায় বসে থাকলে এ দৃশ্য পুরোপুরি উপভোগ করা যায় না। বেত মারার আগেই বকুলতলায় এসে দাঁড়ায়। দু'কান ভরে মিনহাজউদ্দিনের গোঙ্গানি শোনে। বেইমানের এমন চরম শাস্তিই তো পাওয়া উচিত। যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করার জন্য ভীতু লোকটা সাহসী হয়ে গিয়েছিল। পালিয়েছিল বাড়ি থেকে।"'রেইনকোট' গল্পে মুক্তিযোদ্ধাদের যে গেরিলা আক্রমণের সার্থক চিত্র পাই তা উদ্দীপকে নেই।"-মন্তব্যটির সাথে তুমি কি একমত? যুক্তি দিয়ে বিচার করো।
- He was bombarded with complaints- এই বাক্যের সঠিক বঙ্গানুবাদ
- জাঁদরেল টাইপের মিলিটারির পান্ডা প্রিন্সিপালের কক্ষে কী মার্কা-চেয়ারে বসেছিল?
- কলিমদ্দি দফাদার ষাটোর্ধ্ব। তিনি সরকারি চাকরি করেন; পাকিস্তানি সেনাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া তাঁর ডিউটি। তাই মানুষ তাঁকে রাজাকার ভাবে। মুক্তিসংগ্রামে যেতে না পারায় তাঁর মনে দুঃখ। কিন্তু সুযোগ পেয়ে একবার একদল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ভুল। পথ দেখিয়ে বিপদে ফেলেছিলেন। এটাও তাঁর মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণ, কলিমদ্দি স্বস্তি পায় দেশের পক্ষে কাজ করতে পেরে।"ঘটনার বৈপরীত্য থাকলেও উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের চরিত্রগুলোর মধ্যে প্রবল দেশপ্রেম উজ্জীবিত ছিল?"- সপক্ষে যুক্তি দাও।
- মমতাজ উদ্দীন আহমদ রচিত নাটক 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা'। এ নাটকের উজ্জ্বল চরিত্র। দারোগা নুর মোহাম্মদ। অর্থ পুরস্কারের লোভে তিনি আকৃষ্টি হনন???। তাইতো ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক পুরস্কার ঘোষিত আসামি স্বদেশি আন্দোলনের নেতাকে হাতের নাগালে পেয়েও ছেড়ে দিয়েছেন। এভাবেই দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করে যাওয়া বিপ্লবী চেতনার সাথে একাত্ম হয়ে গেছেন তিনি।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের মূল লক্ষ্য একই।”- মন্তব্যটির যৌক্তিকতা বিচার করো।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চিন্তে দেশেই অবস্থান করেছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনী অকারণে মানুষ হত্যা করবে না। অন্তত যুদ্ধের নিয়ম, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী এমনই হওয়ার কথা। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সাহায্যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। যাদের কেউ আর ফিরে আসেননি; লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও বাংলার স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করতে পারেনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।'পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতা বাঙালির স্বাধীনতাকে দমাতে পারেনি'- উদ্দীপক ও পঠিত গল্পের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'সাবভার্সিভ অ্যাকটিভিটিজ' বলতে 'রেইনকোট' গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?